ঢাকা ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেশার টাকা চেয়ে বাবা-মাকে মারধরে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার লালপুরে পুলিশ সদস্যসহ ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার ৩ ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত মিছিলের’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে কৃষকদের আস্থার প্রতিক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল ইমরান

গাইবান্ধা আদালত প্রাঙ্গণের প্রধান ফটকে হামলার অভিযোগ, সরকারি বালক বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ট্রেইনারসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:৩০:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ ৫৮ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা জেলা আদালত প্রাঙ্গণের প্রধান ফটকের সামনে হামলার অভিযোগ উঠেছে গাইবান্ধা সরকারি বালক বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ট্রেইনার মো. মিজানুর রহমান মিঠুসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে।

অভিযোগে জানা যায়, গত ১৫ জুলাই ২০২৬ বিকেল প্রায় ৪টার দিকে আদালতের কাজ শেষে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে প্রধান ফটকে পৌঁছালে শহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীর দাবি, মো. মিজানুর রহমান মিঠুসহ কয়েকজন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তার মুখে আঘাত লাগলে একটি দাঁত পড়ে যায় এবং তিনি আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করেন।

ভুক্তভোগী শহিদুল ইসলাম জানান, তাদের ছয় ভাইয়ের সঙ্গে অভিযুক্তদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি ওই মামলার রায় তাদের পক্ষে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বের হওয়ার সময় তার ওপর হামলা চালানো হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

জানা গেছে, ভুক্তভোগী ও অভিযুক্তদের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাখালপুর ইউনিয়নের পাড়-সোনাইডাঙ্গা এলাকায়।

এদিকে অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রধান অভিযুক্ত মো. মিজানুর রহমান মিঠু গাইবান্ধা সরকারি বালক বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ট্রেইনার হিসেবে কর্মরত। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, তিনি শিক্ষা অধিদপ্তরের বিভিন্ন নিয়োগসহ নানা ধরনের দালালির সঙ্গে জড়িত থেকে অবৈধভাবে সম্পদের মালিক হয়েছেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং অভিযুক্তের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

ঘটনার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গাইবান্ধা আদালত প্রাঙ্গণের প্রধান ফটকে হামলার অভিযোগ, সরকারি বালক বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ট্রেইনারসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:৩০:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

গাইবান্ধা জেলা আদালত প্রাঙ্গণের প্রধান ফটকের সামনে হামলার অভিযোগ উঠেছে গাইবান্ধা সরকারি বালক বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ট্রেইনার মো. মিজানুর রহমান মিঠুসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে।

অভিযোগে জানা যায়, গত ১৫ জুলাই ২০২৬ বিকেল প্রায় ৪টার দিকে আদালতের কাজ শেষে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে প্রধান ফটকে পৌঁছালে শহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীর দাবি, মো. মিজানুর রহমান মিঠুসহ কয়েকজন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তার মুখে আঘাত লাগলে একটি দাঁত পড়ে যায় এবং তিনি আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করেন।

ভুক্তভোগী শহিদুল ইসলাম জানান, তাদের ছয় ভাইয়ের সঙ্গে অভিযুক্তদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি ওই মামলার রায় তাদের পক্ষে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বের হওয়ার সময় তার ওপর হামলা চালানো হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

জানা গেছে, ভুক্তভোগী ও অভিযুক্তদের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাখালপুর ইউনিয়নের পাড়-সোনাইডাঙ্গা এলাকায়।

এদিকে অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রধান অভিযুক্ত মো. মিজানুর রহমান মিঠু গাইবান্ধা সরকারি বালক বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ট্রেইনার হিসেবে কর্মরত। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, তিনি শিক্ষা অধিদপ্তরের বিভিন্ন নিয়োগসহ নানা ধরনের দালালির সঙ্গে জড়িত থেকে অবৈধভাবে সম্পদের মালিক হয়েছেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং অভিযুক্তের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

ঘটনার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যরা।