ঢাকা ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

সংস্কারের মাস না পেরোতেই কঙ্কালসার গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের রাস্তা: অনিয়ম ও হরিলুটের অভিযোগ

মোঃ মিঠু মিয়া , গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৭:৩০:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ৬৭ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালের প্রধান গেট থেকে জরুরি বিভাগ (ইমারজেন্সি) পর্যন্ত যাওয়ার একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি নির্মাণের মাত্র এক মাসের মাথায় চলাচলের সম্পূর্ণ অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

গণপূর্ত বিভাগের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হওয়া এই সংস্কার কাজে চরম অনিয়ম ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের মতে, উন্নয়নের নামে এখানে সরকারি অর্থের প্রকাশ্য ‘হরিলুট’ হয়েছে।

বেহাল দশা ও নিম্নমানের সামগ্রীর ব্যবহার। সরেজমিনে গিয়ে এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাত্র দেড় মাস আগে বিপুল অর্থ ব্যয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির পিচঢালাই ও সংস্কার কাজ শেষ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু মাস না পেরোতেই রাস্তার পিচ ও ইটের খোয়া উঠে গিয়ে কঙ্কালসার রূপ ধারণ করেছে। বর্তমানে রাস্তাটি দেখে চেনার উপায় নেই যে এটি মাত্র কিছুদিন আগেই সংস্কার করা হয়েছিল।

কাজ চলাকালীন সময়েই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। বর্তমানে রাস্তায় দৃশ্যমান একদম নিম্নমানের ৩ নম্বর বা তার চেয়েও নিকৃষ্ট ইটের চিত্র ফুটে উঠেছে।
কাদা ও খানাখন্দ: সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তার ইট-খোয়া গুঁড়ো হয়ে মাটির সাথে মিশে যাচ্ছে। পুরো রাস্তা জুড়ে এখন শুধু লাল কাদা আর বড় বড় খানাখন্দের ছড়াছড়ি।

ভোগান্তিতে মুমূর্ষু রোগী ও সাধারণ মানুষ,যে রাস্তা দিয়ে ২৪ ঘণ্টা মুমূর্ষু রোগীদের জরুরি বিভাগে আনা-নেওয়া করা হয়, সেই রাস্তার এই কঙ্কালসার চেহারার কারণে প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

ইজিবাইক, রিকশা কিংবা অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে ইমারজেন্সিতে পৌঁছাতে গিয়ে তীব্র ঝাঁকুনির মুখে পড়তে হচ্ছে রোগীদের।

ভাঙা ও কর্দমাক্ত রাস্তায় রোগী বহনকারী যানবাহন উল্টে যাওয়ার মতো দুর্ঘটনাও ঘটছে।
বিশেষ করে ,গর্ভবতী নারী। এবং ,স্ট্রোকের রোগীদের। জন্য এই রাস্তাটি এখন যেন এক ‘মৃত্যুফাঁদ’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

হাসপাতালের মতো এমন একটি স্পর্শকাতর জায়গায় সরকারি টাকার এভাবে অপচয় আর হরিলুট হবে—তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তা এবং ঠিকাদারের যোগসাজশ ছাড়া এত নিম্নমানের কাজ হওয়া অসম্ভব। আমরা এই কাজের তীব্র নিন্দা জানাই এবং এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সংস্কারের মাস না পেরোতেই কঙ্কালসার গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের রাস্তা: অনিয়ম ও হরিলুটের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৭:৩০:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালের প্রধান গেট থেকে জরুরি বিভাগ (ইমারজেন্সি) পর্যন্ত যাওয়ার একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি নির্মাণের মাত্র এক মাসের মাথায় চলাচলের সম্পূর্ণ অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

গণপূর্ত বিভাগের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হওয়া এই সংস্কার কাজে চরম অনিয়ম ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের মতে, উন্নয়নের নামে এখানে সরকারি অর্থের প্রকাশ্য ‘হরিলুট’ হয়েছে।

বেহাল দশা ও নিম্নমানের সামগ্রীর ব্যবহার। সরেজমিনে গিয়ে এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাত্র দেড় মাস আগে বিপুল অর্থ ব্যয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির পিচঢালাই ও সংস্কার কাজ শেষ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু মাস না পেরোতেই রাস্তার পিচ ও ইটের খোয়া উঠে গিয়ে কঙ্কালসার রূপ ধারণ করেছে। বর্তমানে রাস্তাটি দেখে চেনার উপায় নেই যে এটি মাত্র কিছুদিন আগেই সংস্কার করা হয়েছিল।

কাজ চলাকালীন সময়েই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। বর্তমানে রাস্তায় দৃশ্যমান একদম নিম্নমানের ৩ নম্বর বা তার চেয়েও নিকৃষ্ট ইটের চিত্র ফুটে উঠেছে।
কাদা ও খানাখন্দ: সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তার ইট-খোয়া গুঁড়ো হয়ে মাটির সাথে মিশে যাচ্ছে। পুরো রাস্তা জুড়ে এখন শুধু লাল কাদা আর বড় বড় খানাখন্দের ছড়াছড়ি।

ভোগান্তিতে মুমূর্ষু রোগী ও সাধারণ মানুষ,যে রাস্তা দিয়ে ২৪ ঘণ্টা মুমূর্ষু রোগীদের জরুরি বিভাগে আনা-নেওয়া করা হয়, সেই রাস্তার এই কঙ্কালসার চেহারার কারণে প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

ইজিবাইক, রিকশা কিংবা অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে ইমারজেন্সিতে পৌঁছাতে গিয়ে তীব্র ঝাঁকুনির মুখে পড়তে হচ্ছে রোগীদের।

ভাঙা ও কর্দমাক্ত রাস্তায় রোগী বহনকারী যানবাহন উল্টে যাওয়ার মতো দুর্ঘটনাও ঘটছে।
বিশেষ করে ,গর্ভবতী নারী। এবং ,স্ট্রোকের রোগীদের। জন্য এই রাস্তাটি এখন যেন এক ‘মৃত্যুফাঁদ’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

হাসপাতালের মতো এমন একটি স্পর্শকাতর জায়গায় সরকারি টাকার এভাবে অপচয় আর হরিলুট হবে—তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তা এবং ঠিকাদারের যোগসাজশ ছাড়া এত নিম্নমানের কাজ হওয়া অসম্ভব। আমরা এই কাজের তীব্র নিন্দা জানাই এবং এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই।