শার্শা-বেলতলার টাউট সোহাগের বিরুদ্ধে আবারো সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে
- আপডেট সময় : ১১:৫৭:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬ ১৮৮ বার পড়া হয়েছে
যশোরের শার্শা উপজেলার এক ক্ষুদ্র বেকারি মালিকের কাছে -সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-এর কাছে পৃথক লিখিত আবেদন করেছেন।
অভিযোগকারী উপজেলার বসতপুর গ্রামের মৃত মতলেব গাজীর ছেলে আবুল হোসেন।
তিনি জানান, দীর্ঘদিন অন্যের বেকারিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করার পর নিজস্ব উদ্যোগে একটি ছোট বেকারি গড়ে তুলে কেক, রুটি ও বিস্কুট তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। মাত্র তিন বছর আগে প্রতিষ্ঠিত এ বেকারিই তার পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, গত ২৯ জুন দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে সাংবাদিক পরিচয়ে উপজেলার বাগুড়ী গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে সোহাগ হোসেন, একই গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে শাহারুল ইসলাম রাজ,কোটা গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে মহিউদ্দিন ও ঝিকরগাছা উপজেলার শংকরপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনর ছেলে মিজানুর রহমান নামে চার ব্যক্তি তার বেকারিতে প্রবেশ করে কোনো অনুমতি ছাড়াই বেকারির ভেতরে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। পরে তারা নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ করে বেকারি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়াও টাউট চাঁদাবাজ সোহাগের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে একাধিক চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে এমনকি চাঁদাবাজির অভিযোগে সাতক্ষীরা জেলায় হাজত বাস করেন ইতিমধ্যে আরও একটি চাঁদাবাজির চাঁদাবাজির মামলা শার্শার আমলী আদালতে চলমান রয়েছে যাহা সিআইডি তদন্তে আছে।
আবুল হোসেন দাবি করেন, ভয়ভীতির মুখে তিনি সেদিনের বিক্রির ৩ হাজার টাকা অভিযুক্তদের একজন সোহাগ হোসেনের হাতে তুলে দেন। কিন্তু এতে সন্তুষ্ট না হয়ে তারা আরও টাকা দাবি করেন এবং নির্দিষ্ট একটি বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠানোর জন্য চাপ সৃষ্টি করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, একজন দরিদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবে এ ধরনের ঘটনায় তিনি চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য ইউএনও ও ওসির কাছে আবেদন জানিয়েছেন।
এদিকে এই অভিযোগের বিষয়ে সোহাগ হোসেনের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন টাকা নেওয়ার বিষয়টি সত্য নয়।
শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ জানান,এ ব্যপারে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।তদন্ত পূর্বক এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
















