ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

লোনা পানিতেই তৃষ্ণা মেটাচ্ছে গাজার শিশুরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩ ১৬৮ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার শিশুরা ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে। জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক তহবিল ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, সেখানকার বাবা-মায়েদের কাছে আর কোনো বিকল্প না থাকায় তারা শিশুদের লোনা পানি দিয়েই তৃষ্ণা মেটাতে বাধ্য হচ্ছেন। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। সংস্থাটির মুখপাত্র টবি ফ্রিকার বিবিসিকে বলেন, পানির স্বল্পতা আগেও ছিল, তবে এখনকার পরিস্থিতি এ বিষয়টিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। তিনি আরও বলেন, গাজায় আমাদের একজন কর্মীর চার এবং ছয় বছরের সন্তান রয়েছে। তিনি তাদের সুরক্ষা দিতে চান এবং তাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয়তা মিটিয়ে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তিনি বলছিলেন যে, কিভাবে তারা লোনা পানি খেয়েই বেঁচে আছেন। তার মেয়েরা তার কাছে জানতে চাইছে যে, তারা কেন আগের মতোই খাবার পানি পান করতে পারছে না। গাজায় যেসব ত্রাণ সামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে সে বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে ফ্রিকার বলেন, ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছেছে তবে সেগুলো খুবই যৎসামান্য। তিনি বলেন, যখন আপনার বিশাল পরিসরে প্রয়োজন দেখা দেবে তখন সরবরাহও অনেক বেশি এবং আরও বেশি পরিমাণে প্রয়োজন হবে। তাৎক্ষণিক যুদ্ধ বিরতির জন্য আহ্বান জানিয়েছেন ফ্রিকার। একই সঙ্গে তিনি গাজায় আরও বেশি পরিমাণে ত্রাণ সরবরাহের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা প্রতিদিন শিশুদের মৃত্যু দেখছি। শিশুরা আহত হচ্ছে, এমনকি পঙ্গুত্ব বরণ করছে। এখন আমাদের প্রধান কাজ হচ্ছে শিশুদের সুরক্ষিত রাখা এবং তাদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

লোনা পানিতেই তৃষ্ণা মেটাচ্ছে গাজার শিশুরা

আপডেট সময় : ০২:১৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩

এফএনএস

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার শিশুরা ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে। জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক তহবিল ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, সেখানকার বাবা-মায়েদের কাছে আর কোনো বিকল্প না থাকায় তারা শিশুদের লোনা পানি দিয়েই তৃষ্ণা মেটাতে বাধ্য হচ্ছেন। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। সংস্থাটির মুখপাত্র টবি ফ্রিকার বিবিসিকে বলেন, পানির স্বল্পতা আগেও ছিল, তবে এখনকার পরিস্থিতি এ বিষয়টিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। তিনি আরও বলেন, গাজায় আমাদের একজন কর্মীর চার এবং ছয় বছরের সন্তান রয়েছে। তিনি তাদের সুরক্ষা দিতে চান এবং তাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয়তা মিটিয়ে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তিনি বলছিলেন যে, কিভাবে তারা লোনা পানি খেয়েই বেঁচে আছেন। তার মেয়েরা তার কাছে জানতে চাইছে যে, তারা কেন আগের মতোই খাবার পানি পান করতে পারছে না। গাজায় যেসব ত্রাণ সামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে সে বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে ফ্রিকার বলেন, ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছেছে তবে সেগুলো খুবই যৎসামান্য। তিনি বলেন, যখন আপনার বিশাল পরিসরে প্রয়োজন দেখা দেবে তখন সরবরাহও অনেক বেশি এবং আরও বেশি পরিমাণে প্রয়োজন হবে। তাৎক্ষণিক যুদ্ধ বিরতির জন্য আহ্বান জানিয়েছেন ফ্রিকার। একই সঙ্গে তিনি গাজায় আরও বেশি পরিমাণে ত্রাণ সরবরাহের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা প্রতিদিন শিশুদের মৃত্যু দেখছি। শিশুরা আহত হচ্ছে, এমনকি পঙ্গুত্ব বরণ করছে। এখন আমাদের প্রধান কাজ হচ্ছে শিশুদের সুরক্ষিত রাখা এবং তাদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে।