নওগাঁর নিয়ামতপুরে সংবাদ প্রচারের পর মিলেছে খাবারের নিশ্চয়তা, কিন্তু ভাঙা ঘর আর অন্ধকারেই কাটছে শতবর্ষী হামেদার জীবন
- আপডেট সময় : ০৬:৩৮:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ৬৫ বার পড়া হয়েছে
নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার ভাবিচা ইউনিয়নের রুদ্রপুর গ্রামের অসহায় শতবর্ষী বৃদ্ধা হামেদার জীবনসংগ্রামের সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এক সহৃদয় ব্যক্তি। সংবাদটি দেখে তিনি হামেদার প্রতি মাসের খাবারের সম্পূর্ণ ব্যয় বহনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ফলে অন্তত দুই বেলা খাবারের নিশ্চয়তা পেয়েছেন এই বৃদ্ধা।
তবে খাবারের ব্যবস্থা হলেও হামেদার জীবনের দুর্ভোগ এখনো কাটেনি। তিনি এখনও বসবাস করছেন একটি জরাজীর্ণ, মাটির তৈরি ভাঙাচোরা ঘরে। ঘরের চালের একাধিক অংশ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি ঘরের ভেতর ও বারান্দায় ঢুকে পড়ে। বর্ষা মৌসুমে এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় তাকে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত সংস্কার না করা হলে যেকোনো সময় ঘরটি ধসে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
এদিকে তীব্র গরমের এই সময়েও হামেদার ঘরে নেই কোনো বিদ্যুৎ সংযোগ। একটি ছোট হাতপাখাই তার গরম থেকে স্বস্তি পাওয়ার একমাত্র ভরসা। রাত নামলেই আধুনিক আলোর পরিবর্তে একটি হারিকেনের ক্ষীণ আলোয় কাটাতে হয় তার দীর্ঘ অন্ধকার রাত।
স্থানীয়দের ভাষ্য, একজন মানবিক মানুষের উদ্যোগে হামেদার খাদ্যসংকট অনেকটাই দূর হয়েছে। এখন সবচেয়ে জরুরি প্রয়োজন একটি নিরাপদ ও বসবাসযোগ্য ঘর এবং বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা।
এলাকাবাসী সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি মানবিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের সামান্য সহযোগিতাই পারে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে সংগ্রামরত এই অসহায় বৃদ্ধাকে একটি নিরাপদ আশ্রয় এবং আলোকিত জীবন উপহার দিতে।
একটি সংবাদ ইতোমধ্যেই একজন অসহায় মানুষের খাদ্যের নিশ্চয়তা এনে দিয়েছে। এখন সময় এসেছে হামেদার মাথার ওপর একটি নিরাপদ ছাদ এবং তার ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌঁছে দেওয়ার।















