চেয়ারম্যান মিজানুরের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ।
- আপডেট সময় : ০৩:৫৭:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫ ২৭৮ বার পড়া হয়েছে
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ভিজিএফ চায়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলেছে একটি পক্ষ। অনুসন্ধানে জানাগেছে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে হতদরিদ্রদের মাঝে ১০ কেজি করে চাল প্রদান করা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে । নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার এই ইউনিয়নের ৩২০৬ পরিবারের মাঝে এই চাল বিতরণ করার লক্ষ্য সরকারি অনুদান হিসেবে ১০ কেজি করে চাল বিতরণের চিঠি পাওয়ার পর ইউনিয়নের দায়িত্বশীল নেতা এবং ইউনিয়ন পরিষদের সকল ইউপি সদস্যদের নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, ওয়ার্ড পর্যায়ে ইউপি সদস্য ও রাজনৈতিক নেতাদের সহযোগিতায় তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার স্বাক্ষর নিয়ে মাষ্টার রোল তৈরি করে চাল বিতরণ করার জন্য গত ১৯ মার্চ ও ২০ মার্চ পরিষদের সকল সদস্যদের নিয়ে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান। যেখানে
ট্যাগ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মানিক।
এ দুদিন সকাল ৯টা থেকে শুরু করে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চাল বিতরণ করা হয়। এতে কিছু কার্ডধারী পিছিয়ে পরে। পিছিয়ে পড়া কার্ডধারীদের নিয়ে একটি রাজনৈতিক পক্ষ চেয়ারম্যানের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে চেয়ারম্যানের ওপর অভিযোগ তুলে। চেয়ারম্যানকে হেয়পতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে পিছিয়ে পরা কার্ডধারীদের চাল বুঝিয়ে দিতে চেয়ারম্যানের বিচারের দাবিতে এলাকায় মিছিলও করে তারা। পরে তাদের চাল বুঝিয়ে দিতে ২২ মার্চ রাতে পুরা ইউনিয়নজুরে মাইকিং করেন চেয়ারম্যান। কার্ডধারীদের কার্ড নিয়ে পরিষদে আসলে কার্ড অনুযায়ী তাদের চাল দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, একটি পক্ষ আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে যে অভিযোগ তুলেছে তা ভিত্তিহীন। তবে হ্যাঁ কিছু কার্ড পিছিয়েছে। এবং এই পিছিয়ে পড়া কার্ডের চাল আমার ইউনিয়ন পরিষদে রয়েছে। কার্ড নিয়ে আসলেই তারা চাল পাবে এতে কোন সমস্যা নেই।
















