ঢাকা ১২:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেশার টাকা চেয়ে বাবা-মাকে মারধরে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার লালপুরে পুলিশ সদস্যসহ ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার ৩ ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত মিছিলের’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে কৃষকদের আস্থার প্রতিক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল ইমরান

হাবিলাসদ্বীপে খালের মুখে বাঁধ দিয়ে আশীষের রাস্তা নির্মাণ ;পুরো গ্রাম জলাশয়ে পরিনত

মোঃ হাসানুর জামান বাবু, চট্টগ্রাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৯:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬ ৫০ বার পড়া হয়েছে

বর্তমান সরকার যেখানে দেশের প্রতি ইঞ্চি অনাবাদি জমিকে আবাদি জমিতে পরিণত করে দেশকে স্বনির্ভর ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা লক্ষ্য উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করতে মরিয়া এবং প্রতিটি জেলায় উপজেলায় গ্রামে গঞ্জে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান নিজেই।

সেই সময়ে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার পটিয়া উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নে হাবিলাসদ্বীপ গ্রামের ০৮নং ওয়ার্ডে আশীষ সরকার নামের এক ব্যবসায়ী দেশের সকল আইনকানুন কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে হাবিলাসদ্বীপ রাস মন্দিরের দক্ষিণ পাশে বোয়ালখালী খাল ও ব্রাহ্মচারী খালের সংযোগ হওয়া এবং যেখাল দিয়ে পুরো হাবিলাসদ্বীপ গ্রামের পানি বর্ষ মৌসুমে কর্ণফুলী নদীতে এসে পড়তো।

সেই খালের মুখে বাঁধ নির্মাণ করে নিজের প্রায় দশ একর জমির উপর ভরাট করা বাগান বাড়ী ও প্লট করে বিক্রি করার জন্য ভরাট করা বিশাল জায়গায় যাতায়াতের জন্য খাল ভরাট করে রাস্তা নির্মাণ করেছেন।যার ফলে পানি চলাচলের রাস্তা বন্ধ হয়ে পুরো হাবিলাসদ্বীপ গ্রাম জলাশয়ে পরিনত হয়েছে।

এই গ্রামে গত কয়েক বছর আগেও শত শত একর জমিতেবাদ করে কৃষকরা নিজের বছরের খাদ্যশস্য উৎপাদন করে এবং নানা ধরনের শাকসবজি ফলমূল উৎপাদন করে সারা বছর স্বাবলম্বী হয়ে হাসিমুখে জীবন জীবিকা নির্বাহ করতো।অথচ বর্তমানে আশীষ সরকারের খালের উপর এই বাধ নির্মাণ করে পানি বন্ধ করার কারনে হাবিলাসদ্বীপ পুরো গ্রাম এখন জলাশয়ে পরিনত হয়েছে। ফলে একদিকে শতো শতো একর আবাদি জমি অনাবাদি হয়ে পড়ে কৃষকদের কপাল পুড়েছে বেকার জীবন যাপন করে মানবেতর জীবন যাবন করছেন হাজারো কৃষক।

অথচ আশীষ সরকার প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় হওয়ার কারণে ভয়ে মুখ খোলার সাহস পাচ্ছেন না। কিন্তু আজ আমি ঐ এলাকায় গিয়ে দেখতে পেলে এলাকার সাধারণ জনগণ ও গরীব কৃষক ভিতরে ভিতরে ক্ষোভ যন্ত্রণায় ফুঁসে উঠেছে;যেকোন সময় এটা নিয়ে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হতে পারে বলে আশংকা করেছে এলাকার জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিক মহল।

