মান্দায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অর্ধশতাধিক গাছ কাটার অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৮:২৯:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ৭৪ বার পড়া হয়েছে
নওগাঁর মান্দা উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বিভিন্ন প্রজাতির অর্ধশতাধিক গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে উপজেলার প্রসাদপুর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় উপজেলার কামারকুড়ি গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ সহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে দুইজনের নাম উল্লেখ করে মান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযুক্তরা হলেন একই গ্রামের মৃত আক্তার হামিদ সোনারের ছেলে মতিউর রহমান (৩২) ও দেলোয়ার হোসেন (৩৮)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কামারকুড়ি মৌজার ১৫৯ নম্বর খতিয়ানের ৭৩২ দাগের ২০ শতাংশ জমি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। সহিদুল ইসলামের দাবি, জমিটি ক্রয়ের পর থেকে তিনি ভোগদখলে রয়েছেন এবং সেখানে ইউক্যালিপটাসসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করেন।
তার অভিযোগ, বিবাদীপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে ওই জমির একপাশ দিয়ে জোরপূর্বক রাস্তা বের করার চেষ্টা করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার রাতে তার জমিতে থাকা অন্তত ৫৫টি ইউক্যালিপটাসসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে ফেলা হয়। এর আগেও বিবাদীরা ক্ষতিসাধন এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী আলহাজ সহিদুল ইসলাম বলেন, “বিবাদীরা আমার ক্রয়কৃত জমির দাতা বা গ্রহীতা কেউ নন। তারা অন্যায়ভাবে আমার জমির ওপর দিয়ে রাস্তা নিতে চাইছেন। এতে বাধা দেওয়ায় বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। এর আগেও আমার দোকানঘরের দেয়াল ভেঙে রাস্তা বের করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এবার আমার রোপণ করা গাছ কেটে ফেলেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”
তিনি আরও জানান, এ জমি নিয়ে নওগাঁ আদালতে দায়ের করা চারটি মামলার মধ্যে তিনটিতে তিনি রায় পেয়েছেন এবং একটি মামলা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত মতিউর রহমান বলেন, “গাছ কে বা কারা কেটেছে, তা আমার জানা নেই। জমিটি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। আমরা কোনো গাছ কাটিনি।”
এ বিষয়ে মান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন বলেন, “অভিযোগটি পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।















