সোনাদিয়া দ্বীপে ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট নিধন বন্ধ এবং অবৈধ চিংড়ি ঘের উচ্ছেদে হাইকোর্টের নির্দেশ!
- আপডেট সময় : ১১:১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৪ ৩১৭ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলাধীন সোনাদিয়া দ্বীপ ও আশপাশের এলাকায় বিস্তৃত ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট।
১৯৯৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মহেশখালী উপজেলা অন্তর্ভুক্ত কুতুবজোম ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড সোনাদিয়া দ্বীপকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে।
সম্প্রতি এই দ্বীপ ও আশপাশের এলাকা- ঘটিভাংগা, তাজিয়াকাটা ও মহেশখালী পৌরসভার ০৯ নং ওয়ার্ডের হামিদার দিয়া এলাকায় স্থানীয় একাধিক সিন্ডিকেট ও জনপ্রতিনিধির সমন্বয়ে ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট নিধন করে অবৈধ চিংড়ি ঘের তৈরির মহাযজ্ঞ চলছে। এই বিষয়ে প্রথম আলোসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে রিপোর্ট প্রকাশিত হচ্ছে।
কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন দৃশ্যমান পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। এই বিষয়ে আশু ব্যবস্থা নিতে সচিব, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, BEZA, পরিবেশ ও বন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর, জেলা প্রশাসক, কক্সবাজার এবং পুলিশ সুপার, কক্সবাজারসহ ১২ জনকে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছেন।
এক রীট আবেদনের প্রেক্ষিতে ২৩ অক্টোবর বুধবার মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের মাননীয় বিচারপত ফাতেমা নজিব ও মাননীয় বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী-এর সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালত সকল অবৈধ চিংড়ী ঘেড় উচ্ছেদের পাশাপাশি এর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ প্রদান করেছেন।
সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী মো: রহিম উল্লাহ, মহেশখালী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদিন, মহেশখালী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: ইউনুস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম আজিজ সিকদার, সদস্য সিরাজুল মোস্তফা রুবেল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ জন ছাত্রসহ মোট ১২ জন মহেশখালীর বাসিন্দার পক্ষে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টর আইনজীবী মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন রীটটি দায়ের করেন।
রীট আবেদনটি শুনানি করেন সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন।




















