ঢাকা ১১:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেশার টাকা চেয়ে বাবা-মাকে মারধরে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার লালপুরে পুলিশ সদস্যসহ ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার ৩ ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত মিছিলের’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে কৃষকদের আস্থার প্রতিক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল ইমরান

গোপালগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার, স্ত্রী ও শ্বশুর হেফাজতে

মোঃ শিহাব উদ্দিন গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৬:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ৬৪ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইকান্দি পূর্বপাড়া গ্রাম থেকে বিএম মাহমুদুল ইসলাম নোবেল (এসআই) নামের এক পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি খাগড়াছড়ির মহালছড়ি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে (এপিবিএন) কর্মরত ছিলেন। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁর স্ত্রী কানিজ ফাতেমা ও শ্বশুর ঝুনু শেখকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার সরকারি কাজে গোপালগঞ্জে আসেন মাহমুদুল ইসলাম। কাজ শেষে তিনি সদর উপজেলার পাইকান্দি পূর্বপাড়া গ্রামে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে যান। সোমবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে শ্বশুরবাড়ির পাশের একটি পুকুরপাড়ে তাঁর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় কয়েকজন শিশু। পরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন মরদেহটি উদ্ধার করে রাস্তার পাশে একটি ভ্যানে রাখেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

নিহতের পারিবারিক সূত্রের দাবি, প্রায় ১০ বছর আগে বিয়ের পর থেকে মাহমুদুল ইসলাম ছুটিতে বাড়িতে এলে নিজের গ্রামের বাড়ি বিজয়পাশায় না গিয়ে শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্ত্রী ও তাঁর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল বলেও দাবি করেছেন স্বজনেরা। তাঁদের অভিযোগ, পারিবারিক কলহের কারণে মাহমুদুল মানসিক চাপে ছিলেন।

তবে স্ত্রীর বিরুদ্ধে করা পরকীয়ার অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, মাহমুদুল ইসলামের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে কোনো অপরাধের যোগসূত্র আছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গোপালগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার, স্ত্রী ও শ্বশুর হেফাজতে

আপডেট সময় : ০৭:৫৬:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইকান্দি পূর্বপাড়া গ্রাম থেকে বিএম মাহমুদুল ইসলাম নোবেল (এসআই) নামের এক পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি খাগড়াছড়ির মহালছড়ি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে (এপিবিএন) কর্মরত ছিলেন। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁর স্ত্রী কানিজ ফাতেমা ও শ্বশুর ঝুনু শেখকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার সরকারি কাজে গোপালগঞ্জে আসেন মাহমুদুল ইসলাম। কাজ শেষে তিনি সদর উপজেলার পাইকান্দি পূর্বপাড়া গ্রামে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে যান। সোমবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে শ্বশুরবাড়ির পাশের একটি পুকুরপাড়ে তাঁর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় কয়েকজন শিশু। পরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন মরদেহটি উদ্ধার করে রাস্তার পাশে একটি ভ্যানে রাখেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

নিহতের পারিবারিক সূত্রের দাবি, প্রায় ১০ বছর আগে বিয়ের পর থেকে মাহমুদুল ইসলাম ছুটিতে বাড়িতে এলে নিজের গ্রামের বাড়ি বিজয়পাশায় না গিয়ে শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্ত্রী ও তাঁর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল বলেও দাবি করেছেন স্বজনেরা। তাঁদের অভিযোগ, পারিবারিক কলহের কারণে মাহমুদুল মানসিক চাপে ছিলেন।

তবে স্ত্রীর বিরুদ্ধে করা পরকীয়ার অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, মাহমুদুল ইসলামের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে কোনো অপরাধের যোগসূত্র আছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।