কুমিল্লা দেবিদ্বারে উন্নয়ন ও জনসেবার প্রত্যয়ে ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আবুল কাশেম বেপারী
- আপডেট সময় : ০৭:৪৮:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে
আসন্ন দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। এ আলোচনায় অন্যতম নাম হিসেবে উঠে এসেছে বড়শালঘর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল কাশেম বেপারীর নাম।
দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক, মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত আবুল কাশেম বেপারী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষা, সমাজসেবা ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার কারণে স্থানীয়দের কাছে তিনি একজন পরিচিত ও আস্থাভাজন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
বড়শালঘর ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া এলাকার আলিম উদ্দিন বেপারী বাড়ির সন্তান আবুল কাশেম বেপারী। তিনি সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুল বারিক ছেলে। কলেজজীবনে দেবিদ্বার সুজাত আলী সরকারি কলেজে অধ্যয়নকাল থেকেই নেতৃত্বগুণ, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি নিজস্ব একটি অবস্থান তৈরি করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একজন সৎ, ভদ্র ও জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে আবুল কাশেম বেপারীর গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ভোটারদের মধ্যেও তাকে নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, মানুষের সমস্যার কথা শোনা এবং জনকল্যাণে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাকে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে একজন শক্তিশালী সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হবে। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে আবুল কাশেম বেপারীর সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, জনসম্পৃক্ততা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা তাকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।
এদিকে বড়শালঘর ইউনিয়নসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষের একটি অংশ মনে করছেন, উপজেলা পর্যায়ে কার্যকর ও জনমুখী নেতৃত্ব গড়ে তুলতে আবুল কাশেম বেপারী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। ফলে নির্বাচনকে ঘিরে তাকে নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও প্রত্যাশা ক্রমেই বাড়ছে।
এ বিষয়ে আবুল কাশেম বেপারী বলেন, “আমি সবসময় মানুষের পাশে থেকে কাজ করার চেষ্টা করেছি। জনগণ যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন এবং দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ দেন, তাহলে উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, সুশাসন ও জনকল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখব। মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থনই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।”




















