ঢাকা ০৪:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

গাইবান্ধায় ৩ বছরের শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ, মামলা ঠেকাতে জনপ্রতিনিধির হস্তক্ষেপের অভিযোগ

মোঃ মিঠু মিয়া গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৬:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬ ৯২ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা সদর উপজেলার দক্ষিণ গীদারি কালিবাজার এলাকায় মাত্র ৩ বছর বয়সী এক শিশু বলাৎকারের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে স্থানীয় এক কিশোরের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ দায়েরের চেষ্টা করলেও, তা বাধাগ্রস্ত করার অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, গত ১৮ জুন দক্ষিণ গীদারি কালিবাজার এলাকায় ৩ বছরের ওই শিশুকে বলাৎকার করে স্থানীয় বখাটে কিশোর আকাশ। ঘটনার পর শিশুটির পরিবার আইনগত সহায়তার জন্য থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নেয়।

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তফা কামাল থানায় উপস্থিত হয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের ওপর প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন। পরিবারের দাবি, তিনি অভিযোগ দায়ের না করার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করেন এবং টাকার প্রলোভন দেখান। একপর্যায়ে তিনি শিশুটির মা-বাবাকে থানার বাইরে নিয়ে যান। ফলে পরিবারটি লিখিত অভিযোগ জমা দিতে পারেনি বলে দাবি করেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একটি স্পর্শকাতর ও গুরুতর অপরাধের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

অভিযুক্ত আকাশের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর থেকে সে আত্মগোপনে রয়েছে।

অন্যদিকে, ইউপি সদস্য মোস্তফা কামালের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এদিকে, থানায় গিয়েও অভিযোগ দিতে না পারার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার শিশুটির ওপর সংঘটিত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, একটি শিশু নির্যাতনের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। তারা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।শিরোনাম প্রস্তাব:

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গাইবান্ধায় ৩ বছরের শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ, মামলা ঠেকাতে জনপ্রতিনিধির হস্তক্ষেপের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:৪৬:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

গাইবান্ধা সদর উপজেলার দক্ষিণ গীদারি কালিবাজার এলাকায় মাত্র ৩ বছর বয়সী এক শিশু বলাৎকারের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে স্থানীয় এক কিশোরের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ দায়েরের চেষ্টা করলেও, তা বাধাগ্রস্ত করার অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, গত ১৮ জুন দক্ষিণ গীদারি কালিবাজার এলাকায় ৩ বছরের ওই শিশুকে বলাৎকার করে স্থানীয় বখাটে কিশোর আকাশ। ঘটনার পর শিশুটির পরিবার আইনগত সহায়তার জন্য থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নেয়।

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তফা কামাল থানায় উপস্থিত হয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের ওপর প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন। পরিবারের দাবি, তিনি অভিযোগ দায়ের না করার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করেন এবং টাকার প্রলোভন দেখান। একপর্যায়ে তিনি শিশুটির মা-বাবাকে থানার বাইরে নিয়ে যান। ফলে পরিবারটি লিখিত অভিযোগ জমা দিতে পারেনি বলে দাবি করেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একটি স্পর্শকাতর ও গুরুতর অপরাধের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

অভিযুক্ত আকাশের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর থেকে সে আত্মগোপনে রয়েছে।

অন্যদিকে, ইউপি সদস্য মোস্তফা কামালের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এদিকে, থানায় গিয়েও অভিযোগ দিতে না পারার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার শিশুটির ওপর সংঘটিত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, একটি শিশু নির্যাতনের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। তারা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।শিরোনাম প্রস্তাব: