ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভূরুঙ্গামারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু অপরাধের গ্রাফ বিগত যেকোন সময়ের চেয়ে নিম্নমুখী; আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনাবাহিনী মোতায়েন রুটিন দায়িত্ব- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাটগ্রামে চারটি গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত পালাতক আসামি গ্রেফতার চান্দিনায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৫ নেতা-কর্মী গ্রেফতার গাইবান্ধায় মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষককে ঘিরে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ, আপত্তিকর অবস্থায় আটকের দাবি; এলাকায় চাঞ্চল্য আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে যশোরে মুক্তিযোদ্ধার জমি দখল ​কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শনে ডিসি, দিলেন একগুচ্ছ নির্দেশনা নবীনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘পার্টনার কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত, আধুনিক কৃষির প্রসারে নতুন দিগন্ত কাপাসিয়ায় ‘পার্টনার কংগ্রেস ২০২৬’ অনুষ্ঠিত: আধুনিক, পুষ্টিসমৃদ্ধ ও টেকসই কৃষির নতুন দিগন্ত হিমাগার ভাড়া কমানোর দাবীতে ঠাকুরগাঁওয়ে আলু চাষিদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

নবীনগরে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ,শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ৯ সদস্যের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৬:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬ ৩৩ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এম আর মজিবের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়ন পরিষদের ভূমি হস্তান্তর করের ৩৫ লাখ টাকা ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে অনাস্থা জানিয়েছেন পরিষদের ৯ জন ইউপি সদস্য।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) প্রতিকার চেয়ে তারা জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন।

অভিযোগকারী ইউপি সদস্যদের দাবি, শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের অনুকূলে ভূমি হস্তান্তর করের ১ শতাংশ হারে পাওয়া ৩৫ লাখ টাকা পরিষদের কোনো সদস্যকে অবহিত না করেই চেয়ারম্যান এম আর মজিব আত্মসাৎ করেছেন। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, নবী নগর শাখার স্টেটমেন্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১২ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে ৯টি ভুয়া প্রকল্পের নামে এই অর্থ ব্যাংক থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। এছাড়া, এসব প্রকল্পের কোনো রেজুলেশন ইউনিয়ন পরিষদে পাস করা হয়নি বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয় ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য লিটন মিয়া জানান, চেয়ারম্যানের অনিয়ম ও দুর্নীতির তালিকা অনেক দীর্ঘ। ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখলেই ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

নিজের বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগকে ‘ষড়যন্ত্র ও সাজানো নাটক’ বলে অভিহিত করেছেন চেয়ারম্যান এম আর মজিব। তিনি দাবি করেন, তার ক্লিন ইমেজ নষ্ট করতেই কুচক্রী মহল এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে। ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি জানান, ভূমি হস্তান্তর করের সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা তোলা হয়েছে এবং সেই প্রকল্পগুলোর কাজ ইতোমধ্যেই সম্পন্ন করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ জানিয়েছেন, তিনি এ বিষয়ে লিখিত আবেদন পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন। তিনি বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পরপরই বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে অবশ্যই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে”।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নবীনগরে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ,শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ৯ সদস্যের

আপডেট সময় : ০৪:১৬:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এম আর মজিবের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়ন পরিষদের ভূমি হস্তান্তর করের ৩৫ লাখ টাকা ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে অনাস্থা জানিয়েছেন পরিষদের ৯ জন ইউপি সদস্য।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) প্রতিকার চেয়ে তারা জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন।

অভিযোগকারী ইউপি সদস্যদের দাবি, শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের অনুকূলে ভূমি হস্তান্তর করের ১ শতাংশ হারে পাওয়া ৩৫ লাখ টাকা পরিষদের কোনো সদস্যকে অবহিত না করেই চেয়ারম্যান এম আর মজিব আত্মসাৎ করেছেন। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, নবী নগর শাখার স্টেটমেন্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১২ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে ৯টি ভুয়া প্রকল্পের নামে এই অর্থ ব্যাংক থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। এছাড়া, এসব প্রকল্পের কোনো রেজুলেশন ইউনিয়ন পরিষদে পাস করা হয়নি বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয় ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য লিটন মিয়া জানান, চেয়ারম্যানের অনিয়ম ও দুর্নীতির তালিকা অনেক দীর্ঘ। ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখলেই ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

নিজের বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগকে ‘ষড়যন্ত্র ও সাজানো নাটক’ বলে অভিহিত করেছেন চেয়ারম্যান এম আর মজিব। তিনি দাবি করেন, তার ক্লিন ইমেজ নষ্ট করতেই কুচক্রী মহল এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে। ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি জানান, ভূমি হস্তান্তর করের সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা তোলা হয়েছে এবং সেই প্রকল্পগুলোর কাজ ইতোমধ্যেই সম্পন্ন করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ জানিয়েছেন, তিনি এ বিষয়ে লিখিত আবেদন পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন। তিনি বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পরপরই বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে অবশ্যই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে”।