পাবনা সাঁথিয়ায় উৎসুক জনতার হাতে লাঞ্চিত শহীদ নিজামীর বিপক্ষের স্বাক্ষী
- আপডেট সময় : ১০:৩১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৪ ৩৬৫ বার পড়া হয়েছে
পাবনার সাঁথিয়ায় সাবেক সফল মন্ত্রী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা স্বাক্ষী দেওয়ায় ১৬( অক্টোবর) সকালে তোফাজ্জল হোসেন মাস্টারকে সাঁথিয়া বাজারে লাঞ্চিত করেছে উৎসুক জনতা।
জানা যায়,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর সাবেক সফল মন্ত্রী শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর বিরুদ্ধে সরকার পক্ষের ১০ নম্বর সাক্ষী তোফাজ্জল হোসেন মাস্টার মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করায় অনেক আগে থেকেই সাঁথিয়ার উৎসুক জনতার মাঝে ছিলো চাপা ক্ষোভ। ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট হাসিনার পলাতকের পর হাসিনার দোসরদের মতোই গাঢাকা দিয়েছিল শহীদ নিজামীর স্বাক্ষীরাও। ১৬( অক্টোবর) সকালে তোফাজ্জল হোসেন মাস্টারকে সাঁথিয়া বাজারে দেখতে পেয়ে উৎসুক জনতা তাকে লাঞ্চিত করে।
তোফাজ্জ মাস্টার একজন সুযোগ সন্ধানী ব্যক্তি। সব সরকারের সময়ই তিনি সুবিধা নিয়েছেন। সরকারের সুবিধা নেওয়ার জন্যই সে শহীদ নিজামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা স্বাক্ষী দিয়েছিলেন। তিনি ছাত্র জীবন থেকেই আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। মাঝখানে এরশাদের আমলে তিনি জাতীয় পার্টির সাঁথিয়া থানা সভাপতি ছিলেন, বর্তমানে আবার আওয়ামী লীগ করেন। মাওলানা নিজামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবেন এই শর্তেই ৭২ বছর বয়স হওয়া সত্ত্বেও বিধিবহির্ভূতভাবে তিনি সাঁথিয়া উপজেলা পরিষদ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় অধ্যাপক আবু সাইয়িদ তথ্য প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে তার ছেলের বিটিভিতে চাকরি দেওয়া হয়েছিলো। জেরায় সাক্ষী তোফাজ্জল মাস্টার আরো স্বীকার করেন যে, মাওলানা নিজামী ১৯৭১ সালে পাবনা জেলার কোন স্থানে কোন জনসভা বা অন্য কোন ধরনের সভা-সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বা বক্তৃতা করেছেন এমন কোন খবর ১৯৭১ সালে বা ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত কোন পত্রপত্রিকায় তিনি দেখেননি।
টর্নেডো গ্রুপের সভাপতি বকুল হোসেন বলেন, শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা স্বাক্ষী দেওয়ায় সাঁথিয়ার উৎসুক জনতার মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছিলো।হয়তো তারই ধারাবাহিকতায় তাকে লাঞ্চিত করেছে উৎসুক জনতা।আমি শুনেছি যে তাকে লাঞ্চিত করেছে কিন্তু কারা লাঞ্চিত করেছে তা আমি সঠিক জানিনা।
















