মিথ্যা মামলায় বিএনপি নেতার পরিবারকে ফাঁসানোর অভিযোগ ব্যবসায়ী মাসুদ’র বিরুদ্ধে
- আপডেট সময় : ০৫:৪৪:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
পাবনার সাঁথিয়ায় মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলায় বিএনপি নেতা ও তার পরিবারকে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে (গরু,ছাগল ও মাছের খাদ্য -ফিড উৎপাদনকারী) ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম মাসুদের বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি ঘটেছে সাঁথিয়া উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নাধীন সাটিয়াকোলা (আমতলা) এলাকায়।সরেজমিন পরিদর্শন ও স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী জমির সীমানায় মালিকের অনুমতি ছাড়া স্থাপন করা খুঁটি সড়িয়ে দেওয়ায় বিএনপি নেতা (কাশিনাথপুর ইউনিয়নাধীন ০৩ নং ওয়ার্ড কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক) আব্দুল মোমিন ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও পুলিশ দিয়ে গ্রেফতারের মাধ্যমে হয়রানি করছেন এই ব্যবসায়ী মাসুদ।এঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে কাশিনাথপুর ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গন।
জানা যায়, কিছুদিন পূর্বে সাটিয়াকোলা মৌজার আরএস ২৮৫ দাগে সাকের গংদের নিকট থেকে ১১ শতাংশ জমি ক্রয় করে ব্যবসায়ী মাসুদ।তার ক্রয়কৃত জমির সামনে বিশ্বরোড ঘেসা এস এ ১৩১ দাগ সড়ক জনপদ বিভাগ ও মফেদ গংদের মধ্যে আদালতে মামলা চলমান। এছাড়া ক্রয়কৃত জমির দক্ষিণে ২৮৪ দাগে অজেদ ও তার পূর্বে ২৭৯ দাগ ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা আব্দুল মোমিন দের। গত ১২ই জুন (শুক্রবার) ক্রয়কৃত জমির আশপাশের কাউকে না জানিয়ে নিজের বাহিনী (অর্থের বিনিময়ে ভাড়াটে) সাথে নিয়ে জমি মাপঝোঁক করে পার্শ্ববর্তী আব্দুল মোমিনদের জমির মধ্যে খুঁটি স্থাপন করে।এর দুই দিন পর ১৫ তারিখ সন্ধায় নিজেদের জমিতে গিয়ে খুঁটি দেখতে পেয়ে তা অপসারণ করেন মোমিন।এতে ক্ষুব্ধ হয়ে শুধুমাত্র এলাকায় প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে ষড়যন্ত্র মুলক ভাবে ১৭ তারিখ (বুধবার) রাতে মোমিন ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে সাঁথিয়া থানায় মিথ্যা চাঁদাবাজি, মারধর ও অর্থ ছিনিয়ে নেওয়ার মামলা করেন তিনি।
মামলা এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, ১৫ তারিখ রাতে ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম মাসুদের ক্রয়কৃত জমির উপর মাসুদের লোকদের মারধর করে আব্দুল মোমিন ও তার পরিবার তবে স্থানীয়ভাবে তার কোন প্রমাণ পাওয়া যায় নি।সাটিয়াকোলা এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা জাবেদ (৬৫),আব্দুর রশিদ (৬০),আলহাজ্ব আলী (৬৫),ইছাই খাঁ (৭০) ও আব্দুল গনি শেখ (৭০) বলেন, ১৫ তারিখ রাতে এখানে কোন ঝামেলা হয় নি। ১২ তারিখে মাসুদ জমি মেপে মোমিনদের জমির মধ্যে খুঁটি স্থাপন করে, ১৫ তারিখ সন্ধায় মোমিন সেই খুঁটি তুলে ফেলেছে।
এছাড়া মামলা এজহারে উল্লেখ করা হয়েছে মাসুদের চাচাতো ভাই ফজলুকে মারধর করে তার নিকট থেকে আলামিন ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে যা হাস্যকর কেননা ঘটনার সময় আলামিন ঢাকায় অবস্থান করছিল (তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের লোকেশন যাচাই করলে স্পষ্ট প্রমান পাওয়া যাবে।হামলা শিকার ফজলু’র আপন ভাই রাজা জানান, ১৫ তারিখে মাসুদ ভাই এর জমির আশপাশে এমনকি আমাদের বাজারে কোন ঝামেলাই হয় নি। আর আমার ভাই ফজলুকে মারধর ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা সম্পুর্ন মিথ্যা। মামলার বিষয়বস্তু শুনে আমি আমার ভাই কে জিজ্ঞেস করেছিলাম বিষয়টা কি, সে আমাকে বলেছে এগুলো সম্পর্কে কিছুই জানে না। উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে মাসুদ ভাই আমার ভাই এর নাম ব্যবহার করে মোমিনদের বিরুদ্ধে এই মামলা করেছে।
এবিষয়ে মামলার বিবাদী আব্দুল মোমিন বলেন, টাকার গরমে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে আমাদেরকে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে।অবিলম্বে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও এলাকার শান্তি বিঘ্নিত করার অভিযোগে মিথ্যা মামলাকারী রবিউল ইসলাম কে আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের নিকট দাবি জানাচ্ছি।





















