ঢাকা ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেশার টাকা চেয়ে বাবা-মাকে মারধরে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার লালপুরে পুলিশ সদস্যসহ ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার ৩ ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত মিছিলের’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে কৃষকদের আস্থার প্রতিক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল ইমরান

৫০ শয্যার হাসপাতালে রোগীর চাপ: পোরশায় ফ্লোরে চলছে চিকিৎসা, দ্রুত ১০০ শয্যায় উন্নীত করার আশ্বাস

মোঃ মমিন আলী, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৭:২৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ৬০ বার পড়া হয়েছে

নওগাঁর পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শয্যা সংকটের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন রোগীরা। ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে প্রতিদিন ধারণক্ষমতার প্রায় দ্বিগুণ রোগী ভর্তি হওয়ায় অনেককে বাধ্য হয়ে মেঝে বা ফ্লোরে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এতে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি রোগী ও তাদের স্বজনদের দুর্ভোগও বেড়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, পোরশা উপজেলাসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকার হাজার হাজার মানুষের চিকিৎসার প্রধান ভরসা এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সম্প্রতি সর্দি-জ্বর, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন মৌসুমি রোগের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা হঠাৎ করেই বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে নির্ধারিত শয্যা পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় পুরুষ, নারী ও শিশু ওয়ার্ডের বারান্দা এবং ফ্লোরে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে অনেক রোগীকে।

ফ্লোরে চিকিৎসাধীন একাধিক রোগীর স্বজন জানান, হাসপাতালে কোনো বেড খালি না থাকায় বাধ্য হয়ে মেঝেতে থেকেই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। গরম, গাদাগাদি পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার অভাবে রোগীদের কষ্ট আরও বেড়ে যাচ্ছে। তবুও বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়েই তারা হাসপাতালে অবস্থান করছেন।

এ বিষয়ে পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. কামাল উদ্দীন বলেন, “হাসপাতালে প্রতিনিয়ত রোগীর চাপ বাড়ছে। এ কারণে অনেক রোগীকে ফ্লোরে স্থান দিয়ে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। তবে এ সংকট দীর্ঘদিন থাকবে না। হাসপাতালটিকে দ্রুত ১০০ শয্যায় উন্নীত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে শয্যা সংকট দূর হবে এবং সাধারণ মানুষ আরও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাবেন।”

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত হাসপাতালটি ১০০ শয্যায় উন্নীত করার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে রোগীদের মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নেওয়ার দুর্ভোগ কমবে এবং স্বাস্থ্যসেবার মানও উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

৫০ শয্যার হাসপাতালে রোগীর চাপ: পোরশায় ফ্লোরে চলছে চিকিৎসা, দ্রুত ১০০ শয্যায় উন্নীত করার আশ্বাস

আপডেট সময় : ০৭:২৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

নওগাঁর পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শয্যা সংকটের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন রোগীরা। ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে প্রতিদিন ধারণক্ষমতার প্রায় দ্বিগুণ রোগী ভর্তি হওয়ায় অনেককে বাধ্য হয়ে মেঝে বা ফ্লোরে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এতে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি রোগী ও তাদের স্বজনদের দুর্ভোগও বেড়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, পোরশা উপজেলাসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকার হাজার হাজার মানুষের চিকিৎসার প্রধান ভরসা এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সম্প্রতি সর্দি-জ্বর, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন মৌসুমি রোগের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা হঠাৎ করেই বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে নির্ধারিত শয্যা পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় পুরুষ, নারী ও শিশু ওয়ার্ডের বারান্দা এবং ফ্লোরে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে অনেক রোগীকে।

ফ্লোরে চিকিৎসাধীন একাধিক রোগীর স্বজন জানান, হাসপাতালে কোনো বেড খালি না থাকায় বাধ্য হয়ে মেঝেতে থেকেই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। গরম, গাদাগাদি পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার অভাবে রোগীদের কষ্ট আরও বেড়ে যাচ্ছে। তবুও বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়েই তারা হাসপাতালে অবস্থান করছেন।

এ বিষয়ে পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. কামাল উদ্দীন বলেন, “হাসপাতালে প্রতিনিয়ত রোগীর চাপ বাড়ছে। এ কারণে অনেক রোগীকে ফ্লোরে স্থান দিয়ে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। তবে এ সংকট দীর্ঘদিন থাকবে না। হাসপাতালটিকে দ্রুত ১০০ শয্যায় উন্নীত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে শয্যা সংকট দূর হবে এবং সাধারণ মানুষ আরও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাবেন।”

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত হাসপাতালটি ১০০ শয্যায় উন্নীত করার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে রোগীদের মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নেওয়ার দুর্ভোগ কমবে এবং স্বাস্থ্যসেবার মানও উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে।