ঢাকা ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পাবনায় হাঁটের ইজারা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষ নওগাঁর মান্দায় সড়ক উন্নয়ন কাজে বাধা’ কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে সমাধান সরকারি জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মাণ’ রাস্তাবিহীন মানবেতর জীবনযাপন ঈশ্বরদীতে মুলাডুলি প্রিমিয়ার লীগ সিজন-৩ এর খেলোয়াড় নিলাম অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদীতে র‌্যাবের অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার- ১ ঈশ্বরদীতে অপপ্রচারের অভিযোগে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন ঈশ্বরদীতে শতাধিক মৌচাষীর অংশগ্রহণে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গণতন্ত্র ও স্বাধিকার আন্দোলনের আপসহীন কণ্ঠস্বর খোন্দকার দেলোয়ার: স্বাধীনতা পদকই হোক যোগ্য সম্মান” দ্বীনি শিক্ষার আলো ছড়াতে ঈশ্বরদীতে ‘তারবিয়াতুল উম্মাহ্ নূরানী মাদরাসা উদ্বোধন হাড় ভাঙার শব্দ শোনার অপেক্ষায় তৃণমূল; অলিদ বিন সিদ্দিকের সমালোচনার ইতি টানার ঘোষণা

বিএনপি ও সরকারের উদ্দেশ্যে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

সবকিছু ভুলের উপর ছেড়ে দেওয়া উচিত নয় : মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার

মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার
  • আপডেট সময় : ০৯:১৮:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ৪২ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির নতুন মন্ত্রীসভায় এমন ও আছেন ব্যক্তি এমাজউদ্দীন আহমদ ও ব্যক্তি মাহফুজ উল্লাহ’র সৃষ্টি
জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মহাসচিব জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর – সরকারে মন্ত্রী হিসেবে জনাব ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সাহেব – ও জনাব ইসমাঈল জবিহউল্লাহ ( প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা -) উনাদের কী মনে আছে তাদের জীবনের সবচেয়ে গর্বের নামটি ও তাদের কলিজার টুকরো বন্ধু হিসেবে যিনি ছিলেন সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহকে কী মনে আছে তাদের ? নাকি ক্ষমতায় এসেই সবকিছু ভুলে গেলেন! এমন তো হবার কথা ছিলোনা এবং আশাবাদী ও ছিলাম না-।

দুঃখ জনক অবস্থা সবকিছু ভুলের উপর ছেড়ে দেওয়া কোনোভাবে সম্ভব নয়। দুঃসময়ের য়ারা নেতৃত্ব দিয়েছেন তাদেরই ভুলে যেতে হবে কেন ? সরকার গঠিত হলো চারদিকে দেখা যাচ্ছে যারা ১/১১ সময় জিয়া পরিবারকে মাইনাস করতে কাজ করলো, যারা সংস্কারের নামে দলকে ধ্বংস করার সকল আয়োজন করিছিল তারাই এখন সরকারের নিয়ন্ত্রক।

ভুলে গেলে কি চলবে ? সেদিন যদি খন্দকার দেলোয়ার হোসেন সেদিন হাসপাতাল থেকে পালিয়ে না যেতেন তাহলে আজ বিএনপি জীবিত থাকত কিনা সন্দেহ আছে। অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যেত। তিনি খন্দকার দেলোয়ার অসুস্থ হওয়ার পরও হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গিয়ে বিএনপিকে টিকিয়ে রাখতে এই পলায়নের কারণে একমাত্র অস্তিত্ব ঠিকে আছে যার কারণে তিনি হলেন খন্দকার দেলোয়ার হোসেন। তার কারণেই আজকে সবাই বুক ভরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ( বিএনপি )’র করতে পারছেন।

ধরে’ই নিলাম মানুষ মাত্রই ভুল। কিন্তু আগামীকাল যেনো সংসদে ভাষাসৈনিক খন্দকার দেলোয়ার হোসেন, সাবেক জাদরেল নেতা ও অকুতোভয় দুঃসাহসী বীর সন্তান তরিকুল ইসলাম,সাবেক অর্থ মন্ত্রী এম সাইফুর রহমান, এমকে আনোয়ার, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, শহীদ সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী এবাদুর রহমান চৌধুরী, এম ইলিয়াস আলী, এডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন এবং না বললেই নয়- দল বিএনপির এক লৌহ মানব সাদা মনের মানুষ- বিনা পরিশ্রমে যিনি দল বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে আইনি সহায়তা প্রদান করতেন এডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া।

এছাড়া সর্বজনীন – বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরী, দল বিএনপির দুর্দিনের সাহসের বাতিঘর পিতৃতুল্য বাবা- অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ, অধ্যাপক ড. পিয়াস করীম, বাংলাদেশ গণমাধ্যম ও পরিবেশ সাংবাদিকতার জনক, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ রাষ্ট্র প্রতি জিয়াউর রহমানের একমাত্র আত্মজীবনী বইয়ের লেখক – শ্রদ্ধাভাজন বড়ভাই মরহুম সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ সহ সবার জন্য ১মিঃ নিরবতা পালন করা হয় যেন,,,আশা রাখি।

মজার ব্যাপার হলো বিএনপি ও ছাত্রদল সব সময় শহীদ ওয়াসিমের কথা সামনে আনে! এখন কোনো কিছু আলোচনা নেই কেনো ? আমরা হলাম জাতে মাতাল তালে ঠিক – তেল মালিশ আর ফুটবলের মতন পাম্প দিয়ে স্বৈরাচারী হাসিনার মতন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে কেউই এক সুতো পরিমাণে কিছু আদায় করে নিতে পারবেন বলে এমনটা আশা করা আমার মতে বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়।

দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা যেদিন পুনরায় নতুনভাবে প্রকাশিত হয়েছে সেদিন সেখানে ” তাদের ইচ্ছাকৃত অনিচ্ছাকৃত কোনো ধরণের ভুল ছিলোনা! তারা পরিস্কারভাবে বুঝিয়ে ও বলেছে আমার দেশ পত্রিকা। তারপরও চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার করে ছাড়া হয়েছে। আজ কেমন লাগছে । সেই জন্য বলি বারবার বলে আসছি যে দল বিএনপিতে ৫ আগস্টের পরবর্তী সময় থেকে চলমান আসন্ন অনুপ্রবেশকারী দলের জন্য ভরাডুবির কারণ ।

শোক প্রস্তাবে শহীদ ওসমান হাদির নাম ছিলো না। তবে বিরোধী দলের একাধিক সদস্য সে প্রস্তাব তুলেছেন। তা গৃহীত হয়েছে। মজার ব্যাপার হলো বিএনপি ও ছাত্রদল সব সময় শহীদ ওয়াসিমের কথা সামনে আনে। সংসদে ছাপানো শোক প্রস্তাবে আবু সাইদ , মুগদ্ধ ও আনাসের নাম থাকলেও ওয়াসিমের নাম ছিলো না। আমার দেশ পুন:প্রকাশের দিন জুলাই শহীদদের স্মরনে একটি স্টোরি প্রকাশিত হয়, সেখানে ব্যানারে ছবি বাছাই করতে গিয়ে ওয়াসিমের ছবি বাদ গিয়েছিলো। এ নিয়ে বিএনপির অ্যাক্টিভিস্টরা আমার দেশ এর বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রপাগান্ডা চালিয়েছিলো। এখন সংসদে ছাপানো শোক প্রস্তাবে ওয়াসিমের নাম নাই। এটাকে নিয়ে তো কোনো কিছুই বলা হয়নি কেনো। যাক সেইজন্য বলি- তাল মাতাল তালে তালে অনেক ধরনের হুমকির মুখে পতিত করে। এতে শহীদ ওয়াসিমের মর্যাদা কমেছে তাও নয়।

যদি সত্যিকার অর্থে ভুল থেকে হয়ে থাকে তাহলে বলার কিছু নেই তারপরও বলা দরকার : এ-সব বিষয় কী কারণে আগেভাগে থেকে চুড়ান্ত ফাইনাল করে রাখা হয়নি। এই অযোগ্য ও ব্যর্থতার জবাবদিহি করতে হবে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে দায়িত্বে থাকা প্রেস উইংয়ের মিডিয়া ও প্রেসসচিব সহ সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহি আওতায় নিয়ে আসার জন্য – ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলন এর ” পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

