ঢাকা ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেশার টাকা চেয়ে বাবা-মাকে মারধরে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার লালপুরে পুলিশ সদস্যসহ ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার ৩ ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত মিছিলের’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে কৃষকদের আস্থার প্রতিক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল ইমরান

নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলায় শিক্ষার্থীদের নাচের ভিডিও প্রকাশে অনুমতির দাবি শিক্ষক বিলাসের, প্রধান শিক্ষক বললেন—‘আমি কিছুই জানি না

মোঃ মমিন আলী নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:০৮:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ৮৩ বার পড়া হয়েছে

নওগাঁর বাসুদেবপুর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর নাচের ভিডিও ধারণ করে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে প্রকাশ করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিলাস আলী। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে এলাকাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর নাচের ভিডিও শিক্ষক বিলাস আলী নিজেই ধারণ করেন। পরে তিনি সেই ভিডিও নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে শিক্ষক বিলাস আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা তারই শিক্ষার্থী। তাই তাদের ভিডিও তিনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে প্রকাশ করতে পারেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে শিক্ষার্থীদের নাচ-গানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের অনুমতি দিয়েছে।

তবে এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য ভিন্ন। প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের নাচ-গানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। এমনকি শিক্ষক বিলাস আলীকে এ ধরনের ভিডিও প্রকাশের কোনো অনুমতিও তিনি দেননি বলে জানান।

শিক্ষক বিলাস আলীর দাবি এবং প্রধান শিক্ষকের বক্তব্যে স্পষ্ট অসঙ্গতি দেখা দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। যদি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি না থাকে, তাহলে কোন ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের ভিডিও ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে প্রকাশ করা হয়েছে—তা নিয়েও জনমনে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের গোপনীয়তা, নিরাপত্তা এবং অভিভাবকদের সম্মতির বিষয়টিও সামনে এসেছে। সচেতন মহলের দাবি, এ ঘটনায় প্রকৃত তথ্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা এবং প্রয়োজনে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।

বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি প্রশ্ন—শিক্ষার্থীদের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের অনুমতি প্রকৃতপক্ষে কে দিয়েছিলেন, নাকি আদৌ কোনো আনুষ্ঠানিক অনুমতি ছিল না?

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলায় শিক্ষার্থীদের নাচের ভিডিও প্রকাশে অনুমতির দাবি শিক্ষক বিলাসের, প্রধান শিক্ষক বললেন—‘আমি কিছুই জানি না

আপডেট সময় : ০৫:০৮:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

নওগাঁর বাসুদেবপুর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর নাচের ভিডিও ধারণ করে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে প্রকাশ করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিলাস আলী। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে এলাকাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর নাচের ভিডিও শিক্ষক বিলাস আলী নিজেই ধারণ করেন। পরে তিনি সেই ভিডিও নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে শিক্ষক বিলাস আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা তারই শিক্ষার্থী। তাই তাদের ভিডিও তিনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে প্রকাশ করতে পারেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে শিক্ষার্থীদের নাচ-গানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের অনুমতি দিয়েছে।

তবে এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য ভিন্ন। প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের নাচ-গানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। এমনকি শিক্ষক বিলাস আলীকে এ ধরনের ভিডিও প্রকাশের কোনো অনুমতিও তিনি দেননি বলে জানান।

শিক্ষক বিলাস আলীর দাবি এবং প্রধান শিক্ষকের বক্তব্যে স্পষ্ট অসঙ্গতি দেখা দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। যদি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি না থাকে, তাহলে কোন ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের ভিডিও ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে প্রকাশ করা হয়েছে—তা নিয়েও জনমনে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের গোপনীয়তা, নিরাপত্তা এবং অভিভাবকদের সম্মতির বিষয়টিও সামনে এসেছে। সচেতন মহলের দাবি, এ ঘটনায় প্রকৃত তথ্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা এবং প্রয়োজনে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।

বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি প্রশ্ন—শিক্ষার্থীদের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের অনুমতি প্রকৃতপক্ষে কে দিয়েছিলেন, নাকি আদৌ কোনো আনুষ্ঠানিক অনুমতি ছিল না?