সাতকানিয়ায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের মহাসমাবেশ
- আপডেট সময় : ০২:৪৫:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৪ ৩১৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভা ও মহাসমাবেশ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
(২৮ অক্টোবর) সোমবার বিকালে সাতকানিয়ার কেরানী হাট বাজারের উত্তরে হোটেল সী-ওয়ার্ল্ড রিসোর্টে প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আমীর আনোয়ারুল আলম চৌধুরী।
দক্ষিণ জেলা সাধারণ সম্পাদক বদরুল হকের সঞ্চালনায় উক্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাবেক আমীর জাফর সাদেক। বিশেষ অথিতি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় এসিস্টেন্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ ইছহাক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার নায়েবে আমীর অধ্যাপক নুরুল্লাহ, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার সভাপতি নুর হোছাইন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার এসিস্টেন্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ জাকারিয়া,
সাতকানিয়া উপজেলা শাখার সাবেক আমীর মাওলানা আবুল ফয়েজ, দক্ষিণ জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আবু নাছের, বাঁশখালী উপজেলা আমীর ইঞ্জিনিয়ার শহিদুল মোস্তফা, লোহাগাড়া উপজেলা আমীর আসাদুল্লাহ, সাঙ্গু থানার আমীর ডাক্তার আব্দুল জলিল, সাতকানিয়া উপজেলা আমীর মাওলানা কামাল উদ্দিন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার সভাপতি আসিফ উল্লাহ আরমানসহ বিভিন্ন উপজেলার নেতাকর্মী।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাবেক আমির জাফর সাদেক বলেছেন, দেশে ফ্যাসিবাদের আর জায়গা হবে না।,আওয়ামী লীগ কে নিষিদ্ধ করতে হবে, তাদের রাজনীতি করার অধিকার নেই।
সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন, খুনি হাসিনার নির্দেশে আওয়ামী লীগের লগি বৈঠার নৃশংসতায় জড়িত সকল খুনিদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় আনতে হবে। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের লগি-বৈঠার হত্যাযজ্ঞের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হলেন শেখ হাসিনা। সেদিন তিনি ডাক দিয়েছিলেন সারাদেশ থেকে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের লগি-বৈঠা নিয়ে ঢাকায় আসতে। সেদিন আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরাই আসেননি, তাদের সঙ্গে লগি-বৈঠা নিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে এসে জামায়াত-শিবির নেতা-কর্মীদের ওপর ঝাপিয়ে পড়েছিল,হত্যা করা হয়েছিল হাজার হাজার নেতা কর্মী।













