ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেশার টাকা চেয়ে বাবা-মাকে মারধরে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার লালপুরে পুলিশ সদস্যসহ ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার ৩ ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত মিছিলের’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে কৃষকদের আস্থার প্রতিক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল ইমরান

নারী কেলেঙ্কারিতে বহিস্কৃত সেই আরিফকে বিআইডব্লিউটিএর ক্রয়ও সংরক্ষণে পদায়ন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৩:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ৫৫ বার পড়া হয়েছে

নারী কেলেঙ্কারিতে বহিস্কৃত সেই বহুল আলোচিত সমালোচিত
আরিফকে বিআইডব্লিউটিএর ক্রয়ও সংরক্ষণে পদায়ন করা হয়েছে।
গত ২৩ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখ বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কতৃপক্ষের অতিরিক্ত পরিচালক প্রশাসন ও মানবসম্পদ মোঃ কবির হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে আরিফকে একই পদে বিআইডব্লিউটিএর ক্রয়ও সংরক্ষণ বিভাগ ঢাকায় পদায়ন করা হয়।
এতে করে জনমনে সুশাসন ও ন্যায় বিচার নিয়ে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

জানাগেছে, এর আগে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বন্দর ও পরিবহণ বিভাগের পরিচালক এ.কে.এম. আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।
চলতি বছর (২৩ জুন) মঙ্গলবার বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান মো. মুহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক দপ্তরিক আদেশে তাকে
বরখাস্ত করা হয়েছিল।

আদেশে বলা হয়েছিল এ.কে.এম. আরিফ উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে নারী কেলেঙ্কারি, দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগসংবলিত ভিডিও ক্লিপ প্রকাশিত হয়েছে। এতে সংস্থাটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছিল বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালা, ১৯৯০-এর বিধি ৩৫ (খ) ও (ঙ) লঙ্ঘনের কারণে বিধি ৪১(১) অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

দপ্তর আদেশ অনুযায়ী, সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি মোতাবেক খোরাকি ভাতা পাবেন। একই সঙ্গে তাকে বিআইডব্লিউটিএর প্রশাসন ও মানব সম্পদ বিভাগে নিয়মিত হাজিরা দিতে হবে। হাজিরা প্রদান সাপেক্ষে তার খোরাকি ভাতা পরিশোধ করা হবে।

এদিকে প্রশাসন ও মানব সম্পদ বিভাগের পরিচালক মো. সাইফুল ইসলামকে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে বন্দর ও পরিবহন বিভাগের পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সেদিন
উক্ত আদেশে আরও বলা হয়েছিল, এ নির্দেশনা অনতিবিলম্বে কার্যকর হবে।

নির্দেশনা কার্যকরের মধ্যেই হঠাৎ তার পদায়নকে ঘিরে নানা আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নারী কেলেঙ্কারিতে বহিস্কৃত সেই আরিফকে বিআইডব্লিউটিএর ক্রয়ও সংরক্ষণে পদায়ন

আপডেট সময় : ০৭:৫৩:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

নারী কেলেঙ্কারিতে বহিস্কৃত সেই বহুল আলোচিত সমালোচিত
আরিফকে বিআইডব্লিউটিএর ক্রয়ও সংরক্ষণে পদায়ন করা হয়েছে।
গত ২৩ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখ বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কতৃপক্ষের অতিরিক্ত পরিচালক প্রশাসন ও মানবসম্পদ মোঃ কবির হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে আরিফকে একই পদে বিআইডব্লিউটিএর ক্রয়ও সংরক্ষণ বিভাগ ঢাকায় পদায়ন করা হয়।
এতে করে জনমনে সুশাসন ও ন্যায় বিচার নিয়ে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

জানাগেছে, এর আগে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বন্দর ও পরিবহণ বিভাগের পরিচালক এ.কে.এম. আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।
চলতি বছর (২৩ জুন) মঙ্গলবার বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান মো. মুহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক দপ্তরিক আদেশে তাকে
বরখাস্ত করা হয়েছিল।

আদেশে বলা হয়েছিল এ.কে.এম. আরিফ উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে নারী কেলেঙ্কারি, দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগসংবলিত ভিডিও ক্লিপ প্রকাশিত হয়েছে। এতে সংস্থাটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছিল বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালা, ১৯৯০-এর বিধি ৩৫ (খ) ও (ঙ) লঙ্ঘনের কারণে বিধি ৪১(১) অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

দপ্তর আদেশ অনুযায়ী, সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি মোতাবেক খোরাকি ভাতা পাবেন। একই সঙ্গে তাকে বিআইডব্লিউটিএর প্রশাসন ও মানব সম্পদ বিভাগে নিয়মিত হাজিরা দিতে হবে। হাজিরা প্রদান সাপেক্ষে তার খোরাকি ভাতা পরিশোধ করা হবে।

এদিকে প্রশাসন ও মানব সম্পদ বিভাগের পরিচালক মো. সাইফুল ইসলামকে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে বন্দর ও পরিবহন বিভাগের পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সেদিন
উক্ত আদেশে আরও বলা হয়েছিল, এ নির্দেশনা অনতিবিলম্বে কার্যকর হবে।

নির্দেশনা কার্যকরের মধ্যেই হঠাৎ তার পদায়নকে ঘিরে নানা আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে।