ঢাকা ১১:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেশার টাকা চেয়ে বাবা-মাকে মারধরে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার লালপুরে পুলিশ সদস্যসহ ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার ৩ ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত মিছিলের’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে কৃষকদের আস্থার প্রতিক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল ইমরান

চট্টগ্রামের বাজারে ১৫৫ কেজির বিশাল কোরাল, দেখতে উৎসুক জনতার ভিড়

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম:
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৯:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ৫৮ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম নগরীর কাজীর দেউড়ি মাছ বাজারে বিক্রির জন্য আনা হয়েছে ১৫৫ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির একটি কোরাল মাছ। সচরাচর এত বড় কোরাল মাছ দেখা না যাওয়ায় সেটি দেখতে বাজারে ভিড় করছেন ক্রেতা, ব্যবসায়ী ও উৎসুক সাধারণ মানুষ। অনেকে মাছটির সঙ্গে ছবি তুলছেন এবং মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকা থেকে মাছটি চট্টগ্রামে আনা হয়। প্রায় ছয় ফুট লম্বা মাছটি সতেজ রাখতে বরফ দিয়ে সংরক্ষণ করা হয়েছে। বাজারে আনার পর থেকেই মাছটি ঘিরে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়।

মাছটির বিক্রেতা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, বঙ্গোপসাগরের সুন্দরবন উপকূল এলাকায় একটি মাছ ধরার ট্রলারের জালে মাছটি ধরা পড়ে। বিশাল আকৃতির হওয়ায় ট্রলার থেকে ক্রেনের সাহায্যে মাছটি পিকআপ ভ্যানে তোলা হয়। পরে কাজীর দেউড়ি মাছ বাজারে এনে ১২ থেকে ১৫ জনের একটি দল সেটি পিকআপ থেকে নামিয়ে দোকানে তোলে।

তিনি বলেন, মাছটির প্রতি কেজির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৫০০ টাকা। আগামী শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় মাছটি কেটে খুচরা বিক্রি করা হবে।

চট্টগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম বলেন, বাংলাদেশে কোরাল অত্যন্ত মূল্যবান সামুদ্রিক মাছ। এর কয়েকটি প্রজাতি রয়েছে। ছবি দেখে এটি কোরাল শ্রেণির মাছ বলেই ধারণা করা যাচ্ছে। স্থানীয়ভাবে অনেকেই এটিকে ‘কৈ কোরাল’ নামে চেনেন। তবে পরীক্ষাগারে পরীক্ষা ছাড়া এর বৈজ্ঞানিক পরিচয় নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।

মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, মাছটির শরীর চ্যাপ্টা ও কিছুটা গোলাকার। পিঠ ও পেছনের পাখনা লেজের দিকে বিস্তৃত থাকায় দূর থেকে দেখতে তিনটি লেজ রয়েছে বলে মনে হয়। এছাড়া শরীরজুড়ে থাকা বাদামি ছোপও কৈ কোরাল প্রজাতির বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চট্টগ্রামের বাজারে ১৫৫ কেজির বিশাল কোরাল, দেখতে উৎসুক জনতার ভিড়

আপডেট সময় : ০৮:৩৯:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরীর কাজীর দেউড়ি মাছ বাজারে বিক্রির জন্য আনা হয়েছে ১৫৫ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির একটি কোরাল মাছ। সচরাচর এত বড় কোরাল মাছ দেখা না যাওয়ায় সেটি দেখতে বাজারে ভিড় করছেন ক্রেতা, ব্যবসায়ী ও উৎসুক সাধারণ মানুষ। অনেকে মাছটির সঙ্গে ছবি তুলছেন এবং মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকা থেকে মাছটি চট্টগ্রামে আনা হয়। প্রায় ছয় ফুট লম্বা মাছটি সতেজ রাখতে বরফ দিয়ে সংরক্ষণ করা হয়েছে। বাজারে আনার পর থেকেই মাছটি ঘিরে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়।

মাছটির বিক্রেতা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, বঙ্গোপসাগরের সুন্দরবন উপকূল এলাকায় একটি মাছ ধরার ট্রলারের জালে মাছটি ধরা পড়ে। বিশাল আকৃতির হওয়ায় ট্রলার থেকে ক্রেনের সাহায্যে মাছটি পিকআপ ভ্যানে তোলা হয়। পরে কাজীর দেউড়ি মাছ বাজারে এনে ১২ থেকে ১৫ জনের একটি দল সেটি পিকআপ থেকে নামিয়ে দোকানে তোলে।

তিনি বলেন, মাছটির প্রতি কেজির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৫০০ টাকা। আগামী শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় মাছটি কেটে খুচরা বিক্রি করা হবে।

চট্টগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম বলেন, বাংলাদেশে কোরাল অত্যন্ত মূল্যবান সামুদ্রিক মাছ। এর কয়েকটি প্রজাতি রয়েছে। ছবি দেখে এটি কোরাল শ্রেণির মাছ বলেই ধারণা করা যাচ্ছে। স্থানীয়ভাবে অনেকেই এটিকে ‘কৈ কোরাল’ নামে চেনেন। তবে পরীক্ষাগারে পরীক্ষা ছাড়া এর বৈজ্ঞানিক পরিচয় নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।

মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, মাছটির শরীর চ্যাপ্টা ও কিছুটা গোলাকার। পিঠ ও পেছনের পাখনা লেজের দিকে বিস্তৃত থাকায় দূর থেকে দেখতে তিনটি লেজ রয়েছে বলে মনে হয়। এছাড়া শরীরজুড়ে থাকা বাদামি ছোপও কৈ কোরাল প্রজাতির বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।