অযোগ্যদের মুখোশ কী কারণে ভুলের উপর ছেড়ে দিতে হবে সেই বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নেয়া যাবেনা। সংসদ অধিবেশন শুরু হবে এটা কী হঠাৎ করেই অঘোষিত শুরু হয়েছে যে সময় সুযোগ ও মনে ছিলোনা বলে পার পেয়ে যাবেন। ” মামার বাড়ির আবদার ” বললেই হয়ে গেলো কোনো ধরনের জবাবদিহি ছাড়া। তাহলে কী কারণে ঢাকঢোল পিটিয়ে এতদিন আগে প্রেস উইংয়ের মিডিয়া টিম নাম গুলো ঘোষণা করা হলো। না-কি গলায় তাবিজ বানিয়ে না-কি গলায় ঝুলিয়ে রেখে লোক দেখানোর জন্য এসব নামগুলো ঘোষণা করা হয়েছে। লজ্জায় লজ্জিত মুখে কী আর বলবো। যাক আল্লাহ তায়ালা হেফাজত করুন আমীন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিএনপি ও সরকারের উদ্দেশ্যে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

সবকিছু ভুলের উপর ছেড়ে দেওয়া উচিত নয় : মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার

আপডেট সময় : ০৯:১৮:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

বিএনপির নতুন মন্ত্রীসভায় এমন ও আছেন ব্যক্তি এমাজউদ্দীন আহমদ ও ব্যক্তি মাহফুজ উল্লাহ’র সৃষ্টি
জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মহাসচিব জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর – সরকারে মন্ত্রী হিসেবে জনাব ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সাহেব – ও জনাব ইসমাঈল জবিহউল্লাহ ( প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা -) উনাদের কী মনে আছে তাদের জীবনের সবচেয়ে গর্বের নামটি ও তাদের কলিজার টুকরো বন্ধু হিসেবে যিনি ছিলেন সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহকে কী মনে আছে তাদের ? নাকি ক্ষমতায় এসেই সবকিছু ভুলে গেলেন! এমন তো হবার কথা ছিলোনা এবং আশাবাদী ও ছিলাম না-।

দুঃখ জনক অবস্থা সবকিছু ভুলের উপর ছেড়ে দেওয়া কোনোভাবে সম্ভব নয়। দুঃসময়ের য়ারা নেতৃত্ব দিয়েছেন তাদেরই ভুলে যেতে হবে কেন ? সরকার গঠিত হলো চারদিকে দেখা যাচ্ছে যারা ১/১১ সময় জিয়া পরিবারকে মাইনাস করতে কাজ করলো, যারা সংস্কারের নামে দলকে ধ্বংস করার সকল আয়োজন করিছিল তারাই এখন সরকারের নিয়ন্ত্রক।

ভুলে গেলে কি চলবে ? সেদিন যদি খন্দকার দেলোয়ার হোসেন সেদিন হাসপাতাল থেকে পালিয়ে না যেতেন তাহলে আজ বিএনপি জীবিত থাকত কিনা সন্দেহ আছে। অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যেত। তিনি খন্দকার দেলোয়ার অসুস্থ হওয়ার পরও হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গিয়ে বিএনপিকে টিকিয়ে রাখতে এই পলায়নের কারণে একমাত্র অস্তিত্ব ঠিকে আছে যার কারণে তিনি হলেন খন্দকার দেলোয়ার হোসেন। তার কারণেই আজকে সবাই বুক ভরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ( বিএনপি )’র করতে পারছেন।

ধরে’ই নিলাম মানুষ মাত্রই ভুল। কিন্তু আগামীকাল যেনো সংসদে ভাষাসৈনিক খন্দকার দেলোয়ার হোসেন, সাবেক জাদরেল নেতা ও অকুতোভয় দুঃসাহসী বীর সন্তান তরিকুল ইসলাম,সাবেক অর্থ মন্ত্রী এম সাইফুর রহমান, এমকে আনোয়ার, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, শহীদ সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী এবাদুর রহমান চৌধুরী, এম ইলিয়াস আলী, এডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন এবং না বললেই নয়- দল বিএনপির এক লৌহ মানব সাদা মনের মানুষ- বিনা পরিশ্রমে যিনি দল বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে আইনি সহায়তা প্রদান করতেন এডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া।

এছাড়া সর্বজনীন – বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরী, দল বিএনপির দুর্দিনের সাহসের বাতিঘর পিতৃতুল্য বাবা- অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ, অধ্যাপক ড. পিয়াস করীম, বাংলাদেশ গণমাধ্যম ও পরিবেশ সাংবাদিকতার জনক, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ রাষ্ট্র প্রতি জিয়াউর রহমানের একমাত্র আত্মজীবনী বইয়ের লেখক – শ্রদ্ধাভাজন বড়ভাই মরহুম সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ সহ সবার জন্য ১মিঃ নিরবতা পালন করা হয় যেন,,,আশা রাখি।

মজার ব্যাপার হলো বিএনপি ও ছাত্রদল সব সময় শহীদ ওয়াসিমের কথা সামনে আনে! এখন কোনো কিছু আলোচনা নেই কেনো ? আমরা হলাম জাতে মাতাল তালে ঠিক – তেল মালিশ আর ফুটবলের মতন পাম্প দিয়ে স্বৈরাচারী হাসিনার মতন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে কেউই এক সুতো পরিমাণে কিছু আদায় করে নিতে পারবেন বলে এমনটা আশা করা আমার মতে বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়।

দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা যেদিন পুনরায় নতুনভাবে প্রকাশিত হয়েছে সেদিন সেখানে ” তাদের ইচ্ছাকৃত অনিচ্ছাকৃত কোনো ধরণের ভুল ছিলোনা! তারা পরিস্কারভাবে বুঝিয়ে ও বলেছে আমার দেশ পত্রিকা। তারপরও চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার করে ছাড়া হয়েছে। আজ কেমন লাগছে । সেই জন্য বলি বারবার বলে আসছি যে দল বিএনপিতে ৫ আগস্টের পরবর্তী সময় থেকে চলমান আসন্ন অনুপ্রবেশকারী দলের জন্য ভরাডুবির কারণ ।

শোক প্রস্তাবে শহীদ ওসমান হাদির নাম ছিলো না। তবে বিরোধী দলের একাধিক সদস্য সে প্রস্তাব তুলেছেন। তা গৃহীত হয়েছে। মজার ব্যাপার হলো বিএনপি ও ছাত্রদল সব সময় শহীদ ওয়াসিমের কথা সামনে আনে। সংসদে ছাপানো শোক প্রস্তাবে আবু সাইদ , মুগদ্ধ ও আনাসের নাম থাকলেও ওয়াসিমের নাম ছিলো না। আমার দেশ পুন:প্রকাশের দিন জুলাই শহীদদের স্মরনে একটি স্টোরি প্রকাশিত হয়, সেখানে ব্যানারে ছবি বাছাই করতে গিয়ে ওয়াসিমের ছবি বাদ গিয়েছিলো। এ নিয়ে বিএনপির অ্যাক্টিভিস্টরা আমার দেশ এর বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রপাগান্ডা চালিয়েছিলো। এখন সংসদে ছাপানো শোক প্রস্তাবে ওয়াসিমের নাম নাই। এটাকে নিয়ে তো কোনো কিছুই বলা হয়নি কেনো। যাক সেইজন্য বলি- তাল মাতাল তালে তালে অনেক ধরনের হুমকির মুখে পতিত করে। এতে শহীদ ওয়াসিমের মর্যাদা কমেছে তাও নয়।

যদি সত্যিকার অর্থে ভুল থেকে হয়ে থাকে তাহলে বলার কিছু নেই তারপরও বলা দরকার : এ-সব বিষয় কী কারণে আগেভাগে থেকে চুড়ান্ত ফাইনাল করে রাখা হয়নি। এই অযোগ্য ও ব্যর্থতার জবাবদিহি করতে হবে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে দায়িত্বে থাকা প্রেস উইংয়ের মিডিয়া ও প্রেসসচিব সহ সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহি আওতায় নিয়ে আসার জন্য – ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলন এর ” পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

অযোগ্যদের মুখোশ কী কারণে ভুলের উপর ছেড়ে দিতে হবে সেই বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নেয়া যাবেনা। সংসদ অধিবেশন শুরু হবে এটা কী হঠাৎ করেই অঘোষিত শুরু হয়েছে যে সময় সুযোগ ও মনে ছিলোনা বলে পার পেয়ে যাবেন। ” মামার বাড়ির আবদার ” বললেই হয়ে গেলো কোনো ধরনের জবাবদিহি ছাড়া। তাহলে কী কারণে ঢাকঢোল পিটিয়ে এতদিন আগে প্রেস উইংয়ের মিডিয়া টিম নাম গুলো ঘোষণা করা হলো। না-কি গলায় তাবিজ বানিয়ে না-কি গলায় ঝুলিয়ে রেখে লোক দেখানোর জন্য এসব নামগুলো ঘোষণা করা হয়েছে। লজ্জায় লজ্জিত মুখে কী আর বলবো। যাক আল্লাহ তায়ালা হেফাজত করুন আমীন।