আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে যশোরে মুক্তিযোদ্ধার জমি দখল
- আপডেট সময় : ০৮:৫১:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে
যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের শ্যামনগর গ্রামে আদালত জারিকৃত ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে বীর মুক্তিযোদ্ধার জমি জোরপূর্বক দখল করে ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। এই অভিযোগ উঠেছে জনৈক প্রবাসীর বিরুদ্ধে। জমিতে গেলে মুক্তিযোদ্ধাকে খুন-জখমের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভুগি বীর মুক্তিযোদ্ধা।
এতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটছে মুক্তিযোদ্ধার পরিবার সদস্যদের। এ ঘটনায় ১৪৪ ধারা বহাল থাকলেও পুলিশের ভূমিকা রহস্যজনক বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুল হক।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, যশোর সদর উপজেলার সাজিয়ালী মৌজার ২৪৭ নম্বর দাগে ৩৪ শতক জমির মধ্যে শ্যামনগর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুল হকের নামে ২৯ শতক, একই গ্রামের শহর আলীর নামে অবশিষ্ট ৫ শতক জমি রয়েছে। সামছুল হক দীর্ঘদিন ধরে ওই জমিতে বিভিন্ন গাছ লাগিয়ে ভোগদখলে রয়েছেন। ঐ জমিতে পারিবারিক কবরস্থানসহ বিভিন্ন মূল্যবান গাছপালা বর্তমান। পরে শহর আলী তার নামে থাকা ৪ দশমিক ৮০ শতক জমি একই গ্রামের সোবহানের ছেলে প্রবাসী মানিকের কাছে বিক্রি করেন। জমি ক্রয়ের পর থেকেই মানিক তার কেনা জমির সীমানা অতিক্রম করে সামছুল হকের জমির অংশ দখলের চেষ্টা শুরু করেন।
এ বিষয়ে মামলা হলে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেন, যা বর্তমানে বহাল।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সম্প্রতি মানিক প্রবাস থেকে দেশে ফিরে স্থানীয় কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসী সঙ্গে নিয়ে জমি দখলের চেষ্টা শুরু করেন।
গত ১৯ জুন তিনি কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে জোরপূর্বক মুক্তিযোদ্ধার জমিতে বালু ফেলে ভরাট করে রাতারাতি সেখানে একটি টিনশেড ঘর নির্মাণ করেছেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে মানিক জানান, জমি কেনার সময় দলিলে সীমানা স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। আমি আমার দলিল অনুযায়ী জমিতে বালু ফেলে ভরাট করেছি। সেখানে ঘর নির্মাণ করেছি। এক্ষেত্রে কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হয়নি। আমি কাউকে ভাড়া করিনি।
এ বিষয়ে সাজিয়ালী পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই আব্দুর রউফ জানান, আদালতের নির্দেশে উভয় পক্ষকে শান্তি বজায় রাখতে বলা হয়। তবে রাতের আঁধারে মানিক ওই জমিতে ঘর নির্মাণ করেছেন জেনেছি। বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।



















