ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের কারণেই সম্মানহানি হচ্ছে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা
- আপডেট সময় : ১০:২৭:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ৪২৩ বার পড়া হয়েছে
মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের সূর্য সন্তান। আমাদের গর্ব। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ নিয়ে যারা সব রকম সুযোগসুবিধা নিচ্ছে এটা তো জাতির সঙ্গে প্রতারণা। এটা তো শাস্তিযোগ্য অপরাধ। যাঁরা সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধা, তাঁরা এ বিষয়টি নিয়ে অপমানিত বোধ করছেন। আমরা চাই সঠিক ভাবে তদন্ত করে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের শাস্তি এবং প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধাদের সন্মান ফিরিয়ে দেওয়া হোক।
‘যাদের মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি হয়েছে, তারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কি না, ন্যায্যভাবে হয়েছে কি না বিষয়টি জাতির সামনে উপস্থাপন করতে হবে।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার মাঝখানে একটা প্রাতিষ্ঠানিক বিষয় রয়েছে, সেটা হচ্ছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল জামুকা। কারা মুক্তিযোদ্ধা হবে না হবে—সেটা জামুকা নির্ধারণ করে দিত। মন্ত্রণালয় শুধু তাদের নির্ধারিত হওয়া বিষয়টি বাস্তবায়নে যেত। বিষয়টি নিয়ে এখন ভাববার সময় আসছে, জামুকা কিভাবে তাদের নির্ধারণ করতো এবং কারা ছিলো সেই নীতিনির্ধারক। এ ছাড়া বহু জায়গা থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে । ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হয়েছে, মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞার ক্ষেত্রেও আপত্তি আছে। এসব বিষয় নিয়ে জাতিকে সঠিকটা জানিয়ে দেওয়া দরকার।
যেন মুক্তিযোদ্ধারা তাদের সম্মানটা ফিরে পায়। মুক্তিযুদ্ধ তো আমাদের জাতীয় জীবনে অনন্য ঘটনা। আমরা হাসি-মশকরা বা অবহেলা দিয়ে নষ্ট করতে পারি না। এ রকম গৌরবোজ্জ্বল ও ত্যাগের বীরত্বের মহিমা জাতির কাছে তো আর আসেনি। যাঁরা সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধা, তাঁরা ওটাই ফিরে পেতে চান। এটাই তাঁদের ফিরে পাওয়ার আকুতি।’
ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ নিয়ে যারা সব রকম সুযোগসুবিধা নিচ্ছে এটা তো জাতির সঙ্গে প্রতারণা। এটা তো শাস্তিযোগ্য অপরাধ। যাঁরা সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধা, তাঁরা এ বিষয়টি নিয়ে অপমানিত বোধ করছেন। আমরা চাই সঠিক ভাবে তদন্ত করে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের শাস্তি এবং মুক্তিযুদ্ধাদের সন্মান।
খেয়াল রাখতে হবে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা বা তার পরিবার যেন হয়রানির শিকার না হয়। কোন মুক্তিযোদ্ধা অবহেলিত ভাবে তালিকা ভুক্ত না হলে তাদেরকে অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
ফারুক হোসেন
সিনিয়র সহ-সভাপতি সাঁথিয়া প্রেসক্লাব।
সম্পাদক ও প্রকাশক এফটিভি















