ঢাকা ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

মুগদা-মানিকনগরে কথিত মাদক ব্যবসায়ী দম্পতিকে আটকের দাবি; পুলিশের উপস্থিতির মধ্যে একজন পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

প্রিয়া চৌধুরী
  • আপডেট সময় : ০৩:২২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬ ১০২ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর মুগদা-মানিকনগর এলাকায় কথিত মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে রিপন ও তার স্ত্রী রুমাকে আটকের দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের আগেই পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রিপন পালিয়ে যান বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মানিকনগর বসুন্ধরা এলাকায় রিপনের নামে একটি দোকান থাকলেও সেখানে দৃশ্যমান কোনো বৈধ ব্যবসা পরিচালিত হতো না। অভিযোগ অনুযায়ী, দোকানটিকে আড়াল হিসেবে ব্যবহার করে মাদক বিক্রি, দেহব্যবসা, হানিট্র্যাপ, চড়া সুদে অর্থ লেনদেনসহ বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হতো।

এলাকাবাসীর আরও দাবি, সরকারি রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির সময় সেখান থেকে ইট-পাথর অবৈধভাবে এনে দোকানের পাশে মজুত রাখা হতো এবং বাইরে থেকে ইট, বালু ও সিমেন্টের ব্যবসার প্রচার চালানো হতো।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, দোকানের পাশে কথিত “খাজা বাবার আস্তানা” নামে একটি অস্থায়ী স্থাপনা তৈরি করে স্থানীয়দের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করা হতো। তাদের নামে মুগদা থানায় রয়েছে মামলা ও একা দিক অভিযোগ কিছুদিন পূর্বে মানিকনগর বুসের গলি হইতে ৩২ কেজি গাঁজা ও একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয় সেই মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের মধ্যে তাহার স্ত্রী রুমা এলাকাবাসীর দৃঢ় বিশ্বাস।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রিপন ও রুমার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তারা দাবি করেন, অল্পবয়সী স্কুল-কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মাদকের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছিল এবং দরিদ্র ও অসহায় কিছু কিশোরকে ব্যবহার করে মাদক বিক্রি করা হতো। এসব কারণে এলাকায় অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলেও জানান তারা।

স্থানীয়দের দাবি, গতকাল রাত প্রায় ৯টার দিকে রিপন ও রুমাকে তাদের দোকানের ভেতরে কথিত মাদক বিক্রির সময় হাতেনাতে ধরার চেষ্টা করা হয়। এ সময় রুমা দৌড়ে পালিয়ে যান। রিপনকে আটক করলে তিনি মাদকাসক্ত অবস্থায় ছিলেন বলে অভিযোগ করেন উপস্থিত লোকজন। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার উদ্যোগ নেয়।

তবে অভিযোগ রয়েছে, মুগদা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর পরিস্থিতির একপর্যায়ে রিপন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মুগদা থানার পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে রিপন ও রুমার বক্তব্যও জানা সম্ভব হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মুগদা-মানিকনগরে কথিত মাদক ব্যবসায়ী দম্পতিকে আটকের দাবি; পুলিশের উপস্থিতির মধ্যে একজন পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:২২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর মুগদা-মানিকনগর এলাকায় কথিত মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে রিপন ও তার স্ত্রী রুমাকে আটকের দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের আগেই পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রিপন পালিয়ে যান বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মানিকনগর বসুন্ধরা এলাকায় রিপনের নামে একটি দোকান থাকলেও সেখানে দৃশ্যমান কোনো বৈধ ব্যবসা পরিচালিত হতো না। অভিযোগ অনুযায়ী, দোকানটিকে আড়াল হিসেবে ব্যবহার করে মাদক বিক্রি, দেহব্যবসা, হানিট্র্যাপ, চড়া সুদে অর্থ লেনদেনসহ বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হতো।

এলাকাবাসীর আরও দাবি, সরকারি রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির সময় সেখান থেকে ইট-পাথর অবৈধভাবে এনে দোকানের পাশে মজুত রাখা হতো এবং বাইরে থেকে ইট, বালু ও সিমেন্টের ব্যবসার প্রচার চালানো হতো।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, দোকানের পাশে কথিত “খাজা বাবার আস্তানা” নামে একটি অস্থায়ী স্থাপনা তৈরি করে স্থানীয়দের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করা হতো। তাদের নামে মুগদা থানায় রয়েছে মামলা ও একা দিক অভিযোগ কিছুদিন পূর্বে মানিকনগর বুসের গলি হইতে ৩২ কেজি গাঁজা ও একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয় সেই মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের মধ্যে তাহার স্ত্রী রুমা এলাকাবাসীর দৃঢ় বিশ্বাস।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রিপন ও রুমার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তারা দাবি করেন, অল্পবয়সী স্কুল-কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মাদকের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছিল এবং দরিদ্র ও অসহায় কিছু কিশোরকে ব্যবহার করে মাদক বিক্রি করা হতো। এসব কারণে এলাকায় অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলেও জানান তারা।

স্থানীয়দের দাবি, গতকাল রাত প্রায় ৯টার দিকে রিপন ও রুমাকে তাদের দোকানের ভেতরে কথিত মাদক বিক্রির সময় হাতেনাতে ধরার চেষ্টা করা হয়। এ সময় রুমা দৌড়ে পালিয়ে যান। রিপনকে আটক করলে তিনি মাদকাসক্ত অবস্থায় ছিলেন বলে অভিযোগ করেন উপস্থিত লোকজন। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার উদ্যোগ নেয়।

তবে অভিযোগ রয়েছে, মুগদা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর পরিস্থিতির একপর্যায়ে রিপন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মুগদা থানার পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে রিপন ও রুমার বক্তব্যও জানা সম্ভব হয়নি।