সরকারী সকল নিয়ম নীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পটিয়া হাবিলাসদ্বীপ গ্রামের ০৮ নং ওয়ার্ডে সরকারি খালের মধ্যখানে বাঁধ দিয়ে আশীষ সরকারের সাম্রাজ্য গড়ার ফলে হাওড় এলাকায় পরিণত হয়েছে পূর্ব হাবিলাসদ্বীপ ও দক্ষিণ হাবিলাসদ্বীপ গ্রামের শতো একর আবাদি সফলি জমি দীর্ঘ দিন অনাবাদি জলাশয়ে পরিনত হয়েছে ।একটু বৃষ্টি হলেই পানিতে তলিয়ে যায় হাবিলাসদ্বীপ গ্রামের দত্ত বাড়ী মজুমদার বাড়ী মিত্র বাড়ী দেবপাড়ার প্রায় পাঁচশো পরিবার। পানি বন্দি হয়ে অসহায় অবর্ননীয় মানবেতর জীবন যাপন করেন দুই হাজারেরও বেশি মানুষ।

এই বিষয়ে অভিযুক্ত আশীষ সরকারের সাথে কথা বললেই তিনি বলেন- খান কতো বছরের এটা আমার দেখার বিষয় নয়।এই খাল আরএস বিএস খতিয়ানে কোন খাল নেই তাই আমি ঐদিকে কিছু জমি কিনে একটা প্লট করেছি এই প্লটে চলাচলের রাস্তা প্রয়োজন তাই তৎকালীন চেয়ারম্যানকে জানিয়ে আমি এই খাল ভরাট করেছি।

তারপরও মাটির নিচে ছোট একটা ফাইপ দিয়েছি পানি চলাচলের জন্য। আমি এই যে জমি গুলো কিনে ভিটা বানিয়েছি সেই হিসেবে খালটিও আমার কেনা জায়গার উপর।আশীষ সরকার আবারও দাম্ভিকতা কণ্ঠে বলেন -সবাই শুধু আমাকে দেখেন কেন? পানি চলাচলের জায়গা তো আরো অনেকে ভরাট করে বাড়িঘর নির্মাণ করেছে এদের গুলো দেখেন না?নিউজ করলে করেন সমস্যা নেই এগুলো দিয়ে আমার কিছুই হবেনা আমি প্রয়োজনে আইনের আশ্রয় নিবো দেখি কে কি করতে পারে।

এবিষয়ে ০৮ ওয়ার্ডের সাবেক একাধিকবার নির্বাচিত মেম্বার মেম্বার দোলন কান্তি দত্তর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন- এই খানে খালের মতো শত বছরের পুরনো একটা রেগ(নালা) ছিলো ঐটা দিয়ে হাবিলাসদ্বীপ গ্রামের পানি ব্রাহ্মচারী খাল হয়ে বোয়ালখালী বড় খালে গিয়ে মিশে যেতে এটা ছিলো সম্পূর্ন সরকারি। কিন্তু গত সরকারের আমলে আশীষ সরকার প্রভাবশালীদের সহায়তা এই খালের মধ্যেখানে বাঁধ নির্মাণ করে তার সাম্রাজ্যে যাওয়ার জন্য রাস্তা নির্মাণ করেছেন। এটা অবশ্যই জনগণের ক্ষতি করেছে।

তারপর এই বিষয়ে বর্তমান হাবিলাসদ্বীপ গ্রামের তিন ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার বেবি চৌধুরীর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি প্রথমে আশীষ সরকারে পক্ষ নিয়ে সরাসরি বলেন ঐখানে আমি কোন খাল কখনোই দেখিনি। পরে আবার সাংবাদিকের পাল্টা প্রশ্নের জবাবে স্বীকার করেন ঐখানে একটা নালা ছিলো এটা দিয়ে গ্রামের পানি নিষ্কাসিত হতো।আমি এর বেশি তিনি কিছু বলতে রাজি হননি।

বিষয়টি নিয়ে উপস্থিত হাবিলাসদ্বীপ গ্রামের শতো সাধারণ মানুষ ও কৃষকরা নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে সাংবাদিককে বলেছেন – আমরা এই খালের মধ্যেখানে বাঁধ নির্মাণ করে আমাদের পানি বন্দি করার বিষয়টি আপনার মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মাননীয় কৃষিমন্ত্রী চট্টগ্রাম-১২ পটিয়া নির্বাচনী এলাকার মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এনামুল হক এনাম সাহেব চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসক পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

