ঢাকা ০১:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেশার টাকা চেয়ে বাবা-মাকে মারধরে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার লালপুরে পুলিশ সদস্যসহ ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার ৩ ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত মিছিলের’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে কৃষকদের আস্থার প্রতিক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল ইমরান

উলিপুর, চিলমারী ও রাজারহাটে উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী

স্টাফ রিপোর্টার মোঃ আব্দুল আজিজ মিয়া
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ৫৬ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামের উলিপুর, চিলমারী ও রাজারহাট উপজেলায় বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী। পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক, সেতু, কালভার্ট, বাজার সংযোগ সড়কসহ চলমান অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সরেজমিনে ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত নকশা ও মানদণ্ড অনুযায়ী বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না, নির্মাণসামগ্রীর গুণগত মান, কাজের অগ্রগতি এবং নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণ করা হচ্ছে কি না—তা যাচাই করা।

স্থানীয়দের ভাষ্য, জেলা সদর থেকে উলিপুর, চিলমারী ও রাজারহাট উপজেলার যোগাযোগব্যবস্থা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক, চিকিৎসক, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, কৃষক ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জরুরি চিকিৎসাসেবা, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও এসব সড়ক, সেতু ও কালভার্টের ওপর নির্ভরশীলতা অনেক বেশি।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, “সরকার আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা সততা, নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে পালনের চেষ্টা করছি। জনগণের অর্থে বাস্তবায়িত প্রতিটি প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন করছি। কোনো ধরনের অনিয়ম বা নিম্নমানের কাজের সুযোগ নেই। যত কষ্ট বা চ্যালেঞ্জই থাকুক, উন্নয়নের কাজ সরেজমিনে তদারকি অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে প্রকল্পের মান বজায় থাকে এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়নের ফলে কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত, স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে। তবে সীমান্ত ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে আরও নতুন সড়ক, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানান তারা।

উন্নয়ন সংশ্লিষ্টদের মতে, মাঠপর্যায়ে নিয়মিত পরিদর্শন ও কঠোর তদারকির মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং নির্মাণকাজের গুণগত মান আরও নিশ্চিত হবে। এতে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের সুফল দ্রুত সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

উলিপুর, চিলমারী ও রাজারহাটে উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী

আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

কুড়িগ্রামের উলিপুর, চিলমারী ও রাজারহাট উপজেলায় বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী। পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক, সেতু, কালভার্ট, বাজার সংযোগ সড়কসহ চলমান অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সরেজমিনে ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত নকশা ও মানদণ্ড অনুযায়ী বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না, নির্মাণসামগ্রীর গুণগত মান, কাজের অগ্রগতি এবং নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণ করা হচ্ছে কি না—তা যাচাই করা।

স্থানীয়দের ভাষ্য, জেলা সদর থেকে উলিপুর, চিলমারী ও রাজারহাট উপজেলার যোগাযোগব্যবস্থা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক, চিকিৎসক, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, কৃষক ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জরুরি চিকিৎসাসেবা, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও এসব সড়ক, সেতু ও কালভার্টের ওপর নির্ভরশীলতা অনেক বেশি।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, “সরকার আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা সততা, নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে পালনের চেষ্টা করছি। জনগণের অর্থে বাস্তবায়িত প্রতিটি প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন করছি। কোনো ধরনের অনিয়ম বা নিম্নমানের কাজের সুযোগ নেই। যত কষ্ট বা চ্যালেঞ্জই থাকুক, উন্নয়নের কাজ সরেজমিনে তদারকি অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে প্রকল্পের মান বজায় থাকে এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়নের ফলে কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত, স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে। তবে সীমান্ত ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে আরও নতুন সড়ক, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানান তারা।

উন্নয়ন সংশ্লিষ্টদের মতে, মাঠপর্যায়ে নিয়মিত পরিদর্শন ও কঠোর তদারকির মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং নির্মাণকাজের গুণগত মান আরও নিশ্চিত হবে। এতে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের সুফল দ্রুত সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে।