ঢাকা ১০:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খালেদা জিয়ার স্মরণে ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন নেশার টাকা চেয়ে বাবা-মাকে মারধরে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার লালপুরে পুলিশ সদস্যসহ ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার ৩ ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত মিছিলের’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, ধর্মীয় উগ্রবাদের কারনে নয়, রাজনৈতিক কারনে ঘটেছে”- ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।

মু,হেলাল আহম্মেদ,রিপন পটুয়াখালী জেলা/
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৮:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪ ২৩০ বার পড়া হয়েছে

ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, “বহিঃবিশ্ব বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর যতগুলো হামলার ঘটনা ঘটেছে তার একটিও ধর্মীয় উগ্রবাদের কারনে ঘটেনি, রাজনৈতিক কারনে ঘটেছে। বিপ্লবের পরে কিছু বিক্ষুব্ধ মানুষ এসব ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানান তিনি।

গত ৫ আগষ্টের পরে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের ঘটনায় ৯৩ টি মামলা হয়েছে। ইতিমধ্যে ৭২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরো যারা জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে, এদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা হবে। বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষের তাদের স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার রয়েছে। যারা এ অধিকার ক্ষুন্ন করতে চায় তাদের আইনের আওতায় আনার দায়িত্ব সরকারের।”

সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে পটুয়াখালী ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে আয়োজিত মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষক, মসজিদের খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সাথে মতবিনিময সভায় এসব কথা বলেন তিনি। ধর্ম উপদেষ্ঠা আরো বলেন, “বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশকে নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে অথচ তাদের দেশেই সংখ্যালঘুদের কচুকাটা করা হচ্ছে। তাদের উপসনালয়ের নীচ থেকে শিবলিঙ্গ আবিস্কার করা হচ্ছে।” তিনি বলেন, “সংস্কার শেষ হলে আমরা একটি নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবো। একটি সমাজ গঠনে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনগন যথাযথ ভুমিকা পালন করেন। তারা ভালো না থাকলে সমাজ ভালো থাকবে না। তাই তাদের বেতন কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে। দুইটি উৎসব বোনাস প্রদানে ধর্ম মন্ত্রনালয় কাজ করছে। এছাড়া মসজিদের জন্যও নীতিমালা করা হচ্ছে।”

জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর উপ-পরিচালক আসমা আখতার এর সভাপতিত্বে ও মাস্টার ট্রেইনার মো. আব্দুল হালিমের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন, পুলিশ সুপার মো.আনোয়ার জাহিদ, বোর্ড অব গভর্নরস ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সদস্য অধ্যক্ষ মাওঃ সৈয়দ মোহাম্মদ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, বোর্ড অব গভর্নরস ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সদস্য অধ্যক্ষ মাওঃ শাহ মো. নেছারুল হক ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিশ্বকোষ বিভাগের পরিচালক মুহা. জাকির হোসাইন প্রমুখ। এ সময় জেলার দুইশতাধিক মসজিদের খতিব-ইমাম, মুয়াজ্জিনগন উপস্থিত ছিলেন।

উক্ত সভায় প্রধান অতিথি ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্ঠা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন নিজেই দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, ধর্মীয় উগ্রবাদের কারনে নয়, রাজনৈতিক কারনে ঘটেছে”- ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।

আপডেট সময় : ০৩:৪৮:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪

ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, “বহিঃবিশ্ব বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর যতগুলো হামলার ঘটনা ঘটেছে তার একটিও ধর্মীয় উগ্রবাদের কারনে ঘটেনি, রাজনৈতিক কারনে ঘটেছে। বিপ্লবের পরে কিছু বিক্ষুব্ধ মানুষ এসব ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানান তিনি।

গত ৫ আগষ্টের পরে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের ঘটনায় ৯৩ টি মামলা হয়েছে। ইতিমধ্যে ৭২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরো যারা জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে, এদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা হবে। বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষের তাদের স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার রয়েছে। যারা এ অধিকার ক্ষুন্ন করতে চায় তাদের আইনের আওতায় আনার দায়িত্ব সরকারের।”

সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে পটুয়াখালী ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে আয়োজিত মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষক, মসজিদের খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সাথে মতবিনিময সভায় এসব কথা বলেন তিনি। ধর্ম উপদেষ্ঠা আরো বলেন, “বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশকে নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে অথচ তাদের দেশেই সংখ্যালঘুদের কচুকাটা করা হচ্ছে। তাদের উপসনালয়ের নীচ থেকে শিবলিঙ্গ আবিস্কার করা হচ্ছে।” তিনি বলেন, “সংস্কার শেষ হলে আমরা একটি নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবো। একটি সমাজ গঠনে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনগন যথাযথ ভুমিকা পালন করেন। তারা ভালো না থাকলে সমাজ ভালো থাকবে না। তাই তাদের বেতন কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে। দুইটি উৎসব বোনাস প্রদানে ধর্ম মন্ত্রনালয় কাজ করছে। এছাড়া মসজিদের জন্যও নীতিমালা করা হচ্ছে।”

জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর উপ-পরিচালক আসমা আখতার এর সভাপতিত্বে ও মাস্টার ট্রেইনার মো. আব্দুল হালিমের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন, পুলিশ সুপার মো.আনোয়ার জাহিদ, বোর্ড অব গভর্নরস ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সদস্য অধ্যক্ষ মাওঃ সৈয়দ মোহাম্মদ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, বোর্ড অব গভর্নরস ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সদস্য অধ্যক্ষ মাওঃ শাহ মো. নেছারুল হক ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিশ্বকোষ বিভাগের পরিচালক মুহা. জাকির হোসাইন প্রমুখ। এ সময় জেলার দুইশতাধিক মসজিদের খতিব-ইমাম, মুয়াজ্জিনগন উপস্থিত ছিলেন।

উক্ত সভায় প্রধান অতিথি ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্ঠা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন নিজেই দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন।