ঢাকা ০২:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেশার টাকা চেয়ে বাবা-মাকে মারধরে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার লালপুরে পুলিশ সদস্যসহ ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার ৩ ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত মিছিলের’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে কৃষকদের আস্থার প্রতিক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল ইমরান

চার বছরে বেকারি পণ্য সরবরাহকারী থেকে ৩২ দোকান ও প্লটের মালিক, সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন

মোঃ সোহেল রানা, রাজশাহী প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:১৪:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ৫৮ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বয়ারমারি গ্রামের নুরুল ইসলাম, পিতা—নুরুল হুদাকে ঘিরে গত কয়েক বছর ধরে নানা অভিযোগ ও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, মাত্র চার বছর আগেও নুরুল ইসলাম বেকারির পণ্য সরবরাহের কাজ করতেন। তবে অল্প সময়ের ব্যবধানে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
‎
‎স্থানীয়দের অভিযোগ, গোদাগাড়ী উপজেলার চম্পনগর এলাকায় নুরুল ইসলাম একটি আলিশান স্থাপনা নির্মাণের পাশাপাশি ৩২টি দোকানঘর ও প্লট তৈরি করেছেন। স্বল্প সময়ের মধ্যে এসব সম্পদ কীভাবে অর্জিত হয়েছে—এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা রয়েছে।
‎
‎স্থানীয়দের কেউ কেউ দাবি করছেন, নুরুল ইসলামের গত চার বছরে সম্পদ অর্জনের উৎস, জমি ও স্থাপনার মালিকানা, ব্যবসায়িক আয় এবং আয়কর ও রাজস্ব সংক্রান্ত বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। এসব সম্পদের বিপরীতে সরকারের প্রাপ্য আয়কর, ভ্যাট ও অন্যান্য রাজস্ব যথাযথভাবে পরিশোধ করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
‎
‎এদিকে নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদক-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে বলেও স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে গোদাগাড়ী থানার মামলা নং-৬১, জিআর নং-২৭৯/২৩ এবং দায়রা নং-১৪৫৯/২৩-এর কথা উল্লেখ করে তার সম্পদের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়দের কেউ কেউ। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা আদালতের নথি ও সংশ্লিষ্ট সরকারি তদন্তের মাধ্যমে যাচাইযোগ্য।
‎
‎অভিযোগের বিষয়ে নুরুল ইসলামের স্ত্রী রুমা খাতুন বলেন, তাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হচ্ছে, সেগুলো মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা।
‎
‎নুরুল ইসলাম বলেন, “আওয়ামী লীগ আমলে মাদক-সংক্রান্ত বিষয়ে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আমার কোনো অবৈধ আয়ের উৎস নেই।”
‎
‎অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে নুরুল ইসলামের গত চার বছরে সম্পদ অর্জনের উৎস, জমি ও স্থাপনার মালিকানা, ব্যবসায়িক আয়, আয়কর নথি এবং রাজস্ব ও ভ্যাট সংক্রান্ত বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
‎
‎সচেতন মহলের মতে, নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর সত্যতা নিরূপণে সরকারি নথি, মামলার কাগজপত্র, জমির মালিকানা সংক্রান্ত দলিল এবং সম্পদের বৈধতার বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। তদন্ত সম্পন্ন হলেই অভিযোগগুলোর প্রকৃত সত্যতা এবং তার সম্পদ অর্জনের উৎস সম্পর্কে পরিষ্কার তথ্য পাওয়া যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চার বছরে বেকারি পণ্য সরবরাহকারী থেকে ৩২ দোকান ও প্লটের মালিক, সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট সময় : ০৪:১৪:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বয়ারমারি গ্রামের নুরুল ইসলাম, পিতা—নুরুল হুদাকে ঘিরে গত কয়েক বছর ধরে নানা অভিযোগ ও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, মাত্র চার বছর আগেও নুরুল ইসলাম বেকারির পণ্য সরবরাহের কাজ করতেন। তবে অল্প সময়ের ব্যবধানে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
‎
‎স্থানীয়দের অভিযোগ, গোদাগাড়ী উপজেলার চম্পনগর এলাকায় নুরুল ইসলাম একটি আলিশান স্থাপনা নির্মাণের পাশাপাশি ৩২টি দোকানঘর ও প্লট তৈরি করেছেন। স্বল্প সময়ের মধ্যে এসব সম্পদ কীভাবে অর্জিত হয়েছে—এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা রয়েছে।
‎
‎স্থানীয়দের কেউ কেউ দাবি করছেন, নুরুল ইসলামের গত চার বছরে সম্পদ অর্জনের উৎস, জমি ও স্থাপনার মালিকানা, ব্যবসায়িক আয় এবং আয়কর ও রাজস্ব সংক্রান্ত বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। এসব সম্পদের বিপরীতে সরকারের প্রাপ্য আয়কর, ভ্যাট ও অন্যান্য রাজস্ব যথাযথভাবে পরিশোধ করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
‎
‎এদিকে নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদক-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে বলেও স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে গোদাগাড়ী থানার মামলা নং-৬১, জিআর নং-২৭৯/২৩ এবং দায়রা নং-১৪৫৯/২৩-এর কথা উল্লেখ করে তার সম্পদের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়দের কেউ কেউ। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা আদালতের নথি ও সংশ্লিষ্ট সরকারি তদন্তের মাধ্যমে যাচাইযোগ্য।
‎
‎অভিযোগের বিষয়ে নুরুল ইসলামের স্ত্রী রুমা খাতুন বলেন, তাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হচ্ছে, সেগুলো মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা।
‎
‎নুরুল ইসলাম বলেন, “আওয়ামী লীগ আমলে মাদক-সংক্রান্ত বিষয়ে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আমার কোনো অবৈধ আয়ের উৎস নেই।”
‎
‎অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে নুরুল ইসলামের গত চার বছরে সম্পদ অর্জনের উৎস, জমি ও স্থাপনার মালিকানা, ব্যবসায়িক আয়, আয়কর নথি এবং রাজস্ব ও ভ্যাট সংক্রান্ত বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
‎
‎সচেতন মহলের মতে, নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর সত্যতা নিরূপণে সরকারি নথি, মামলার কাগজপত্র, জমির মালিকানা সংক্রান্ত দলিল এবং সম্পদের বৈধতার বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। তদন্ত সম্পন্ন হলেই অভিযোগগুলোর প্রকৃত সত্যতা এবং তার সম্পদ অর্জনের উৎস সম্পর্কে পরিষ্কার তথ্য পাওয়া যাবে।