ঢাকা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খালেদা জিয়ার স্মরণে ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন নেশার টাকা চেয়ে বাবা-মাকে মারধরে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার লালপুরে পুলিশ সদস্যসহ ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার ৩ ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত মিছিলের’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে মাদ্রাসা সুপারকে হয়রানির চেষ্টা

পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০২৪ ২৯৯ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চগড়ে ব্যক্তিগত ক্ষোভ ও নিজের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মাদ্রাসা সুপার মোছাঃ রৌশনআরা।

তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, বেশ কিছুদিন ধরে আমাকে নানা ভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। সোস্যাল মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত করার হুমকি পাচ্ছি।

গতকাল (১৮ নভেম্বর) পরিচিত একজনের মাধ্যমে জানতে পারি আমি ও আমার প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সোস্যাল মিডিয়ায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তার কাছ থেকে ঐ নিউজের লিংক সংগ্রহ করি। নিউজটা পড়ে বুঝতে পারি সেখানে উল্লেখিত বিষয় সমূহ সম্পুর্ন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ এর মধ্য দিয়ে নিয়ম অনুযায়ী মাদ্রাসার সুপার পদে নিয়োগ সম্পন্ন হয়। নিয়োগ প্রত্যাশীদের মধ্যে আমি একজন ছিলাম। নিয়োগ বোর্ডের যাচাই-বাছাই ও সকল প্রকার যথাযথ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই আমি নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে আমার উপর অর্পিত দ্বায়িত্ব পালন করছি। ইতিমধ্যে বোদা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও আমার নিয়োগ সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র দেখেছেন। তাতেও তিনি কোন অনিয়ম পাননি। এমতাবস্থায় আমি একজন নারী হওয়ায়, ব্যাক্তিগত ক্ষোভ, পদ প্রত্যাশী ও একটি চক্র তাদের হীনস্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে আমাকে হয়রানি করার জন্য বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করছে। ঐ দিন সাংবাদিকদের সাথে সৌহার্দপূর্ণ আচরণের মধ্য দিয়ে টিফিন এর সময় তাদের বোলে দুপুরের খাবার ও নামাজের জন্য মাদ্রাসার পাশে একটি বাড়িতে যাই। তাদেরকেও মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট বাজারে দুপুরের খাবার জন্য বলি। আমি নামাজ শেষে খাবার দোকানে গিয়ে দেখি তারা ইতিমধ্যেই চলে গেছেন। তারা যে সকল তথ্য চেয়েছে তা একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে কারনে উর্দ্ধতর্ন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত প্রদান করা প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যত নিরাপত্তার জন্য হুমকির কারণ হতে পারে। তাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে তারা যে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেছে তার বিষয়ে আমাদের মাদ্রাসা বোর্ডের সাথে যোগাযোগের জন্য চেষ্টা করছি। অনুমতি পেলে তথ্য সমূহ প্রদানে আমাদের কোন আপত্তি নেই। পাশাপাশি চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী কোন নিয়োগ দেওয়া হয় নি।

যারা এ বিষয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে বোদা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে মাদ্রাসা সুপারকে হয়রানির চেষ্টা

আপডেট সময় : ০২:৪৪:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০২৪

পঞ্চগড়ে ব্যক্তিগত ক্ষোভ ও নিজের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মাদ্রাসা সুপার মোছাঃ রৌশনআরা।

তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, বেশ কিছুদিন ধরে আমাকে নানা ভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। সোস্যাল মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত করার হুমকি পাচ্ছি।

গতকাল (১৮ নভেম্বর) পরিচিত একজনের মাধ্যমে জানতে পারি আমি ও আমার প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সোস্যাল মিডিয়ায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তার কাছ থেকে ঐ নিউজের লিংক সংগ্রহ করি। নিউজটা পড়ে বুঝতে পারি সেখানে উল্লেখিত বিষয় সমূহ সম্পুর্ন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ এর মধ্য দিয়ে নিয়ম অনুযায়ী মাদ্রাসার সুপার পদে নিয়োগ সম্পন্ন হয়। নিয়োগ প্রত্যাশীদের মধ্যে আমি একজন ছিলাম। নিয়োগ বোর্ডের যাচাই-বাছাই ও সকল প্রকার যথাযথ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই আমি নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে আমার উপর অর্পিত দ্বায়িত্ব পালন করছি। ইতিমধ্যে বোদা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও আমার নিয়োগ সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র দেখেছেন। তাতেও তিনি কোন অনিয়ম পাননি। এমতাবস্থায় আমি একজন নারী হওয়ায়, ব্যাক্তিগত ক্ষোভ, পদ প্রত্যাশী ও একটি চক্র তাদের হীনস্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে আমাকে হয়রানি করার জন্য বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করছে। ঐ দিন সাংবাদিকদের সাথে সৌহার্দপূর্ণ আচরণের মধ্য দিয়ে টিফিন এর সময় তাদের বোলে দুপুরের খাবার ও নামাজের জন্য মাদ্রাসার পাশে একটি বাড়িতে যাই। তাদেরকেও মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট বাজারে দুপুরের খাবার জন্য বলি। আমি নামাজ শেষে খাবার দোকানে গিয়ে দেখি তারা ইতিমধ্যেই চলে গেছেন। তারা যে সকল তথ্য চেয়েছে তা একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে কারনে উর্দ্ধতর্ন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত প্রদান করা প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যত নিরাপত্তার জন্য হুমকির কারণ হতে পারে। তাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে তারা যে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেছে তার বিষয়ে আমাদের মাদ্রাসা বোর্ডের সাথে যোগাযোগের জন্য চেষ্টা করছি। অনুমতি পেলে তথ্য সমূহ প্রদানে আমাদের কোন আপত্তি নেই। পাশাপাশি চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী কোন নিয়োগ দেওয়া হয় নি।

যারা এ বিষয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে বোদা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে।