ঢাকা ১২:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

চট্টগ্রাম সিটির ২২৬০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম:
  • আপডেট সময় : ০৪:২২:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬ ৯৬ বার পড়া হয়েছে

বাজেটে সর্বোচ্চ ৯৭৫ কোটি টাকা উন্নয়ন অনুদান খাতে, হোল্ডিং কর ও অভিকর খাতে ৪২৬ কোটি টাকা এবং বকেয়া কর আদায় থেকে ১৯৭ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ২ হাজার ২৬০ কোটি ২৪ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।

৩০ জুন(মঙ্গলবার) বেলা পৌনে ১টায় নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাজেট ঘোষণা করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। একই সঙ্গে বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ হাজার ৬৬৫ কোটি ৯২ লাখ ১৬ হাজার ৪০০ টাকার সংশোধিত বাজেটও উপস্থাপন করা হয়। এর আগে গত অর্থবছরে ২ হাজার ১৪৫ কোটি ৪২ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছিল।

নিজের মেয়াদকালের দ্বিতীয় বাজেট ঘোষণা করে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরবাসীর প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটানোর লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগরকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ, স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ নগর হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর, অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ, বাসযোগ্য ও নান্দনিক পর্যটন নগর হিসেবে প্রতিষ্ঠার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে সর্বোচ্চ ৯৭৫ কোটি টাকা উন্নয়ন অনুদান খাতে আয় ধরা হয়েছে। এছাড়া হোল্ডিং কর ও অভিকর খাতে ৪২৬ কোটি টাকা এবং বকেয়া কর আদায় থেকে ১৯৭ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ব্যয়ের ক্ষেত্রে উন্নয়ন খাতে সর্বোচ্চ ৮২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৮০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে বেতন-ভাতা ও পারিশ্রমিক খাতে।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করাই তার মূল লক্ষ্য। অতীতে অযৌক্তিকভাবে নির্ধারণ করা গৃহকর যৌক্তিক করতে নিয়মিত রিভিউ বোর্ডের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে ন্যায্য কর নির্ধারণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। বন্দর, রেলওয়ে, ৩৬টি কনটেইনার টার্মিনাল এবং অয়েল কোম্পানি লিমিটেডসহ বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও করপোরেট সংস্থাগুলোকে তাদের প্রাপ্য রাজস্ব পরিশোধ করতে হবে। কারণ রাজস্ব আদায়ের সঙ্গে চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

অনুষ্ঠানে মেয়র ২০২৬-২৭ অর্থবছরের কর্মপরিকল্পনাও তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে চলমান নিয়োগ কার্যক্রম স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করা, দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, বর্তমান কাজের পরিধি ও ভবিষ্যৎ চাহিদা বিবেচনায় নতুন সাংগঠনিক কাঠামো প্রণয়ন ও অনুমোদনের উদ্যোগ গ্রহণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কার্যক্রম ডিজিটালাইজেশন করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চট্টগ্রাম সিটির ২২৬০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৪:২২:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

বাজেটে সর্বোচ্চ ৯৭৫ কোটি টাকা উন্নয়ন অনুদান খাতে, হোল্ডিং কর ও অভিকর খাতে ৪২৬ কোটি টাকা এবং বকেয়া কর আদায় থেকে ১৯৭ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ২ হাজার ২৬০ কোটি ২৪ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।

৩০ জুন(মঙ্গলবার) বেলা পৌনে ১টায় নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাজেট ঘোষণা করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। একই সঙ্গে বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ হাজার ৬৬৫ কোটি ৯২ লাখ ১৬ হাজার ৪০০ টাকার সংশোধিত বাজেটও উপস্থাপন করা হয়। এর আগে গত অর্থবছরে ২ হাজার ১৪৫ কোটি ৪২ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছিল।

নিজের মেয়াদকালের দ্বিতীয় বাজেট ঘোষণা করে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরবাসীর প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটানোর লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগরকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ, স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ নগর হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর, অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ, বাসযোগ্য ও নান্দনিক পর্যটন নগর হিসেবে প্রতিষ্ঠার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে সর্বোচ্চ ৯৭৫ কোটি টাকা উন্নয়ন অনুদান খাতে আয় ধরা হয়েছে। এছাড়া হোল্ডিং কর ও অভিকর খাতে ৪২৬ কোটি টাকা এবং বকেয়া কর আদায় থেকে ১৯৭ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ব্যয়ের ক্ষেত্রে উন্নয়ন খাতে সর্বোচ্চ ৮২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৮০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে বেতন-ভাতা ও পারিশ্রমিক খাতে।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করাই তার মূল লক্ষ্য। অতীতে অযৌক্তিকভাবে নির্ধারণ করা গৃহকর যৌক্তিক করতে নিয়মিত রিভিউ বোর্ডের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে ন্যায্য কর নির্ধারণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। বন্দর, রেলওয়ে, ৩৬টি কনটেইনার টার্মিনাল এবং অয়েল কোম্পানি লিমিটেডসহ বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও করপোরেট সংস্থাগুলোকে তাদের প্রাপ্য রাজস্ব পরিশোধ করতে হবে। কারণ রাজস্ব আদায়ের সঙ্গে চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

অনুষ্ঠানে মেয়র ২০২৬-২৭ অর্থবছরের কর্মপরিকল্পনাও তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে চলমান নিয়োগ কার্যক্রম স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করা, দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, বর্তমান কাজের পরিধি ও ভবিষ্যৎ চাহিদা বিবেচনায় নতুন সাংগঠনিক কাঠামো প্রণয়ন ও অনুমোদনের উদ্যোগ গ্রহণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কার্যক্রম ডিজিটালাইজেশন করা।