ঢাকা ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খালেদা জিয়ার স্মরণে ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন নেশার টাকা চেয়ে বাবা-মাকে মারধরে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার লালপুরে পুলিশ সদস্যসহ ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার ৩ ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত মিছিলের’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

সেভয় আইসক্রিম কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ

মোঃ হামিদুজ্জামান জলিল স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৫:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬ ৬৪ বার পড়া হয়েছে

সেভয় আইসক্রিম কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রতারণা, পাওনা অর্থ আটকে রাখা এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এনে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন কোম্পানির এক পরিবেশক (ডিলার)।

অভিযোগকারী দেবাশীষ দাস যশোর শহরের রেল রোড এলাকার বাসিন্দা। তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন, ২০১৯ সাল থেকে তিনি সেভয় আইসক্রিম কোম্পানির যশোর সদর ও বাঘারপাড়া উপজেলার পরিবেশক হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।

লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে গত ৭ জুন তিনি কোম্পানির জিএম (সেলস) বরাবর আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। পরে সমস্যার সমাধান হওয়ায় ২৪ জুন ওই আবেদন প্রত্যাহারের জন্য পুনরায় লিখিতভাবে জানান। তবে এ বিষয়ে কোম্পানির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত তাকে জানানো হয়নি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ২৫ জুন খুলনা অঞ্চলের আর এস এম জাকারিয়া বিপুল ও এ এস এম আসাদুজ্জামান মিল্টনের নির্দেশে তিনি কোম্পানির হিসাবে ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা জমা দেন এবং জমার প্রমাণ হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান। কিন্তু একই দিন রাতে তাকে একটি চিঠির ছবি পাঠিয়ে জানানো হয়, ২৫ জুন তার ডিলারশিপের কার্যক্রম শেষ হবে এবং ২৬ জুন থেকে তার পরিবেশক কোড বন্ধ করে দেওয়া হবে।

দেবাশীষ দাসের দাবি, যদি ২৫ জুনই তার শেষ কার্যদিবস হয়ে থাকে, তাহলে ওই দিন কেন তার কাছ থেকে ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকার পণ্য ক্রয় করানো হলো। তিনি এটিকে পরিকল্পিত প্রতারণা বলে অভিযোগ করেন।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে কোম্পানির কাছে তার প্রায় ১০ লাখ টাকার পণ্য পাওনা রয়েছে।তিনি আরো জানান তার মার্কেটে প্রায় ৩০ লাখ টাকা বাকিরয়েছে হঠাৎ ডিলারশীপ চলে গেলে এই টাকা আর মার্কেট থেকে তুলতে পারবে না যার কারনে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির হবে। এছাড়া যথাযথ ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে তার পরিবর্তে নতুন পরিবেশক নিয়োগের চেষ্টা চলছে। অভিযোগে আরএসএম ও এএসএমের বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও ক্ষয়ক্ষতির হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ তোলা হয়েছে।

এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সেভয় আইসক্রিম কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

সেভয় আইসক্রিম কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রতারণা, পাওনা অর্থ আটকে রাখা এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এনে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন কোম্পানির এক পরিবেশক (ডিলার)।

অভিযোগকারী দেবাশীষ দাস যশোর শহরের রেল রোড এলাকার বাসিন্দা। তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন, ২০১৯ সাল থেকে তিনি সেভয় আইসক্রিম কোম্পানির যশোর সদর ও বাঘারপাড়া উপজেলার পরিবেশক হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।

লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে গত ৭ জুন তিনি কোম্পানির জিএম (সেলস) বরাবর আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। পরে সমস্যার সমাধান হওয়ায় ২৪ জুন ওই আবেদন প্রত্যাহারের জন্য পুনরায় লিখিতভাবে জানান। তবে এ বিষয়ে কোম্পানির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত তাকে জানানো হয়নি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ২৫ জুন খুলনা অঞ্চলের আর এস এম জাকারিয়া বিপুল ও এ এস এম আসাদুজ্জামান মিল্টনের নির্দেশে তিনি কোম্পানির হিসাবে ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা জমা দেন এবং জমার প্রমাণ হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান। কিন্তু একই দিন রাতে তাকে একটি চিঠির ছবি পাঠিয়ে জানানো হয়, ২৫ জুন তার ডিলারশিপের কার্যক্রম শেষ হবে এবং ২৬ জুন থেকে তার পরিবেশক কোড বন্ধ করে দেওয়া হবে।

দেবাশীষ দাসের দাবি, যদি ২৫ জুনই তার শেষ কার্যদিবস হয়ে থাকে, তাহলে ওই দিন কেন তার কাছ থেকে ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকার পণ্য ক্রয় করানো হলো। তিনি এটিকে পরিকল্পিত প্রতারণা বলে অভিযোগ করেন।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে কোম্পানির কাছে তার প্রায় ১০ লাখ টাকার পণ্য পাওনা রয়েছে।তিনি আরো জানান তার মার্কেটে প্রায় ৩০ লাখ টাকা বাকিরয়েছে হঠাৎ ডিলারশীপ চলে গেলে এই টাকা আর মার্কেট থেকে তুলতে পারবে না যার কারনে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির হবে। এছাড়া যথাযথ ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে তার পরিবর্তে নতুন পরিবেশক নিয়োগের চেষ্টা চলছে। অভিযোগে আরএসএম ও এএসএমের বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও ক্ষয়ক্ষতির হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ তোলা হয়েছে।

এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন তিনি।