ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেশার টাকা চেয়ে বাবা-মাকে মারধরে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার লালপুরে পুলিশ সদস্যসহ ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার ৩ ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত মিছিলের’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে কৃষকদের আস্থার প্রতিক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল ইমরান

উপজেলা সদর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি

আহমদ রেজা, চট্টগ্রাম বিশেষ প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৫:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ ৫৫ বার পড়া হয়েছে

উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলার সদর দপ্তর ভৌগোলিকভাবে যৌক্তিক ও সবার জন্য সহজগম্য স্থানে স্থাপনের দাবিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন চার ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ।

সোমবার (২০ জুলাই) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে নবগঠিত উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলার অন্তর্ভুক্ত পাঁচটি ইউনিয়নের কয়েকশত মানুষ অংশ নেন। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেন, উপজেলা সদর নির্ধারণে ভৌগোলিক বাস্তবতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সাধারণ মানুষের সুবিধাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

আন্দোলনকারীদের সূত্রে জানা যায়, নবগঠিত উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলা মূলত ভূজপুর, দাঁতমারা, নারায়ণহাট ও হারুয়ালছড়ি—এই চার ইউনিয়নকে কেন্দ্র করে গঠিত। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর দাবি ছিল, চার ইউনিয়নের ভৌগোলিক মধ্যবর্তী ও সহজ যোগাযোগসমৃদ্ধ কোনো স্থানে উপজেলা সদর দপ্তর স্থাপন করা হলে সব এলাকার মানুষ সমানভাবে প্রশাসনিক সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

তবে আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও ভৌগোলিক বাস্তবতা উপেক্ষা করে এককভাবে ভূজপুরে উপজেলা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এতে চার ইউনিয়নের বৃহৎ জনগোষ্ঠী প্রশাসনিক সেবা গ্রহণে অতিরিক্ত দূরত্ব অতিক্রম করতে বাধ্য হচ্ছেন এবং নানামুখী ভোগান্তির সম্মুখীন হচ্ছেন।

অবস্থান কর্মসূচি থেকে আন্দোলনকারীরা কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে—উপজেলা সদর নির্ধারণে চার ইউনিয়নের দূরত্ব ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সমতা নিশ্চিত করা, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা এবং স্থানীয় জনগণের মতামতের ভিত্তিতে উপজেলা সদর দপ্তরকে একটি কেন্দ্রীয় ও সুবিধাজনক স্থানে স্থানান্তর করা।

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে জনস্বার্থে দ্রুত বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

উপজেলা সদর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি

আপডেট সময় : ০৭:৫৫:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলার সদর দপ্তর ভৌগোলিকভাবে যৌক্তিক ও সবার জন্য সহজগম্য স্থানে স্থাপনের দাবিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন চার ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ।

সোমবার (২০ জুলাই) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে নবগঠিত উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলার অন্তর্ভুক্ত পাঁচটি ইউনিয়নের কয়েকশত মানুষ অংশ নেন। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেন, উপজেলা সদর নির্ধারণে ভৌগোলিক বাস্তবতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সাধারণ মানুষের সুবিধাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

আন্দোলনকারীদের সূত্রে জানা যায়, নবগঠিত উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলা মূলত ভূজপুর, দাঁতমারা, নারায়ণহাট ও হারুয়ালছড়ি—এই চার ইউনিয়নকে কেন্দ্র করে গঠিত। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর দাবি ছিল, চার ইউনিয়নের ভৌগোলিক মধ্যবর্তী ও সহজ যোগাযোগসমৃদ্ধ কোনো স্থানে উপজেলা সদর দপ্তর স্থাপন করা হলে সব এলাকার মানুষ সমানভাবে প্রশাসনিক সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

তবে আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও ভৌগোলিক বাস্তবতা উপেক্ষা করে এককভাবে ভূজপুরে উপজেলা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এতে চার ইউনিয়নের বৃহৎ জনগোষ্ঠী প্রশাসনিক সেবা গ্রহণে অতিরিক্ত দূরত্ব অতিক্রম করতে বাধ্য হচ্ছেন এবং নানামুখী ভোগান্তির সম্মুখীন হচ্ছেন।

অবস্থান কর্মসূচি থেকে আন্দোলনকারীরা কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে—উপজেলা সদর নির্ধারণে চার ইউনিয়নের দূরত্ব ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সমতা নিশ্চিত করা, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা এবং স্থানীয় জনগণের মতামতের ভিত্তিতে উপজেলা সদর দপ্তরকে একটি কেন্দ্রীয় ও সুবিধাজনক স্থানে স্থানান্তর করা।

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে জনস্বার্থে দ্রুত বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।