গণঅভ্যুত্থানের বিশ্বাসের সঙ্গে বেঈমানি করলে প্রফেসর ড. ইউনূসকেও ছাড় দেওয়া হবেনা,সারজিস
- আপডেট সময় : ০১:০৯:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪ ২৪৮ বার পড়া হয়েছে
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের বিশ্বাসের সঙ্গে বেঈমানি করলে কাউকেই ছাড়া দেওয়া হবে না। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও যদি হয় তাকেও ছাড় দেওয়া হবে না।
শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) রাজশাহী শিল্পকলা একাডেমিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে রাজশাহী বিভাগের শহীদ ৪৬ পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এ সব কথা বলেন তিনি। রাজশাহী বিভাগের শহীদ পরিবার গুলোকে আর্থিক সহায়তা দেয় জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন। প্রতিটি শহীদ পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা করে সহায়তা দেওয়া হয়।
সারজিস আলম বলেন, ‘আমরা দালাল নই।
আন্দোলনে নিহতদের মরদেহ কবর থেকে তোলার বিষয়ে প্রশ্ন রেখে সারজিস আলম বলেন, শেখ মুজিবের হত্যার বিচারের জন্য কবর থেকে লাশ উত্তোলনের প্রয়োজন না হলে জুলাই আগস্টের শহীদদের লাশ কেন তুলতে হবে। কোনো শহিদের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করতে দেওয়া হবে না। শহিদদের হত্যা মামলাগুলোতে বিচারকার্য পর্যন্ত নিয়ে যেতে যারা অসহযোগিতা করবে তারাও হত্যাকারী হিসেবে বিবেচিত হবে।
তিনি বলেন, গুলি চালানো পুলিশ সদস্যদের শাস্তির বদলে বদলি করে নতুন করে পোস্টিং তদবির চলছে। মামলা বাণিজ্যের সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জড়িত হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত পুলিশ সদস্যদেরও বিচার করতে হবে।
ভারত প্রসঙ্গে সারজিস আলম বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কী হবে তা ভারতকে তাদের কাজের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। সম্পর্ক ভালো রাখতে চাইলে ভারতকে খুনি শেখ হাসিনাকে আশ্রয় না দিয়ে ফেরত দিতে হবে। বাংলার মাটিতেই খুনি হাসিনার বিচার হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার খন্দকার আজিম আহমেদ, রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি আলমগীর হোসেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক কমিটির সদস্য মেহেরাব সিফাত, মোবাশির উজ জামান, মাহিন সরকার। এছাড়াও রাজশাহীতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ ৪৬টি শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
















