ঢাকা ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

ঈশ্বরদীতে বিএনপি নেতাকে প্রধান অতিথি না করায় হামলা ও ভাঙচুর, জড়িতদের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

পাবনা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:১৮:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬ ৮৫ বার পড়া হয়েছে

ঈশ্বরদীর জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলামের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদ। আজ বুধবার সকালে ঈশ্বরদী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানানো হয়।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ফজলুর রহমান। তিনি জানান, গত ৩০ জুন সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে পাবনা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদারকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

​লিখিত বক্তব্যে ফজলুর রহমান অভিযোগ করেন, অনুষ্ঠান শুরুর এক ঘণ্টা আগে পাবনা জেলা বিএনপির আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের অনুসারী আবুল কাশেম ওরফে ‘হালট কাশেম’-এর নেতৃত্বে মইনুল ইসলাম সরদার, আলম ওরফে ‘দালাল আলম’ ও মনিকারসহ ১৫-২০ জনের একটি দল অনুষ্ঠানস্থলে হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা হাবিবুর রহমান হাবিবকে অতিথি না করায় ক্ষিপ্ত হয়ে মঞ্চ, চেয়ার-টেবিল ও ব্যানার ভাঙচুর করে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য রান্না করা খাবার নষ্ট করে ফেলে। এমনকি হামলাকারীরা স্কুলের অফিস কক্ষে ঢুকে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও শিক্ষকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে, যার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

​ফজলুর রহমান আরও বলেন, “আমি দীর্ঘ ১৭ বছর দলের বিভিন্ন স্তরে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছি এবং আন্দোলনের জন্য একাধিকবার কারাভোগ করেছি। বর্তমানে বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা অবস্থায় নিজ দলের একাংশের নেতাকর্মীদের দ্বারা এমন হামলা কল্পনা করা যায় না।”
​সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—সদ্য বিদায়ী প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলাম, পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রশিদ, ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির দুলাল সরদারসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা।

​বক্তারা বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার এই অঞ্চলের বিএনপির একজন বর্ষীয়ান নেতা। তাকে বাদ দিয়ে রাজনীতি করার হীন প্রচেষ্টা ঈশ্বরদীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। তারা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঈশ্বরদীতে বিএনপি নেতাকে প্রধান অতিথি না করায় হামলা ও ভাঙচুর, জড়িতদের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৬:১৮:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

ঈশ্বরদীর জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলামের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদ। আজ বুধবার সকালে ঈশ্বরদী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানানো হয়।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ফজলুর রহমান। তিনি জানান, গত ৩০ জুন সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে পাবনা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদারকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

​লিখিত বক্তব্যে ফজলুর রহমান অভিযোগ করেন, অনুষ্ঠান শুরুর এক ঘণ্টা আগে পাবনা জেলা বিএনপির আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের অনুসারী আবুল কাশেম ওরফে ‘হালট কাশেম’-এর নেতৃত্বে মইনুল ইসলাম সরদার, আলম ওরফে ‘দালাল আলম’ ও মনিকারসহ ১৫-২০ জনের একটি দল অনুষ্ঠানস্থলে হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা হাবিবুর রহমান হাবিবকে অতিথি না করায় ক্ষিপ্ত হয়ে মঞ্চ, চেয়ার-টেবিল ও ব্যানার ভাঙচুর করে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য রান্না করা খাবার নষ্ট করে ফেলে। এমনকি হামলাকারীরা স্কুলের অফিস কক্ষে ঢুকে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও শিক্ষকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে, যার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

​ফজলুর রহমান আরও বলেন, “আমি দীর্ঘ ১৭ বছর দলের বিভিন্ন স্তরে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছি এবং আন্দোলনের জন্য একাধিকবার কারাভোগ করেছি। বর্তমানে বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা অবস্থায় নিজ দলের একাংশের নেতাকর্মীদের দ্বারা এমন হামলা কল্পনা করা যায় না।”
​সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—সদ্য বিদায়ী প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলাম, পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রশিদ, ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির দুলাল সরদারসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা।

​বক্তারা বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার এই অঞ্চলের বিএনপির একজন বর্ষীয়ান নেতা। তাকে বাদ দিয়ে রাজনীতি করার হীন প্রচেষ্টা ঈশ্বরদীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। তারা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।