আমরা পানি বন্দি থেকে মুক্তি চাই,খালের বাঁধ ভেঙে দিতে চাই,আমাদের শতো একর অনাবাদি জলাশয়ে পরিনত হওয়া কৃষি জমিতে আমরা আবারও আগের মতো আবাদ করতে চাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হাবিলাসদ্বীপে খালের মুখে বাঁধ দিয়ে আশীষের রাস্তা নির্মাণ ;পুরো গ্রাম জলাশয়ে পরিনত

আপডেট সময় : ০৮:৪৯:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

বর্তমান সরকার যেখানে দেশের প্রতি ইঞ্চি অনাবাদি জমিকে আবাদি জমিতে পরিণত করে দেশকে স্বনির্ভর ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা লক্ষ্য উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করতে মরিয়া এবং প্রতিটি জেলায় উপজেলায় গ্রামে গঞ্জে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান নিজেই।

সেই সময়ে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার পটিয়া উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নে হাবিলাসদ্বীপ গ্রামের ০৮নং ওয়ার্ডে আশীষ সরকার নামের এক ব্যবসায়ী দেশের সকল আইনকানুন কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে হাবিলাসদ্বীপ রাস মন্দিরের দক্ষিণ পাশে বোয়ালখালী খাল ও ব্রাহ্মচারী খালের সংযোগ হওয়া এবং যেখাল দিয়ে পুরো হাবিলাসদ্বীপ গ্রামের পানি বর্ষ মৌসুমে কর্ণফুলী নদীতে এসে পড়তো।

সেই খালের মুখে বাঁধ নির্মাণ করে নিজের প্রায় দশ একর জমির উপর ভরাট করা বাগান বাড়ী ও প্লট করে বিক্রি করার জন্য ভরাট করা বিশাল জায়গায় যাতায়াতের জন্য খাল ভরাট করে রাস্তা নির্মাণ করেছেন।যার ফলে পানি চলাচলের রাস্তা বন্ধ হয়ে পুরো হাবিলাসদ্বীপ গ্রাম জলাশয়ে পরিনত হয়েছে।

এই গ্রামে গত কয়েক বছর আগেও শত শত একর জমিতেবাদ করে কৃষকরা নিজের বছরের খাদ্যশস্য উৎপাদন করে এবং নানা ধরনের শাকসবজি ফলমূল উৎপাদন করে সারা বছর স্বাবলম্বী হয়ে হাসিমুখে জীবন জীবিকা নির্বাহ করতো।অথচ বর্তমানে আশীষ সরকারের খালের উপর এই বাধ নির্মাণ করে পানি বন্ধ করার কারনে হাবিলাসদ্বীপ পুরো গ্রাম এখন জলাশয়ে পরিনত হয়েছে। ফলে একদিকে শতো শতো একর আবাদি জমি অনাবাদি হয়ে পড়ে কৃষকদের কপাল পুড়েছে বেকার জীবন যাপন করে মানবেতর জীবন যাবন করছেন হাজারো কৃষক।

অথচ আশীষ সরকার প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় হওয়ার কারণে ভয়ে মুখ খোলার সাহস পাচ্ছেন না। কিন্তু আজ আমি ঐ এলাকায় গিয়ে দেখতে পেলে এলাকার সাধারণ জনগণ ও গরীব কৃষক ভিতরে ভিতরে ক্ষোভ যন্ত্রণায় ফুঁসে উঠেছে;যেকোন সময় এটা নিয়ে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হতে পারে বলে আশংকা করেছে এলাকার জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিক মহল।

সরকারী সকল নিয়ম নীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পটিয়া হাবিলাসদ্বীপ গ্রামের ০৮ নং ওয়ার্ডে সরকারি খালের মধ্যখানে বাঁধ দিয়ে আশীষ সরকারের সাম্রাজ্য গড়ার ফলে হাওড় এলাকায় পরিণত হয়েছে পূর্ব হাবিলাসদ্বীপ ও দক্ষিণ হাবিলাসদ্বীপ গ্রামের শতো একর আবাদি সফলি জমি দীর্ঘ দিন অনাবাদি জলাশয়ে পরিনত হয়েছে ।একটু বৃষ্টি হলেই পানিতে তলিয়ে যায় হাবিলাসদ্বীপ গ্রামের দত্ত বাড়ী মজুমদার বাড়ী মিত্র বাড়ী দেবপাড়ার প্রায় পাঁচশো পরিবার। পানি বন্দি হয়ে অসহায় অবর্ননীয় মানবেতর জীবন যাপন করেন দুই হাজারেরও বেশি মানুষ।

