ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

আমার কাছে শরীর একটি যন্ত্র: ঋতাভরী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ মে ২০২৩ ১৫৯ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস
জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী। নিপুণ অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের হৃদয়ে পৌঁছে গেছেন অনেক আগেই। টেলিভিশনের মাধ্যমে অভিনয় শুরু করলেও এখন নিয়মিত তিনি চলচ্চিত্র ও বিজ্ঞাপনে। সম্প্রতি তার মুক্তিপ্রতীক্ষিত ‘ফাটাফাটি’ সিনেমার প্রচারে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন। এতে ব্যতিক্রমী একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। সেজন্য ওজন বাড়াতে হয়েছে তাকে। সিনেমায় নিজের অভিনীত চরিত্র সম্পর্কে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ঋতাভরী বলেন, ‘ওজন বাড়ানোর বিষয়টাও কিন্তু সোজা নয়। বেশ সমস্যা হয়েছে। ওটা অনেকের হয়তো স্বাভাবিক ওজন, তবে আমার কিন্তু নয়। যেমন আমার পরিবারে আমার মাসিরই থাইরয়েডের সমস্যার কারণে অনেক ওজন, আমার মাসতুতো দিদিরও ওজন বেশি। তবে আমার তো কখনও সেটা ছিল না। আমার তাই শ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছিল, এনার্জি লেবেল পড়ে গিয়েছিল, তারপর সিঁড়ি দিয়ে ওঠা, মাটিতে বসলে ওঠা, খুব সমস্যা হতো। তবে ওজন না বাড়ালে আবার চরিত্রটা ঠিকভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারতাম না। ওজন বেশি যাদের, তাদের হাঁটাচলা, ওঠাবসা সবই একটু আলাদা হয়। তাই এটা আমায় করতেই হতো। কারণ একজন অভিনেত্রী হিসেবে শরীরটা আমার কাছে একটা যন্ত্রের মতো মনে হয়। কিন্তু এতেই আমি খুশি।’ তিনি আরও বলেন, ‘অস্ত্রোপচারের ফলে আমার পাঁচ-ছয় কেজি ওজন তো বেড়েই ছিল। এটা সবাই জানে। তারপর ‘ফাটাফাটি’ করার জন্য আরও ১৯ কেজি বাড়াই। মোট ২০ কেজি বাড়াতে চেয়েছিলাম। সব মিলিয়ে ২৫ কেজি। ভাবা যায়! এগুলো তো ছিলই, তার ওপর চরিত্রের মতো করে তৈরির করার একটা বিষয় ছিল। আমি ছোট থেকেই খুব আত্মবিশ্বাস নিয়েই বড় হয়েছি। কিন্তু সিনেমার চরিত্র ফুল্লরার ক্ষেত্রে সেটা নয়। মুটকি, ঢেপসি, হাতি, এসব শব্দ শুনে বড় হয়েছে ফুল্লরা। তাই ওর এত আত্মবিশ্বাস নেই। পরে ধীরে ধীরে ও কীভাবে নিজেকে তৈরি করেছে, আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে, সেটা এই সিনেমায় রয়েছে। আমাকেও ওই চরিত্রের মধ্যে ঢুকেই সে সময়টা কাটাতে হয়েছে। পুরোপুরি নিজেকে চরিত্রের জন্য তৈরি করতে হয়েছে।’ প্রসঙ্গত, শুক্রবার ১২ মে মুক্তি পাচ্ছে ঋতাভরী-আবির জুটির ‘ফাটাফাটি’। এতে আরও অভিনয় করেছেন সোমা চক্রবর্তী, স্বস্তিকা দত্ত। এটি পরিচালনা করেছেন অরিত্র মুখোপাধ্যায়। সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আমার কাছে শরীর একটি যন্ত্র: ঋতাভরী

আপডেট সময় : ০২:৪৪:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ মে ২০২৩

এফএনএস
জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী। নিপুণ অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের হৃদয়ে পৌঁছে গেছেন অনেক আগেই। টেলিভিশনের মাধ্যমে অভিনয় শুরু করলেও এখন নিয়মিত তিনি চলচ্চিত্র ও বিজ্ঞাপনে। সম্প্রতি তার মুক্তিপ্রতীক্ষিত ‘ফাটাফাটি’ সিনেমার প্রচারে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন। এতে ব্যতিক্রমী একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। সেজন্য ওজন বাড়াতে হয়েছে তাকে। সিনেমায় নিজের অভিনীত চরিত্র সম্পর্কে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ঋতাভরী বলেন, ‘ওজন বাড়ানোর বিষয়টাও কিন্তু সোজা নয়। বেশ সমস্যা হয়েছে। ওটা অনেকের হয়তো স্বাভাবিক ওজন, তবে আমার কিন্তু নয়। যেমন আমার পরিবারে আমার মাসিরই থাইরয়েডের সমস্যার কারণে অনেক ওজন, আমার মাসতুতো দিদিরও ওজন বেশি। তবে আমার তো কখনও সেটা ছিল না। আমার তাই শ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছিল, এনার্জি লেবেল পড়ে গিয়েছিল, তারপর সিঁড়ি দিয়ে ওঠা, মাটিতে বসলে ওঠা, খুব সমস্যা হতো। তবে ওজন না বাড়ালে আবার চরিত্রটা ঠিকভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারতাম না। ওজন বেশি যাদের, তাদের হাঁটাচলা, ওঠাবসা সবই একটু আলাদা হয়। তাই এটা আমায় করতেই হতো। কারণ একজন অভিনেত্রী হিসেবে শরীরটা আমার কাছে একটা যন্ত্রের মতো মনে হয়। কিন্তু এতেই আমি খুশি।’ তিনি আরও বলেন, ‘অস্ত্রোপচারের ফলে আমার পাঁচ-ছয় কেজি ওজন তো বেড়েই ছিল। এটা সবাই জানে। তারপর ‘ফাটাফাটি’ করার জন্য আরও ১৯ কেজি বাড়াই। মোট ২০ কেজি বাড়াতে চেয়েছিলাম। সব মিলিয়ে ২৫ কেজি। ভাবা যায়! এগুলো তো ছিলই, তার ওপর চরিত্রের মতো করে তৈরির করার একটা বিষয় ছিল। আমি ছোট থেকেই খুব আত্মবিশ্বাস নিয়েই বড় হয়েছি। কিন্তু সিনেমার চরিত্র ফুল্লরার ক্ষেত্রে সেটা নয়। মুটকি, ঢেপসি, হাতি, এসব শব্দ শুনে বড় হয়েছে ফুল্লরা। তাই ওর এত আত্মবিশ্বাস নেই। পরে ধীরে ধীরে ও কীভাবে নিজেকে তৈরি করেছে, আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে, সেটা এই সিনেমায় রয়েছে। আমাকেও ওই চরিত্রের মধ্যে ঢুকেই সে সময়টা কাটাতে হয়েছে। পুরোপুরি নিজেকে চরিত্রের জন্য তৈরি করতে হয়েছে।’ প্রসঙ্গত, শুক্রবার ১২ মে মুক্তি পাচ্ছে ঋতাভরী-আবির জুটির ‘ফাটাফাটি’। এতে আরও অভিনয় করেছেন সোমা চক্রবর্তী, স্বস্তিকা দত্ত। এটি পরিচালনা করেছেন অরিত্র মুখোপাধ্যায়। সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস