ঢাকা ০৭:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

নবীনগরে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ,শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ৯ সদস্যের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৬:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬ ৯৭ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এম আর মজিবের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়ন পরিষদের ভূমি হস্তান্তর করের ৩৫ লাখ টাকা ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে অনাস্থা জানিয়েছেন পরিষদের ৯ জন ইউপি সদস্য।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) প্রতিকার চেয়ে তারা জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন।

অভিযোগকারী ইউপি সদস্যদের দাবি, শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের অনুকূলে ভূমি হস্তান্তর করের ১ শতাংশ হারে পাওয়া ৩৫ লাখ টাকা পরিষদের কোনো সদস্যকে অবহিত না করেই চেয়ারম্যান এম আর মজিব আত্মসাৎ করেছেন। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, নবী নগর শাখার স্টেটমেন্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১২ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে ৯টি ভুয়া প্রকল্পের নামে এই অর্থ ব্যাংক থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। এছাড়া, এসব প্রকল্পের কোনো রেজুলেশন ইউনিয়ন পরিষদে পাস করা হয়নি বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয় ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য লিটন মিয়া জানান, চেয়ারম্যানের অনিয়ম ও দুর্নীতির তালিকা অনেক দীর্ঘ। ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখলেই ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

নিজের বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগকে ‘ষড়যন্ত্র ও সাজানো নাটক’ বলে অভিহিত করেছেন চেয়ারম্যান এম আর মজিব। তিনি দাবি করেন, তার ক্লিন ইমেজ নষ্ট করতেই কুচক্রী মহল এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে। ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি জানান, ভূমি হস্তান্তর করের সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা তোলা হয়েছে এবং সেই প্রকল্পগুলোর কাজ ইতোমধ্যেই সম্পন্ন করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ জানিয়েছেন, তিনি এ বিষয়ে লিখিত আবেদন পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন। তিনি বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পরপরই বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে অবশ্যই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে”।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নবীনগরে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ,শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ৯ সদস্যের

আপডেট সময় : ০৪:১৬:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এম আর মজিবের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়ন পরিষদের ভূমি হস্তান্তর করের ৩৫ লাখ টাকা ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে অনাস্থা জানিয়েছেন পরিষদের ৯ জন ইউপি সদস্য।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) প্রতিকার চেয়ে তারা জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন।

অভিযোগকারী ইউপি সদস্যদের দাবি, শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের অনুকূলে ভূমি হস্তান্তর করের ১ শতাংশ হারে পাওয়া ৩৫ লাখ টাকা পরিষদের কোনো সদস্যকে অবহিত না করেই চেয়ারম্যান এম আর মজিব আত্মসাৎ করেছেন। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, নবী নগর শাখার স্টেটমেন্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১২ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে ৯টি ভুয়া প্রকল্পের নামে এই অর্থ ব্যাংক থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। এছাড়া, এসব প্রকল্পের কোনো রেজুলেশন ইউনিয়ন পরিষদে পাস করা হয়নি বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয় ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য লিটন মিয়া জানান, চেয়ারম্যানের অনিয়ম ও দুর্নীতির তালিকা অনেক দীর্ঘ। ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখলেই ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

নিজের বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগকে ‘ষড়যন্ত্র ও সাজানো নাটক’ বলে অভিহিত করেছেন চেয়ারম্যান এম আর মজিব। তিনি দাবি করেন, তার ক্লিন ইমেজ নষ্ট করতেই কুচক্রী মহল এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে। ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি জানান, ভূমি হস্তান্তর করের সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা তোলা হয়েছে এবং সেই প্রকল্পগুলোর কাজ ইতোমধ্যেই সম্পন্ন করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ জানিয়েছেন, তিনি এ বিষয়ে লিখিত আবেদন পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন। তিনি বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পরপরই বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে অবশ্যই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে”।