ঢাকা ০৮:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খালেদা জিয়ার স্মরণে ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন নেশার টাকা চেয়ে বাবা-মাকে মারধরে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার লালপুরে পুলিশ সদস্যসহ ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার ৩ ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত মিছিলের’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

কিট সঙ্কটের সুযোগ নিচ্ছে বেসরকারি ল্যাব-ক্লিনিক-আনোয়ারায় হাসপাতালে ডেঙ্গুর কিট সংকটে বন্ধ রক্তের প্লাটিলেট পরীক্ষা

মোঃ জাবেদুল ইসলাম,আনোয়ারা
  • আপডেট সময় : ১২:০৮:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৪ ৩০৮ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। প্রতিদিন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। হাসপাতালে ডেঙ্গু কর্নার খোলা হলেও কিট সংকটে বন্ধ রয়েছে রক্তের প্লাটিলেট পরীক্ষা। কিট সংকটকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো।

রোববার আনোয়ারা হাসপাতাল ঘুরে রোগীর স্বজনদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, ডেঙ্গুর বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ হাসপাতালে আসছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ডেঙ্গু আক্রান্তদের চিকিৎসক প্রতিদিন রক্তের প্লাটিলেট পরীক্ষা জন্য দিলেও হাসপাতালে কিট সংকটে রক্ত পরীক্ষা বন্ধ থাকায় রোগীদের ছুটতে হচ্ছে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। সেখানে গুনতে হয় ৪০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, গত ( ১৫ নভেম্বর) পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয় ১৫ জন রোগী । যার মধ্যে ১২ জন চিকিৎসা শেষে বাড়ি চলে যান । এছাড়াও বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে ৫০ শয্যার হাসপাতালে ৭০ থেকে ৯০ জন পর্যন্ত রোগী ভর্তি হয় । বহির্বিভাগে প্রতিদিন ৫‌ শতাধিক মানুষ সেবা নিতে আসে ।

রোগী ও রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, ভর্তির পর থেকে দুই একটি স্যালাইন ছাড়া আর কিছুই পাচ্ছেন না তারা। নেই কোন বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা। হাসপাতালে চারপাশে ঝোপঝাড় মশার বাসা। প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাবার কিনে আনতে হচ্ছে বাহির থেকে। আবার জায়গা অভাবে অনেককে বারান্দায় কিংবা মেঝেতে থাকতে হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ল্যাব টেকনোলজিস্ট প্রদীপ দাশ জানান, গড়ে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৫ থেকে ২০ জন ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে আসে। ডেঙ্গু পরীক্ষা হলেও কিট সংকটে বন্ধ রয়েছে রক্তের প্লাটিলেট পরীক্ষা। বার্ষিক বাজেটের পর ডেঙ্গুর প্লাটিলেট কাউন্টার যন্ত্র আসায় ওটার জন্য কোন বাজেট বরাদ্দ ছিলো না ।

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স শর্মী বড়ুয়া বলেন,‌ ডেঙ্গু রোগীদের জন্য ডেঙ্গু কর্ণার রয়েছে । হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষা করানো হলেও আমাদের এখানে রক্তের প্লাটিলেট পরীক্ষা বন্ধ থাকায় বাইরে থেকে করানোর পরামর্শ দিয়ে থাকি। এছাড়া রোগীদের যাবতীয় চিকিৎসা আমাদের এখানে দেওয়া হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমি সদ্য যোগদান করেছি। বিভিন্ন বিষয়ে দেখছি। সমস্যা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কিট সঙ্কটের সুযোগ নিচ্ছে বেসরকারি ল্যাব-ক্লিনিক-আনোয়ারায় হাসপাতালে ডেঙ্গুর কিট সংকটে বন্ধ রক্তের প্লাটিলেট পরীক্ষা

আপডেট সময় : ১২:০৮:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৪

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। প্রতিদিন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। হাসপাতালে ডেঙ্গু কর্নার খোলা হলেও কিট সংকটে বন্ধ রয়েছে রক্তের প্লাটিলেট পরীক্ষা। কিট সংকটকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো।

রোববার আনোয়ারা হাসপাতাল ঘুরে রোগীর স্বজনদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, ডেঙ্গুর বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ হাসপাতালে আসছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ডেঙ্গু আক্রান্তদের চিকিৎসক প্রতিদিন রক্তের প্লাটিলেট পরীক্ষা জন্য দিলেও হাসপাতালে কিট সংকটে রক্ত পরীক্ষা বন্ধ থাকায় রোগীদের ছুটতে হচ্ছে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। সেখানে গুনতে হয় ৪০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, গত ( ১৫ নভেম্বর) পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয় ১৫ জন রোগী । যার মধ্যে ১২ জন চিকিৎসা শেষে বাড়ি চলে যান । এছাড়াও বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে ৫০ শয্যার হাসপাতালে ৭০ থেকে ৯০ জন পর্যন্ত রোগী ভর্তি হয় । বহির্বিভাগে প্রতিদিন ৫‌ শতাধিক মানুষ সেবা নিতে আসে ।

রোগী ও রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, ভর্তির পর থেকে দুই একটি স্যালাইন ছাড়া আর কিছুই পাচ্ছেন না তারা। নেই কোন বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা। হাসপাতালে চারপাশে ঝোপঝাড় মশার বাসা। প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাবার কিনে আনতে হচ্ছে বাহির থেকে। আবার জায়গা অভাবে অনেককে বারান্দায় কিংবা মেঝেতে থাকতে হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ল্যাব টেকনোলজিস্ট প্রদীপ দাশ জানান, গড়ে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৫ থেকে ২০ জন ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে আসে। ডেঙ্গু পরীক্ষা হলেও কিট সংকটে বন্ধ রয়েছে রক্তের প্লাটিলেট পরীক্ষা। বার্ষিক বাজেটের পর ডেঙ্গুর প্লাটিলেট কাউন্টার যন্ত্র আসায় ওটার জন্য কোন বাজেট বরাদ্দ ছিলো না ।

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স শর্মী বড়ুয়া বলেন,‌ ডেঙ্গু রোগীদের জন্য ডেঙ্গু কর্ণার রয়েছে । হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষা করানো হলেও আমাদের এখানে রক্তের প্লাটিলেট পরীক্ষা বন্ধ থাকায় বাইরে থেকে করানোর পরামর্শ দিয়ে থাকি। এছাড়া রোগীদের যাবতীয় চিকিৎসা আমাদের এখানে দেওয়া হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমি সদ্য যোগদান করেছি। বিভিন্ন বিষয়ে দেখছি। সমস্যা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।