ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাধারণ নাগরিকদের হয়রানির অভিযোগ ঈশ্বরদী রুপপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ কান্তি কুমার মোদকের বিরুদ্ধে

পাবনা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:৪২:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ৩৫৩ বার পড়া হয়েছে

ঈশ্বরদী থানার রূপপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কান্তি কুমার মোদকের কু-কৃর্তি, বিভিন্নভাবে সাধারণ নাগরিকদের হয়রানি বন্ধে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন দিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
২১ আগষ্ট ২০২৪ জেলা প্রসাশক পাবনা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন উপজেলার দিয়াড় বাঘইল গ্রামের সায়দাত হোসেন নামের এক ব্যক্তি।
সায়দাত হোসেন তার অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করেন বেশ কিছুদিন যাবত আমাদেরকে রূপপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কান্তি কুমার মোদক চাঁদা দেওয়ার জন্য বার বার বিভিন্ন কৌশলে চাপ প্রয়োগ করে। কিন্তু আমরা চাঁদা দেওয়া অস্বীকার করায় আমাদেরকে বিভিন্ন হুমকি ধামকি দেয়।
গত ২০ আগষ্ট (মঙ্গলবার) ১১:৩০ মিনিটে এসে দোকান মালিক মোঃ সায়দাৎ হোসেন ও তার পরিবারকে অকথ্য, অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে এবং শাসিয়ে বলে যে, দোকানপাট গুড়িয়ে দেওয়া হবে এবং মজা দেখানো হবে। ইতি পূর্বে একজন ব্যক্তির থেকে টাকা নেওয়ার জন্য তার হোন্ডায় মাদক, হেরোইন ও ইয়াবা রেখে তাকে হেনস্থা করেছে ।
জেলা প্রসাশক বরাবর লিখিত অভিযোগপত্রে সায়দাত হোসেন সহ ৩৯ জন ব্যক্তি স্বাক্ষর করেন ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সাধারণ নাগরিকদের হয়রানির অভিযোগ ঈশ্বরদী রুপপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ কান্তি কুমার মোদকের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ১০:৪২:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪

ঈশ্বরদী থানার রূপপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কান্তি কুমার মোদকের কু-কৃর্তি, বিভিন্নভাবে সাধারণ নাগরিকদের হয়রানি বন্ধে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন দিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
২১ আগষ্ট ২০২৪ জেলা প্রসাশক পাবনা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন উপজেলার দিয়াড় বাঘইল গ্রামের সায়দাত হোসেন নামের এক ব্যক্তি।
সায়দাত হোসেন তার অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করেন বেশ কিছুদিন যাবত আমাদেরকে রূপপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কান্তি কুমার মোদক চাঁদা দেওয়ার জন্য বার বার বিভিন্ন কৌশলে চাপ প্রয়োগ করে। কিন্তু আমরা চাঁদা দেওয়া অস্বীকার করায় আমাদেরকে বিভিন্ন হুমকি ধামকি দেয়।
গত ২০ আগষ্ট (মঙ্গলবার) ১১:৩০ মিনিটে এসে দোকান মালিক মোঃ সায়দাৎ হোসেন ও তার পরিবারকে অকথ্য, অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে এবং শাসিয়ে বলে যে, দোকানপাট গুড়িয়ে দেওয়া হবে এবং মজা দেখানো হবে। ইতি পূর্বে একজন ব্যক্তির থেকে টাকা নেওয়ার জন্য তার হোন্ডায় মাদক, হেরোইন ও ইয়াবা রেখে তাকে হেনস্থা করেছে ।
জেলা প্রসাশক বরাবর লিখিত অভিযোগপত্রে সায়দাত হোসেন সহ ৩৯ জন ব্যক্তি স্বাক্ষর করেন ।