ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

পাতি নেতায় অতিষ্ট জাতীয়তাবাদী কর্মী মাসুদ ও আমন

মালিকুজ্জামান কাকা
  • আপডেট সময় : ০৪:২৬:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬ ১২৭ বার পড়া হয়েছে

জাতীয়তাবাদী চেতনার দুই বলিষ্ঠ তৃণমূল কর্মী মাসুদ ও আমন। যশোর শহর ও শহরতলীর এই দুই সন্তান জীবনের দীর্ঘ সময় বিএনপির কর্মসূচি ও আন্দোলনে কাটিয়ে দিয়েছে। এখন নতুন আর আঞ্চলিক কতিপয় নেতার অযথা খবরদারিতে এরা অতিষ্ট। তবে সরকারের গরীবের ফ্যামিলি ও ফারমার্স কার্ড ইস্যুতে যার পর নাই খুশি।

যশোর পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড চাঁচড়া চেকপোস্ট এলাকার বাসিন্দা প্রেস ব্যাবসায়ী মাসুদ। আর ঠিক পার্শবর্তী ইউনিয়ন চাঁচড়া পশ্চিমপাড়া ৭নং ওয়ার্ড তথা চেকপোস্টের পার্টস ব্যাবসায়ী আমিনুর রহমান আমন। সে ১০ নং চাঁচড়া ইউপি শাখা জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক সহ সভাপতি। অর্থাৎ তিনি এখন বিএনপি কমিটির অপেক্ষায়। অতীত মূল্যায়নে বিএনপির ইউনিয়ন বা থানা শাখায় পদ পাবেন বলে তিনি আশাবাদী।
মাসুদ রানা মৃত রুহুল আমিন মিয়ার ছেলে। আমনের পিতা মৃত আজিজুর রহমান। ২০০৮ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সকল মিছিল মিটিঙে এরা হাজির থাকতেন।

পুলিশের ভয়ে বাড়ি ছাড়া থাকতে হয়েছে বহু দিন। নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এই দুই জন বসতেই পারেননি। আজ নতুনদের খবদারিতে ওরা অতিষ্ট। মন তাই বেজার। সেই বেজার ভাব কাটাতেই তারা মাছ ধরে বেড়ান হুইল টোপে। আগে পুলিশের ভয়ে বাড়ি ছাড়া থাকতে থাকতেই এই মাছ ধরা অভ্যাস হয়েছে তাদের। কাছের লোকেরা একারনে তাদের মেছো বিএনপি নামে ডাকে। আবার কেউ কেউ বলে জাতীয়তাবাদী মৎস জীবি বিএনপি নেতা।।

বিএনপির দুই পরীক্ষিত কর্মী মাসুদ ও আমন বলেন, ১০নং চাঁচড়া ইউনিয়নের প্রত্যেক ওয়ার্ডে তারা গরীব ও সুবিধা বঞ্চিতদের ফ্যামিলি ও ফার্মার্স কার্ড নিশ্চিত করতে সাধ্যমত চেষ্টা করছেন। যদিও এটি তদন্ত ও দেখভাল করার দায়িত্ব সরকারের তবু যারা প্রকৃত দাবিদার এলাকায় তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছেন এই দুই জাতীয়তাবাদী চেতনার কর্মী। একই সাথে তাদের দাবি আশে পাশে ২/১ জন পাতি নেতার অযথা খবরদারি বন্ধে যেন দল ভূমিকা রাখেন। কেননা এসব ২/১ নেতার জন্য দলের ইমেজ তৃণমূলে ক্ষুন্ন হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাতি নেতায় অতিষ্ট জাতীয়তাবাদী কর্মী মাসুদ ও আমন

আপডেট সময় : ০৪:২৬:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয়তাবাদী চেতনার দুই বলিষ্ঠ তৃণমূল কর্মী মাসুদ ও আমন। যশোর শহর ও শহরতলীর এই দুই সন্তান জীবনের দীর্ঘ সময় বিএনপির কর্মসূচি ও আন্দোলনে কাটিয়ে দিয়েছে। এখন নতুন আর আঞ্চলিক কতিপয় নেতার অযথা খবরদারিতে এরা অতিষ্ট। তবে সরকারের গরীবের ফ্যামিলি ও ফারমার্স কার্ড ইস্যুতে যার পর নাই খুশি।

যশোর পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড চাঁচড়া চেকপোস্ট এলাকার বাসিন্দা প্রেস ব্যাবসায়ী মাসুদ। আর ঠিক পার্শবর্তী ইউনিয়ন চাঁচড়া পশ্চিমপাড়া ৭নং ওয়ার্ড তথা চেকপোস্টের পার্টস ব্যাবসায়ী আমিনুর রহমান আমন। সে ১০ নং চাঁচড়া ইউপি শাখা জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক সহ সভাপতি। অর্থাৎ তিনি এখন বিএনপি কমিটির অপেক্ষায়। অতীত মূল্যায়নে বিএনপির ইউনিয়ন বা থানা শাখায় পদ পাবেন বলে তিনি আশাবাদী।
মাসুদ রানা মৃত রুহুল আমিন মিয়ার ছেলে। আমনের পিতা মৃত আজিজুর রহমান। ২০০৮ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সকল মিছিল মিটিঙে এরা হাজির থাকতেন।

পুলিশের ভয়ে বাড়ি ছাড়া থাকতে হয়েছে বহু দিন। নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এই দুই জন বসতেই পারেননি। আজ নতুনদের খবদারিতে ওরা অতিষ্ট। মন তাই বেজার। সেই বেজার ভাব কাটাতেই তারা মাছ ধরে বেড়ান হুইল টোপে। আগে পুলিশের ভয়ে বাড়ি ছাড়া থাকতে থাকতেই এই মাছ ধরা অভ্যাস হয়েছে তাদের। কাছের লোকেরা একারনে তাদের মেছো বিএনপি নামে ডাকে। আবার কেউ কেউ বলে জাতীয়তাবাদী মৎস জীবি বিএনপি নেতা।।

বিএনপির দুই পরীক্ষিত কর্মী মাসুদ ও আমন বলেন, ১০নং চাঁচড়া ইউনিয়নের প্রত্যেক ওয়ার্ডে তারা গরীব ও সুবিধা বঞ্চিতদের ফ্যামিলি ও ফার্মার্স কার্ড নিশ্চিত করতে সাধ্যমত চেষ্টা করছেন। যদিও এটি তদন্ত ও দেখভাল করার দায়িত্ব সরকারের তবু যারা প্রকৃত দাবিদার এলাকায় তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছেন এই দুই জাতীয়তাবাদী চেতনার কর্মী। একই সাথে তাদের দাবি আশে পাশে ২/১ জন পাতি নেতার অযথা খবরদারি বন্ধে যেন দল ভূমিকা রাখেন। কেননা এসব ২/১ নেতার জন্য দলের ইমেজ তৃণমূলে ক্ষুন্ন হচ্ছে।