যমুনার ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
- আপডেট সময় : ০৬:৩৩:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ ৫৭ বার পড়া হয়েছে
টাঙ্গাইল-৫ সদর আসন থেকে নির্বাচিত সাংসদ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজ বিকেলে টাঙ্গাইল-ভূঞাপুর-তারাকান্দি আঞ্চলিক জেলা মহাসড়কের যমুনা ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
শুক্রবার (২৪ জুলাই ) টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের নলিন ও গোপালপুরের শাখারিয়া এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি অবলোকন করে বক্তব্য প্রদান করেন।
প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, ভূঞাপুর-তারাকান্দি আঞ্চলিক সড়কের শাখারিয়া ভাঙনরোধে সার্বক্ষণিক তদারকি করেছেন আমার বড় ভাই সাবেক শিক্ষা-উপমন্ত্রী বর্তমান সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু। দ্রুত সময়ের মধ্যে জিও ব্যাগ ও টিউব জিওব্যাগ ডাম্পিং করার ফলে ভাঙনরোধ সম্ভব হয়েছে।এখানে এ পর্যন্ত প্রায় ২৫ হাজার জিওব্যাগ ফেলা হয়েছে। বেরিবাঁধ নির্মাণের জন্য আমরা কাজও করছি। ভূঞাপুর থেকে টাঙ্গাইল হয়ে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত এ পাশে আর যেন ভাঙন না হয় সেজন্যে একটি স্থায়ী বেরিবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে। নদীর নাব্যতা ঠিক থাকলেই নদীর গতিপথ ঠিক থাকবে। আর যদি নদীর নাব্যতা ঠিক না থাকে তাহলেই নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে ভাঙন কবলিত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাবে।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, বিগত আমলে স্বৈরাচারি যারা সরকার ছিল তাদের লুটপাট ও দুর্নীতির কারণে এ দেশের জনগণ তাদেরকে আন্দোলনের মাধ্যমে বিতারিত করেছে। কাজেই তাদের অনিয়মের বিষয়ে অবশ্যই তদন্ত হবে এবং সামনে আরও পরিকল্পতিভাবে মজবুত বেরিবাঁধ নির্মাণ করতে পারি সে ব্যাপারে এগোচ্ছি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-২(গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু, গোপালপুরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার মঞ্জুরুল ইসলাম, ভূঞাপুরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মাহবুব হাসান, টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মাঈন উদ্দিন, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোপালপুর সার্কেল) ফৌজিয়া হাবীব খান, ভূঞাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম রেজাউল করিম, গোপালপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমীন, গোপালপু উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম রুবেল, ভূঞাপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিমুজ্জামান তালুকদার সেলু, গোপালপুর পৌর বিএনপির সভাপতি খালিদ হোসেন উথান, গোপালপুর ভূঞাপুর উপজেলার বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ, সংবাদকর্মীসহ অন্যান্য জনসাধারণ ।















