ঢাকা ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেশার টাকা চেয়ে বাবা-মাকে মারধরে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার লালপুরে পুলিশ সদস্যসহ ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার ৩ ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত মিছিলের’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে কৃষকদের আস্থার প্রতিক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল ইমরান

সুনামগঞ্জের লালপুর গুচ্ছগ্রামে ট্যাংকির ভেতর থেকে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার,সন্দেহভাজন ৪ জন আটক

মোঃরফিকুল ইসলাম সোহাগ সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৮:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬ ৫৮ বার পড়া হয়েছে

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিযনের লালপুর গুচ্ছগ্রামে ৮ মাসের এক শিশুর মরদেহ সেফটি ট্যাংকির ভিতর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্দেহজনক অবস্থায় ৪জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে খবর পেয়ে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রতন শেখ পিপিএম এর নেতৃত্বে এস আই মোহন দাসসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে সেফটি ট্যাংকির ভেতর থেকে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আট মাস বয়সী শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশুটির নাম আমির হামজা(৮ মাস)। সে লালপুর গুচ্ছগ্রামের সাব্বির হোসেনের ছেলে। এই ঘটনায় পুলিশ হেফাজতে নেয়া লালপুর গুচ্ছগ্রামের মৃত নুর মিয়ার ছেলে মণির হোসেন(৩০),আব্দুল জব্বারের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম(৩৭),মণির হোসেনের মা রাবেয়া বেগম(৫৫) ও জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী আফিয়া বেগম(৩৫)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত শিশুটির মা সাবিকুন নাহার সকালে ঘুম থেকে শিশুটিকে তার পিতার কাছে ঘুমে রেখে শ্বশুরবাড়িতে যান।

সকাল ৭টায় শিশুটির পিতা সাব্বির হোসেন ঘুম থেকে উঠে শিশু ছেলেটিকে বিছানায় না দেখে খোজাঁখুজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে গুচ্ছগ্রামের প্রত্যক্ষদর্শী নাঈম মিয়া ট্যাংকির কাছে গিয়ে ঐ শিশুটির মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে সদর থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রতন শেখ পিপিএম এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্যাংকির ভেতরে শিশুটির লাশ দেখতে পান। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়। পুলিশ হেফাজতে আনা সন্দেহভাজন চারজনের নিহত শিশুটির পিতা সাব্বিরের হোসেনের সাথে পূর্ববিরোধ থেকেই এই হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে।

এ ব্যাপারে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রতন শেখ পিপিএম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,এই চারজনকে সন্দেহজনক অবস্থায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে আনা হয়েছে। এই ঘটনায় শিশুটির পিতা অবিযোগ দায়ের করলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সুনামগঞ্জের লালপুর গুচ্ছগ্রামে ট্যাংকির ভেতর থেকে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার,সন্দেহভাজন ৪ জন আটক

আপডেট সময় : ০৫:৪৮:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিযনের লালপুর গুচ্ছগ্রামে ৮ মাসের এক শিশুর মরদেহ সেফটি ট্যাংকির ভিতর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্দেহজনক অবস্থায় ৪জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে খবর পেয়ে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রতন শেখ পিপিএম এর নেতৃত্বে এস আই মোহন দাসসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে সেফটি ট্যাংকির ভেতর থেকে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আট মাস বয়সী শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশুটির নাম আমির হামজা(৮ মাস)। সে লালপুর গুচ্ছগ্রামের সাব্বির হোসেনের ছেলে। এই ঘটনায় পুলিশ হেফাজতে নেয়া লালপুর গুচ্ছগ্রামের মৃত নুর মিয়ার ছেলে মণির হোসেন(৩০),আব্দুল জব্বারের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম(৩৭),মণির হোসেনের মা রাবেয়া বেগম(৫৫) ও জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী আফিয়া বেগম(৩৫)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত শিশুটির মা সাবিকুন নাহার সকালে ঘুম থেকে শিশুটিকে তার পিতার কাছে ঘুমে রেখে শ্বশুরবাড়িতে যান।

সকাল ৭টায় শিশুটির পিতা সাব্বির হোসেন ঘুম থেকে উঠে শিশু ছেলেটিকে বিছানায় না দেখে খোজাঁখুজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে গুচ্ছগ্রামের প্রত্যক্ষদর্শী নাঈম মিয়া ট্যাংকির কাছে গিয়ে ঐ শিশুটির মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে সদর থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রতন শেখ পিপিএম এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্যাংকির ভেতরে শিশুটির লাশ দেখতে পান। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়। পুলিশ হেফাজতে আনা সন্দেহভাজন চারজনের নিহত শিশুটির পিতা সাব্বিরের হোসেনের সাথে পূর্ববিরোধ থেকেই এই হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে।

এ ব্যাপারে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রতন শেখ পিপিএম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,এই চারজনকে সন্দেহজনক অবস্থায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে আনা হয়েছে। এই ঘটনায় শিশুটির পিতা অবিযোগ দায়ের করলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।