ঢাকা ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেশার টাকা চেয়ে বাবা-মাকে মারধরে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার লালপুরে পুলিশ সদস্যসহ ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার ৩ ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত মিছিলের’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে কৃষকদের আস্থার প্রতিক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল ইমরান

জনদুর্ভোগ কমাতে নিজস্ব অর্থায়নে কুলবাড়িয়া-মাগুরখালী সড়ক সংস্কার করলেন চেয়ারম্যান হেলাল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৩:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬ ৬১ বার পড়া হয়েছে

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের কুলবাড়িয়া থেকে মাগুরখালীগামী গুরুত্বপূর্ণ সড়কের খানাখন্দে ইট ফেলে চলাচলের উপযোগী করে তুললেন ৮নং আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন।

​শনিবার (১ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কুলবাড়িয়া টু মাগুরখালী সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হওয়া বিপজ্জনক গর্ত ও ভাঙা জায়গায় নিজ অর্থায়ন ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে ইট ও খোঁয়া বিছিয়ে সংস্কার কাজ করাচ্ছেন চেয়ারম্যান নিজেই। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও ঝুঁকিপূর্ণ এই পথটিতে গাড়ি এবং পথচারী চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল। বর্ষার কারণে সড়কটি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়।

​এ বিষয়ে আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন-এর সাথে কথা বললে তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন:

​”কুলবাড়িয়া থেকে মাগুরখালী পর্যন্ত এই রাস্তাটি আমাদের ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। দীর্ঘদিন ধরে সড়কের বেশ কয়েকটি স্থান মারাত্মকভাবে ভেঙে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল। বিশেষ করে বর্ষাকালে প্রতিদিন দুর্ঘটনা ঘটছিল এবং স্থানীয় বাসিন্দা, ছাত্র-ছাত্রী ও ব্যবসায়ীদের চলাচলে প্রচণ্ড কষ্ট হচ্ছিল।”

​তিনি আরও বলেন, “জনগণের এই চরম কষ্ট দেখে আমি আর চুপ করে থাকতে পারিনি। সরকারি বরাদ্দের অপেক্ষায় বসে না থেকে, তাৎক্ষণিকভাবে জনদুর্ভোগ লাঘবে আমার নিজ উদ্যোগে ও অর্থায়নে জরুরি ভিত্তিতে ইট এনে সড়কটির সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো সংস্কারের কাজ শুরু করেছি। জনগণের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য। এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় যদি মানুষের চলাচলে সামান্য স্বস্তি আসে, সেটাই আমার বড় প্রাপ্তি। ভবিষ্যতে এই সড়কটি যাতে স্থায়ীভাবে পাকা ও প্রশস্ত করা হয়, সে বিষয়েও আমরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করব।”

​স্থানীয় এলাকাবাসী ও পথচারীরা চেয়ারম্যানের এমন সময়োপযোগী ও জনকল্যাণমুখী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। একাধিক পথচারী জানান, রাস্তাটির খানাখন্দের কারণে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা ছিল। চেয়ারম্যান নিজে উপস্থিত থেকে যেভাবে তদারকি করে সংস্কার কাজ করাচ্ছেন, তাতে এলাকার মানুষের যাতায়াত অনেক সহজ ও নিরাপদ হলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জনদুর্ভোগ কমাতে নিজস্ব অর্থায়নে কুলবাড়িয়া-মাগুরখালী সড়ক সংস্কার করলেন চেয়ারম্যান হেলাল

আপডেট সময় : ১০:১৩:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের কুলবাড়িয়া থেকে মাগুরখালীগামী গুরুত্বপূর্ণ সড়কের খানাখন্দে ইট ফেলে চলাচলের উপযোগী করে তুললেন ৮নং আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন।

​শনিবার (১ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কুলবাড়িয়া টু মাগুরখালী সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হওয়া বিপজ্জনক গর্ত ও ভাঙা জায়গায় নিজ অর্থায়ন ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে ইট ও খোঁয়া বিছিয়ে সংস্কার কাজ করাচ্ছেন চেয়ারম্যান নিজেই। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও ঝুঁকিপূর্ণ এই পথটিতে গাড়ি এবং পথচারী চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল। বর্ষার কারণে সড়কটি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়।

​এ বিষয়ে আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন-এর সাথে কথা বললে তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন:

​”কুলবাড়িয়া থেকে মাগুরখালী পর্যন্ত এই রাস্তাটি আমাদের ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। দীর্ঘদিন ধরে সড়কের বেশ কয়েকটি স্থান মারাত্মকভাবে ভেঙে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল। বিশেষ করে বর্ষাকালে প্রতিদিন দুর্ঘটনা ঘটছিল এবং স্থানীয় বাসিন্দা, ছাত্র-ছাত্রী ও ব্যবসায়ীদের চলাচলে প্রচণ্ড কষ্ট হচ্ছিল।”

​তিনি আরও বলেন, “জনগণের এই চরম কষ্ট দেখে আমি আর চুপ করে থাকতে পারিনি। সরকারি বরাদ্দের অপেক্ষায় বসে না থেকে, তাৎক্ষণিকভাবে জনদুর্ভোগ লাঘবে আমার নিজ উদ্যোগে ও অর্থায়নে জরুরি ভিত্তিতে ইট এনে সড়কটির সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো সংস্কারের কাজ শুরু করেছি। জনগণের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য। এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় যদি মানুষের চলাচলে সামান্য স্বস্তি আসে, সেটাই আমার বড় প্রাপ্তি। ভবিষ্যতে এই সড়কটি যাতে স্থায়ীভাবে পাকা ও প্রশস্ত করা হয়, সে বিষয়েও আমরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করব।”

​স্থানীয় এলাকাবাসী ও পথচারীরা চেয়ারম্যানের এমন সময়োপযোগী ও জনকল্যাণমুখী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। একাধিক পথচারী জানান, রাস্তাটির খানাখন্দের কারণে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা ছিল। চেয়ারম্যান নিজে উপস্থিত থেকে যেভাবে তদারকি করে সংস্কার কাজ করাচ্ছেন, তাতে এলাকার মানুষের যাতায়াত অনেক সহজ ও নিরাপদ হলো।