ঢাকা ১২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

জলঢাকায় ২১টি হাট ইজারা থেকে রাজস্ব আয় দুই কোটি ৫০ লাখ টাকা ছাড়াল।

সুমন মিয়া, জলঢাকা উপজেলা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫ ২৫৪ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় ১৪৩২ বঙ্গাব্দ সালের জন্য ২১টি সরকারি হাট ইজারার মাধ্যমে সরকার রাজস্ব আয় করেছে দুই কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ৮৪৫ টাকা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন স্বাক্ষরিত এক অফিসিয়াল চিঠিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, “১৪৩২ বঙ্গাব্দ সালের একলা বৈশাখ হতে ত্রিশ চৈত্র পর্যন্ত মেয়াদে হাটবাজারসমূহ ইজারা প্রদান করা হবে।” প্রথম উন্মুক্ত দরপত্রেও বিষয়টি উল্লেখ ছিল।

চিঠিতে আরও জানানো হয়, উপজেলার মোট ৩০টি হাটের মধ্যে ২১টি হাটের ইজারা সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকি ৯টি হাট বর্তমানে ইজারা প্রক্রিয়াধীন। ইজারা সম্পন্ন না হওয়া হাটগুলো সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী গঠিত কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

২০২৫ সালের ৩০ জানুয়ারি উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত টেন্ডার প্রক্রিয়ায় মোট ১৩০ জন দরদাতা অংশগ্রহণ করেন। তবে কিছু হাটের দরপত্র গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় এবং কোনো কোনো হাটে কোনো দরপত্র দাখিল না হওয়ায় সেগুলোর ইজারা সম্পন্ন হয়নি।

উপজেলা প্রশাসন জানায়, হাটগুলো সরকারি হাট-বাজার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ২০১১ অনুসারে পরিচালিত হচ্ছে। নিরাপত্তা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট থানার সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন বলেন, “স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে ইজারা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এতে একদিকে যেমন সরকার রাজস্ব পেয়েছে, অন্যদিকে জনসাধারণের ভোগান্তিও কমেছে।”

এলাকাবাসীর মতে, এই স্বচ্ছ প্রক্রিয়া ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা উপজেলার অর্থনৈতিক কার্যক্রমে ইতিবাচক গতি এনে দিচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জলঢাকায় ২১টি হাট ইজারা থেকে রাজস্ব আয় দুই কোটি ৫০ লাখ টাকা ছাড়াল।

আপডেট সময় : ০৪:০৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় ১৪৩২ বঙ্গাব্দ সালের জন্য ২১টি সরকারি হাট ইজারার মাধ্যমে সরকার রাজস্ব আয় করেছে দুই কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ৮৪৫ টাকা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন স্বাক্ষরিত এক অফিসিয়াল চিঠিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, “১৪৩২ বঙ্গাব্দ সালের একলা বৈশাখ হতে ত্রিশ চৈত্র পর্যন্ত মেয়াদে হাটবাজারসমূহ ইজারা প্রদান করা হবে।” প্রথম উন্মুক্ত দরপত্রেও বিষয়টি উল্লেখ ছিল।

চিঠিতে আরও জানানো হয়, উপজেলার মোট ৩০টি হাটের মধ্যে ২১টি হাটের ইজারা সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকি ৯টি হাট বর্তমানে ইজারা প্রক্রিয়াধীন। ইজারা সম্পন্ন না হওয়া হাটগুলো সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী গঠিত কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

২০২৫ সালের ৩০ জানুয়ারি উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত টেন্ডার প্রক্রিয়ায় মোট ১৩০ জন দরদাতা অংশগ্রহণ করেন। তবে কিছু হাটের দরপত্র গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় এবং কোনো কোনো হাটে কোনো দরপত্র দাখিল না হওয়ায় সেগুলোর ইজারা সম্পন্ন হয়নি।

উপজেলা প্রশাসন জানায়, হাটগুলো সরকারি হাট-বাজার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ২০১১ অনুসারে পরিচালিত হচ্ছে। নিরাপত্তা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট থানার সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন বলেন, “স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে ইজারা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এতে একদিকে যেমন সরকার রাজস্ব পেয়েছে, অন্যদিকে জনসাধারণের ভোগান্তিও কমেছে।”

এলাকাবাসীর মতে, এই স্বচ্ছ প্রক্রিয়া ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা উপজেলার অর্থনৈতিক কার্যক্রমে ইতিবাচক গতি এনে দিচ্ছে।