এই বিষয়ে অভিযুক্ত আশীষ সরকারের সাথে কথা বললেই তিনি বলেন- খান কতো বছরের এটা আমার দেখার বিষয় নয়।এই খাল আরএস বিএস খতিয়ানে কোন খাল নেই তাই আমি ঐদিকে কিছু জমি কিনে একটা প্লট করেছি এই প্লটে চলাচলের রাস্তা প্রয়োজন তাই তৎকালীন চেয়ারম্যানকে জানিয়ে আমি এই খাল ভরাট করেছি।

তারপরও মাটির নিচে ছোট একটা ফাইপ দিয়েছি পানি চলাচলের জন্য। আমি এই যে জমি গুলো কিনে ভিটা বানিয়েছি সেই হিসেবে খালটিও আমার কেনা জায়গার উপর।আশীষ সরকার আবারও দাম্ভিকতা কণ্ঠে বলেন -সবাই শুধু আমাকে দেখেন কেন? পানি চলাচলের জায়গা তো আরো অনেকে ভরাট করে বাড়িঘর নির্মাণ করেছে এদের গুলো দেখেন না?নিউজ করলে করেন সমস্যা নেই এগুলো দিয়ে আমার কিছুই হবেনা আমি প্রয়োজনে আইনের আশ্রয় নিবো দেখি কে কি করতে পারে।

এবিষয়ে ০৮ ওয়ার্ডের সাবেক একাধিকবার নির্বাচিত মেম্বার মেম্বার দোলন কান্তি দত্তর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন- এই খানে খালের মতো শত বছরের পুরনো একটা রেগ(নালা) ছিলো ঐটা দিয়ে হাবিলাসদ্বীপ গ্রামের পানি ব্রাহ্মচারী খাল হয়ে বোয়ালখালী বড় খালে গিয়ে মিশে যেতে এটা ছিলো সম্পূর্ন সরকারি। কিন্তু গত সরকারের আমলে আশীষ সরকার প্রভাবশালীদের সহায়তা এই খালের মধ্যেখানে বাঁধ নির্মাণ করে তার সাম্রাজ্যে যাওয়ার জন্য রাস্তা নির্মাণ করেছেন। এটা অবশ্যই জনগণের ক্ষতি করেছে।

তারপর এই বিষয়ে বর্তমান হাবিলাসদ্বীপ গ্রামের তিন ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার বেবি চৌধুরীর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি প্রথমে আশীষ সরকারে পক্ষ নিয়ে সরাসরি বলেন ঐখানে আমি কোন খাল কখনোই দেখিনি। পরে আবার সাংবাদিকের পাল্টা প্রশ্নের জবাবে স্বীকার করেন ঐখানে একটা নালা ছিলো এটা দিয়ে গ্রামের পানি নিষ্কাসিত হতো।আমি এর বেশি তিনি কিছু বলতে রাজি হননি।

বিষয়টি নিয়ে উপস্থিত হাবিলাসদ্বীপ গ্রামের শতো সাধারণ মানুষ ও কৃষকরা নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে সাংবাদিককে বলেছেন – আমরা এই খালের মধ্যেখানে বাঁধ নির্মাণ করে আমাদের পানি বন্দি করার বিষয়টি আপনার মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মাননীয় কৃষিমন্ত্রী চট্টগ্রাম-১২ পটিয়া নির্বাচনী এলাকার মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এনামুল হক এনাম সাহেব চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসক পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

আমরা পানি বন্দি থেকে মুক্তি চাই,খালের বাঁধ ভেঙে দিতে চাই,আমাদের শতো একর অনাবাদি জলাশয়ে পরিনত হওয়া কৃষি জমিতে আমরা আবারও আগের মতো আবাদ করতে চাই।