ঢাকা ১২:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশের ক্রীড়া যেন বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, থানায় আত্মসমর্পণ স্বামীর তীব্র গরমে ডুমুরিয়া পল্লী বিদ্যুতের নজিরবিহীন লোডশেডিং, অতিষ্ঠ জনজীবন মদনে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ওসির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় হরিণাকুন্ডুতে ৫০ জন অগ্রগামী খামারি নিয়ে লাভজন চাষে ব্রাক ফিশারিজ এন্টারপ্রাইজ প্রশিক্ষন হু হু করে বাড়ছে দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার ৮৫ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত, বন্যা ও নদীভাঙনের শঙ্কা চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় পৃথক অভিযানে বিস্ফোরক ও মাদক মামলার দুই আসামী গ্রেফতার জলঢাকা থানার ১২ নম্বর মামলার প্রধান আসামি ইউপি চেয়ারম্যান মুকুল গ্রেপ্তার; আদালতে সোপর্দ কুমিল্লায় ১২ ঘণ্টার মধ্যেই ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেপ্তার দুই মূল ঘাতক ১৪ মামলার আসামিসহ ৪ ডাকাত গ্রেফতার, অস্ত্র ও মাইক্রোবাস উদ্ধার

মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে ঈশ্বরদীতে বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা

পাবনা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:২০:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় ইটভাটার জন্য মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়নে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।

নিহত বিএনপি নেতার নাম বিরু মোল্লা। তিনি লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ছিলেন।প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহত বিরু মোল্লার ছেলে রাজিব মোল্লা জানান, গত ১৬ ডিসেম্বর রাতে আওয়ামী লীগ নেতা জহুরুল মোল্লা ও তার ছেলে আল আমিন মোল্লা জোরপূর্বক বিরু মোল্লার জমি থেকে ইটভাটার জন্য মাটি কেটে নেয়। এ বিষয়ে বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিরু মোল্লা জহুরুল মোল্লার কাছে জানতে চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে জহুরুল মোল্লা ও তার ছেলে আল আমিন মোল্লা অবৈধ অস্ত্র দিয়ে বিরু মোল্লার মাথায় গুলি করেন।

গুলিবিদ্ধ হয়ে বিরু মোল্লা মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তাসনিম তামান্না স্বর্ণা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জানা গেছে, আওয়ামী লীগ নেতা জহুরুল মোল্লা ও নিহত বিএনপি নেতা বিরু মোল্লা সম্পর্কে আপন চাচাতো ভাই।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আজমল হোসেন সুজন বলেন, আমাদের দলের একজন নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। এটি কোনো দলীয় বিষয় নয়, নিহত ব্যক্তি হত্যাকারীর আপন চাচাতো ভাই।

ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ মমিনুজ্জামান জানান, বিরু মোল্লা নামে এক বিএনপি নেতা নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে ঈশ্বরদীতে বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা

আপডেট সময় : ০১:২০:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় ইটভাটার জন্য মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়নে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।

নিহত বিএনপি নেতার নাম বিরু মোল্লা। তিনি লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ছিলেন।প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহত বিরু মোল্লার ছেলে রাজিব মোল্লা জানান, গত ১৬ ডিসেম্বর রাতে আওয়ামী লীগ নেতা জহুরুল মোল্লা ও তার ছেলে আল আমিন মোল্লা জোরপূর্বক বিরু মোল্লার জমি থেকে ইটভাটার জন্য মাটি কেটে নেয়। এ বিষয়ে বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিরু মোল্লা জহুরুল মোল্লার কাছে জানতে চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে জহুরুল মোল্লা ও তার ছেলে আল আমিন মোল্লা অবৈধ অস্ত্র দিয়ে বিরু মোল্লার মাথায় গুলি করেন।

গুলিবিদ্ধ হয়ে বিরু মোল্লা মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তাসনিম তামান্না স্বর্ণা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জানা গেছে, আওয়ামী লীগ নেতা জহুরুল মোল্লা ও নিহত বিএনপি নেতা বিরু মোল্লা সম্পর্কে আপন চাচাতো ভাই।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আজমল হোসেন সুজন বলেন, আমাদের দলের একজন নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। এটি কোনো দলীয় বিষয় নয়, নিহত ব্যক্তি হত্যাকারীর আপন চাচাতো ভাই।

ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ মমিনুজ্জামান জানান, বিরু মোল্লা নামে এক বিএনপি নেতা নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।