পাবনা সাঁথিয়ায় নিজামীপুত্র মোমেনের আগমনে পাল্টে গেল সব দলের রাজনৈতিক হিসাব
- আপডেট সময় : ০৫:১৬:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ৫১৯ বার পড়া হয়েছে
পাবনার সাঁথিয়ায় দীর্ঘ ৮ বছর পর জামায়াতের সাবেক আমির ও মন্ত্রী শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন বাবার কবর জিয়ারতে পাল্টেগেল বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের হিসাব। ফলে সাঁথিয়া বেড়া বাসি নতুন করে ভাবতে শুরু করেছে আগামী সংসদ নির্বাচনের হিসাব নিকাশ।
গত ১৪ সেপ্টেম্বর দীর্ঘ ৮ বছর পর প্রবাস থেকে দেশে এসে বাবা শহীদ নিজামীর কবর জিয়ারত করার জন্য নিজ গ্রাম মনমথপুর আসেন। ব্যারিস্টার মোমেন এর কবর জিয়ারতের কথা মাইকে প্রচার করা হয়নি বরং লোক মুখে শুনতে পেয়ে তাকে একনজর দেখার জন্য জামায়াতে নেতাকর্মীদের মধ্যেই শুধু নয় বরং দল মত নির্বিশেষে নিজামী ভক্তরা পাহাড়ের ঢলের মত জমায়েত হতে থাকে। প্রায় ১৫ শতকের অধিক হোন্ডা, ২ শতকের অধিক মাইক্রো, শতাধিত সিএনজি ও ভ্যান যোগে তাকে বাঘাবাড়ী হতে রিসিভ করা হয়।
মনমথপুর কবরস্থানে ব্যারিস্টার মোমেনের সাথে কবর জিয়ারত ও দীর্ঘ ৮ বছর পর তার মুখের কথা শোনার জন্য প্রায় ২০ হাজারের অধিক কর্মী-সমর্থক এমনকি হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে উঠে সভাস্থল। তার অনুষ্ঠান প্রচারের জন্য দেশের সুনামধন্য ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত থেকে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রচার করেন।
জনতার ঢল ও ব্যারিস্টার মোমেনের সময়োপযোগী ক্ষুরধার বক্তব্যে উঠে আসে কি জন্য, কি কারণে, কি ভাবে এবং কেন তার বাবা নিজামীকে ফাঁসি দেওয়া হয়। বিভিন্ন প্রশ্নবাণের যথার্থ ও সময়োচিত সাংবাদিকদের উত্তরে সাংবাদিকসহ উপস্থিত জনতা ও দেশবাসি খুশি হওয়ায় সাঁথিয়া-বেড়া বাসি আশস্থ হয়েছেন যে, শহীদ মতিউর রহমান নিজামীর উত্তরসুরি হিসেবে আল্লাহ পাক নিয়ামত স্বরূপ তাকে পাঠিয়েছেন। স্বাধীনতার পর হতে সংসদ নির্বাচনে বেড়া হতেই সব সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। একমাত্র মতিউর রহমান নিজামীই সাঁথিয়া হতে সাংসদ নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রীত্ত্ব পেয়েছিলেন। দীর্ঘ দিন সাঁথিয়া বাসি উল্লেখযোগ্য নেতা না পাওয়ার কারনে হতাশাগ্রস্থ ছিলেন। ব্যারিস্টার মোমেনের আগমনে সাঁথিয়া বাসির সে হতশা কেটে যায় এবং আলোর মুখ দেখতে পায়।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ব্যারিস্টার মোমেন বলেন, জামায়াত ইসলামী একটি আদর্শিক গণতান্ত্রিক দল। আর এ দলের আমি একজন সদস্য। আমাদের সংগঠনে যারা পদ চায় তারা সে পদের জন্য সবচেয়ে অযোগ্য ব্যক্তি। আমি কোন পদ চাই না। আমি জনগনের পাশে থাকতে চাই। যদি সংগঠন ও এলাকাবাসী চায় তবে অবশ্যই আমি নির্বাচন করবো।













