নিখোঁজের দুই দিন পর পুকুরে পানিতে মিলল ছোট্ট শিশু সেঁজুতির লাশ
- আপডেট সময় : ০৪:০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে
টাঙ্গাইলের সখিপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর সেঁজুতি (৮) নামের এক শিশু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা পরিষদ পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
শিশু সেঁজুতির মা শোভা চন্দ্র ও বাবা ফালু চন্দ্র ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড বলে দাবী করে বিচার ও হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
এ ঘটনার ওই পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য এড. আহমেদ আযম খান।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটায় শিশু সেঁজুতির পরিবারের সাথে মুঠোফোনে কথা বলেছেন এবং সেঁজুতি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে থাকলে তদন্ত করে দ্রুত দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার আশ্বাস দেন।
নিহত সেঁজুতি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মন্দিরপাড়া এলাকার ফালু চন্দ্র মালুর মেয়ে। সে সখীপুর আদর্শ শিশু কানন প্রি-ক্যাডেট স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
জানা গেছে, শনিবার (২০ জুন) বিকেল ৪টার পর থেকে সেঁজুতি নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় শনিবার রাতেই শিশুটির বাবা ফালু চন্দ্র সখিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরিবারের একাধিক সদস্যের দাবি, রোববার রাতে তাদের কাছে একটি ফোনকল আসে, যেখানে সেঁজুতিকে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
নিহত সেঁজুতির মা শোভা চন্দ্র বলেন, আমার অনেক শত্রু আছে। ছোট্ট মেয়েটিকে মেরে পুকুরে ফেলে রাখা হয়েছে। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীদের বিচার চাই।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, নিখোঁজের দুই দিন পর উপজেলা পরিষদ পুকুর থেকে সেঁজুতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ ঘটনে তদন্ত চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।



















