ঢাকা ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

তাদের ত্রিভুজ প্রেমের গল্প

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৫০ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস
কমেডি নির্ভর গল্প থেকে বের হয়ে নির্মাতা সাকিল সৈকত নির্মাণ করলেন ত্রিভুজ প্রেমের গল্পে ‘হাত রেখেছি তোমার হাতে ’ শিরোনামের একটি টেলিছবি। এতে অভিনয় করেছেন মনোজ প্রামাণিক, সালাহ খানম নাদিয়া ও সাইফুল ইসলাম। এ ছাড়া আরও দেখা যাবে শিল্পী সরকার অপু, শিশু শিল্পী অদিতি, আবদুল্লাহ রানা, শেলি আহসান ও মুকুল সিরাজকে। শরিফুজ্জামান সাগরের রচনায় নাটকটি প্রযোজনা করেছে আলোকসজ্জা। গল্পে দেখা যাবে, একটি গ্রাম যেখানে তমা (সালহা খানম নাদিয়া) তার বাবা-মা ও ছোট বোন পারুলকে নিয়ে থাকে। তমার বাবা বেশ রাশভারী লোক। গ্রামে তার প্রচুর সহায়-সম্পত্তি আছে। সেগুলোর তদারকি করেই তার সংসার চলে। অবশ্য এই সম্পত্তির পুরাটা তার একার নয়, অর্ধেকটা তার ভাইয়ের। তবে ভাই-ভাবি মারা যাওয়ার পর অর্ধেক সম্পত্তির মালিক এখন তার ভ্রাতুষ্পুত্র ফারহান। একদিন হঠাৎ কাউকে কিছু না জানিয়ে আমেরিকা থেকে গ্রামের বাড়িতে এসে উপস্থিত হয় ফারহান। ফারহানকে দেখে তমার বাড়ির সবাই অবাক। ফারহান আসায় তমার বাবা একদিকে যেমন খুশি তেমনি মনে মনে কিছুটা আতঙ্কিত এই ভেবে যে ফারহান হয়ত তার বাবার সম্পত্তির ভাগ নিতে এসেছে। তমার বাবার মাথায় এক বুদ্ধি আসে- তমাকে ফারহানের সঙ্গে বিয়ে দিতে পারলে সবদিক রক্ষা হয়। তবে তমা এ প্রস্তাবে রাজি না। তমা এখন করবে কী? এবাবেই নাটকের গল্প এগিয়ে যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তাদের ত্রিভুজ প্রেমের গল্প

আপডেট সময় : ০১:১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩

এফএনএস
কমেডি নির্ভর গল্প থেকে বের হয়ে নির্মাতা সাকিল সৈকত নির্মাণ করলেন ত্রিভুজ প্রেমের গল্পে ‘হাত রেখেছি তোমার হাতে ’ শিরোনামের একটি টেলিছবি। এতে অভিনয় করেছেন মনোজ প্রামাণিক, সালাহ খানম নাদিয়া ও সাইফুল ইসলাম। এ ছাড়া আরও দেখা যাবে শিল্পী সরকার অপু, শিশু শিল্পী অদিতি, আবদুল্লাহ রানা, শেলি আহসান ও মুকুল সিরাজকে। শরিফুজ্জামান সাগরের রচনায় নাটকটি প্রযোজনা করেছে আলোকসজ্জা। গল্পে দেখা যাবে, একটি গ্রাম যেখানে তমা (সালহা খানম নাদিয়া) তার বাবা-মা ও ছোট বোন পারুলকে নিয়ে থাকে। তমার বাবা বেশ রাশভারী লোক। গ্রামে তার প্রচুর সহায়-সম্পত্তি আছে। সেগুলোর তদারকি করেই তার সংসার চলে। অবশ্য এই সম্পত্তির পুরাটা তার একার নয়, অর্ধেকটা তার ভাইয়ের। তবে ভাই-ভাবি মারা যাওয়ার পর অর্ধেক সম্পত্তির মালিক এখন তার ভ্রাতুষ্পুত্র ফারহান। একদিন হঠাৎ কাউকে কিছু না জানিয়ে আমেরিকা থেকে গ্রামের বাড়িতে এসে উপস্থিত হয় ফারহান। ফারহানকে দেখে তমার বাড়ির সবাই অবাক। ফারহান আসায় তমার বাবা একদিকে যেমন খুশি তেমনি মনে মনে কিছুটা আতঙ্কিত এই ভেবে যে ফারহান হয়ত তার বাবার সম্পত্তির ভাগ নিতে এসেছে। তমার বাবার মাথায় এক বুদ্ধি আসে- তমাকে ফারহানের সঙ্গে বিয়ে দিতে পারলে সবদিক রক্ষা হয়। তবে তমা এ প্রস্তাবে রাজি না। তমা এখন করবে কী? এবাবেই নাটকের গল্প এগিয়ে যায়।