ঢাকা ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

ময়মনসিংহে ১৮ হাজার ৪২০ পিস ইয়াবাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

আবুল কালাম আজাদ, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১১:২৯:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬ ৮৭ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহ নগরীর শম্ভুগঞ্জ মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৮ হাজার ৪২০ পিস ইয়াবা, নগদ ১৫ হাজার ৩০০ টাকা ও তিনটি মোবাইল ফোনসহ একই পরিবারের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

রোববার (১২ জুলাই ২০২৬) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়, ময়মনসিংহের সহকারী পরিচালক মো. কাওসারুল হাসান রনির নেতৃত্বে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন শম্ভুগঞ্জ মোড় এলাকায় ময়মনসিংহ-শেরপুর মহাসড়কে পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মো. রকিব হাসান (৩৮), তার ছেলে মো. সাকিব আল হাসান (২২), স্ত্রী মোছা. শান্তি খাতুন (৩৩) এবং পুত্রবধূ মোছা. ফারজানা আক্তার ওরফে ফরিদা (১৯)। তাদের সবার বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার চর নতুন বন্দর এলাকায়।

অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে মোট ১৮ হাজার ৪২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, তিনটি মোবাইল ফোন এবং মাদক বিক্রির ১৫ হাজার ৩০০ টাকা জব্দ করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে মাদক পরিবহন ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের সদস্যদের আটক করা হয়েছে। জব্দকৃত ইয়াবার চালানটি দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ময়মনসিংহে ১৮ হাজার ৪২০ পিস ইয়াবাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১১:২৯:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

ময়মনসিংহ নগরীর শম্ভুগঞ্জ মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৮ হাজার ৪২০ পিস ইয়াবা, নগদ ১৫ হাজার ৩০০ টাকা ও তিনটি মোবাইল ফোনসহ একই পরিবারের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

রোববার (১২ জুলাই ২০২৬) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়, ময়মনসিংহের সহকারী পরিচালক মো. কাওসারুল হাসান রনির নেতৃত্বে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন শম্ভুগঞ্জ মোড় এলাকায় ময়মনসিংহ-শেরপুর মহাসড়কে পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মো. রকিব হাসান (৩৮), তার ছেলে মো. সাকিব আল হাসান (২২), স্ত্রী মোছা. শান্তি খাতুন (৩৩) এবং পুত্রবধূ মোছা. ফারজানা আক্তার ওরফে ফরিদা (১৯)। তাদের সবার বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার চর নতুন বন্দর এলাকায়।

অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে মোট ১৮ হাজার ৪২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, তিনটি মোবাইল ফোন এবং মাদক বিক্রির ১৫ হাজার ৩০০ টাকা জব্দ করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে মাদক পরিবহন ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের সদস্যদের আটক করা হয়েছে। জব্দকৃত ইয়াবার চালানটি দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।