ঢাকা ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খালেদা জিয়ার স্মরণে ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন নেশার টাকা চেয়ে বাবা-মাকে মারধরে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার লালপুরে পুলিশ সদস্যসহ ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার ৩ ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত মিছিলের’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

যাত্রাপুর ইউনিয়নের উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গফুর

মোঃ আব্দুল আজিজ মিয়া স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১০:২৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ৬১ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড এবং দুর্যোগকালীন মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গফুর। স্থানীয়দের মতে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে চলেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যাত্রাপুর ইউনিয়ন নদীবেষ্টিত হওয়ায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে বন্যা ও নদীভাঙনের ঝুঁকি থাকে। সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এতে অসংখ্য পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে এবং যোগাযোগ, শিক্ষা ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। অনেক পরিবার খাদ্যসংকট ও বিশুদ্ধ পানির সমস্যায় পড়ে।

এমন পরিস্থিতিতে চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গফুর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে ত্রাণসামগ্রী নিয়ে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ান। তিনি খাদ্যসামগ্রী, শুকনো খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা বিতরণ করেন এবং অসহায় পরিবারের খোঁজখবর নেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, দুর্যোগের সময় তাঁর এই মানবিক উদ্যোগ অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে স্বস্তি দিয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, শুধু দুর্যোগকালেই নয়, সারা বছরই বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়। ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সহযোগিতা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বাস্তবায়ন এবং সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে তিনি নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন বলে স্থানীয়রা জানান।

স্থানীয় বাসিন্দারা আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদে সেবা নিতে আসা মানুষের অভিযোগ দ্রুত শোনা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। ফলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর একটি আস্থার সম্পর্ক গড়ে উঠেছে বলে তাদের অভিমত।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকায় রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। এ প্রসঙ্গে অনেক স্থানীয় বাসিন্দা মত প্রকাশ করে বলেন, উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তারা আলহাজ্ব আব্দুল গফুরকে আবারও চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। তবে এ বিষয়ে ভোটারদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নির্বাচনের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

এদিকে, চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গফুর বলেন, “আমি সব সময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি এবং ভবিষ্যতেও যাত্রাপুর ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই। জনগণের ভালোবাসা ও সহযোগিতাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।”

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, যাত্রাপুর ইউনিয়নের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং জনসেবার মান বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে নদীভাঙন, বন্যা ও জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে যাত্রাপুর ইউনিয়ন আরও সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

যাত্রাপুর ইউনিয়নের উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গফুর

আপডেট সময় : ১০:২৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড এবং দুর্যোগকালীন মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গফুর। স্থানীয়দের মতে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে চলেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যাত্রাপুর ইউনিয়ন নদীবেষ্টিত হওয়ায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে বন্যা ও নদীভাঙনের ঝুঁকি থাকে। সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এতে অসংখ্য পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে এবং যোগাযোগ, শিক্ষা ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। অনেক পরিবার খাদ্যসংকট ও বিশুদ্ধ পানির সমস্যায় পড়ে।

এমন পরিস্থিতিতে চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গফুর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে ত্রাণসামগ্রী নিয়ে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ান। তিনি খাদ্যসামগ্রী, শুকনো খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা বিতরণ করেন এবং অসহায় পরিবারের খোঁজখবর নেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, দুর্যোগের সময় তাঁর এই মানবিক উদ্যোগ অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে স্বস্তি দিয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, শুধু দুর্যোগকালেই নয়, সারা বছরই বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়। ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সহযোগিতা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বাস্তবায়ন এবং সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে তিনি নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন বলে স্থানীয়রা জানান।

স্থানীয় বাসিন্দারা আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদে সেবা নিতে আসা মানুষের অভিযোগ দ্রুত শোনা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। ফলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর একটি আস্থার সম্পর্ক গড়ে উঠেছে বলে তাদের অভিমত।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকায় রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। এ প্রসঙ্গে অনেক স্থানীয় বাসিন্দা মত প্রকাশ করে বলেন, উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তারা আলহাজ্ব আব্দুল গফুরকে আবারও চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। তবে এ বিষয়ে ভোটারদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নির্বাচনের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

এদিকে, চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গফুর বলেন, “আমি সব সময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি এবং ভবিষ্যতেও যাত্রাপুর ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই। জনগণের ভালোবাসা ও সহযোগিতাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।”

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, যাত্রাপুর ইউনিয়নের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং জনসেবার মান বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে নদীভাঙন, বন্যা ও জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে যাত্রাপুর ইউনিয়ন আরও সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে।