ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

সেহলী পারভীন-ই হিউম্যান এইড এর প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব —মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট

নিজস্ব প্রতিনিধি (কামরুন তানিয়া)
  • আপডেট সময় : ০৮:৫২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ ৭৩ বার পড়া হয়েছে

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান এইড অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনালের (নিক নেম: হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল) প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব সেহলী পারভীন সুপ্রিম কোর্টের রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, সত্যের জয় হয়েছে।

সেহলী পারভীন বলেন, “দেশবাসী জানেন— হিউম্যান এইড অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি ৯ বছর ধরে । গঠনতন্ত্রে সংস্থাটির নিক নেম- হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল।”

তিনি আরও বলেন, “কতিপয় স্বার্থান্বেষী সহযোদ্ধাদের লোভ ও ষড়যন্ত্রের কারণে সংস্থাটির মহাসচিব পদটি বারবার বিতর্কের মুখে পড়েছে কিন্তু আমি কখনো কাউকে অভিযুক্ত করার চেষ্টা করিনি। কারণ— ওদেরকে আমিই শিখিয়েছিলাম; মানবাধিকার কী এবং কেন এই কাজ করতে হবে!”

২০ বছরের অভিজ্ঞতা ও আইনি স্বীকৃতি:
সেহলী পারভীন জানান, মানবাধিকার সেক্টরে তাঁর কর্মজীবন ২০ বছরের। কিন্তু হিউম্যান এইড এর অফিসিয়াল যাত্রা শুরু হয় ২০১৮ সালে জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগ এনএসআইয়ের ছাড়পত্র ও জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ ও ফার্মসের রেজিস্ট্রেশন (S-12847) এর মাধ্যমে। সাবমিশন কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৬ সালে এবং ২০১৪ সালে সংস্থার নামটি জয়েন্ট স্টক থেকে কিনে রেখেছিলেন সেহলী পারভীন।

সহকারী মহাসচিব এডভোকেট নাসির উদ্দিন এর দায়ের করা মামলায় হাইকোর্ট ডিভিশনের রায়ে স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে, সংস্থার সূচনালগ্ন থেকেই সেহলী পারভীন মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

স্বাক্ষর জালিয়াতি ও সিআইডি প্রতিবেদন:
সেহলী পারভীন বলেন, “যারা আমার স্বাক্ষর নকল করে আমাকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ দেখিয়ে নতুন করে নিজেদের মহাসচিব দাবি করেছেন— তারা নিজেরা নিজেদের ক্ষতি করেছেন। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি’র তদন্ত কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে, আমিই প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব এবং আমি কখনো কোনো পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করিনি। আমি উক্ত প্রতিষ্ঠানে মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এবং করছি।”
তিনি আরও জানান, “আরও চমকপ্রদ তথ্য ও খবর আসছে…”

সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে অনেকে ‘সত্যের কল বাতাসে নড়ে’ বলে অভিহিত করেছেন। সেহলী পারভীন এর সমর্থক ও সারাদেশের কর্মীরা এই রায়কে সংস্থাটির স্বচ্ছতা ও আইনি বৈধতার বড় জয় হিসেবে দেখছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সেহলী পারভীন-ই হিউম্যান এইড এর প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব —মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট

আপডেট সময় : ০৮:৫২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান এইড অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনালের (নিক নেম: হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল) প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব সেহলী পারভীন সুপ্রিম কোর্টের রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, সত্যের জয় হয়েছে।

সেহলী পারভীন বলেন, “দেশবাসী জানেন— হিউম্যান এইড অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি ৯ বছর ধরে । গঠনতন্ত্রে সংস্থাটির নিক নেম- হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল।”

তিনি আরও বলেন, “কতিপয় স্বার্থান্বেষী সহযোদ্ধাদের লোভ ও ষড়যন্ত্রের কারণে সংস্থাটির মহাসচিব পদটি বারবার বিতর্কের মুখে পড়েছে কিন্তু আমি কখনো কাউকে অভিযুক্ত করার চেষ্টা করিনি। কারণ— ওদেরকে আমিই শিখিয়েছিলাম; মানবাধিকার কী এবং কেন এই কাজ করতে হবে!”

২০ বছরের অভিজ্ঞতা ও আইনি স্বীকৃতি:
সেহলী পারভীন জানান, মানবাধিকার সেক্টরে তাঁর কর্মজীবন ২০ বছরের। কিন্তু হিউম্যান এইড এর অফিসিয়াল যাত্রা শুরু হয় ২০১৮ সালে জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগ এনএসআইয়ের ছাড়পত্র ও জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ ও ফার্মসের রেজিস্ট্রেশন (S-12847) এর মাধ্যমে। সাবমিশন কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৬ সালে এবং ২০১৪ সালে সংস্থার নামটি জয়েন্ট স্টক থেকে কিনে রেখেছিলেন সেহলী পারভীন।

সহকারী মহাসচিব এডভোকেট নাসির উদ্দিন এর দায়ের করা মামলায় হাইকোর্ট ডিভিশনের রায়ে স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে, সংস্থার সূচনালগ্ন থেকেই সেহলী পারভীন মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

স্বাক্ষর জালিয়াতি ও সিআইডি প্রতিবেদন:
সেহলী পারভীন বলেন, “যারা আমার স্বাক্ষর নকল করে আমাকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ দেখিয়ে নতুন করে নিজেদের মহাসচিব দাবি করেছেন— তারা নিজেরা নিজেদের ক্ষতি করেছেন। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি’র তদন্ত কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে, আমিই প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব এবং আমি কখনো কোনো পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করিনি। আমি উক্ত প্রতিষ্ঠানে মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এবং করছি।”
তিনি আরও জানান, “আরও চমকপ্রদ তথ্য ও খবর আসছে…”

সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে অনেকে ‘সত্যের কল বাতাসে নড়ে’ বলে অভিহিত করেছেন। সেহলী পারভীন এর সমর্থক ও সারাদেশের কর্মীরা এই রায়কে সংস্থাটির স্বচ্ছতা ও আইনি বৈধতার বড় জয় হিসেবে দেখছেন।