পাবনায় হাঁটের ইজারা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষ
- আপডেট সময় : ১০:৪৭:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
পাবনায় হাঁটের ইজারা উত্তোলন নিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান ও আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ছয় জন আহত হয়েছে।
১২ এপ্রিল (রবিবার) জেলার আমিনপুর থানাধীন বিরাহিমপুর বাজারে এ সংঘর্ষ সংঘটিত হয়। এ সংঘর্ষের ঘটনায় উভয়পক্ষ বিপক্ষ গ্রুপকে দোষারোপ করলেও অজ্ঞাত কারণে একপাক্ষিক অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আমিনপুর থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।
জানা যায়, বাংলা ১৪৩২ সালের বিরাহিমপুর হাঁটের মেয়াদ শেষ হওয়ার পুর্বেই খাজনা আদায় বন্ধ ও পরবর্তী বছরের ইজারা তোলার বিষয়ে মতপার্থক্যের জেরে এ সংঘর্ষ সংঘটিত হয়। সংঘর্ষে মানিক গ্রুপের আরিফ,সাকিব,রশিদ সহ কয়েকজন ও সাত্তার গ্রুপের সাত্তার, শাহিন সহ কয়েকজন আহত হয়।
বিরাহিমপুর বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রানা (মানিক গ্রুপ) বলেন,বিরাহিমপুর হাঁট জনসাধারণের উপস্থিতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে হাঁটের খাজনা তোলা বন্ধ করতে বলায় সাত্তারের নেতৃত্বে কলিবার,হাকিব,শাহিন, আরছফ বাবুরা আমাদের উপর হামলা চালায়। সাত্তার বাহিনীর হামলায় আমাদের ৪-৫ জন আহত। তাদের মধ্যে আরিফ ও শাকিবের অবস্থা আশংকাজনক। আমরা অন্যায়ের শিকার হয়েও আইনগত কোন সুবিধা পাইনি বরং ঝামেলার সময় উপস্থিত না থাকলেও তাদের করা উদ্দেশ্য প্রণোদিত মামলায় আমার বাবাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উক্ত সংঘর্ষের ঘটনায় একপাক্ষিক অবস্থান থেকে বের হয়ে আইনের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠায় পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এই বণিক সমিতির নেতা।
বিরাহিমপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি হাকিম (সাত্তার গ্রুপ) বলেন, আমরা বিরাহিমপুর হাঁটের পুরাতন ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে হাঁটের নতুন বছরের ইজারদার (কলিবার গং)’দের সাথে সমঝোতা পুর্বক খাজনা ফ্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। তবে নতুন বছর শুরু হওয়ার কয়েকদিন পুর্বে বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রানার নেতৃত্বে খাজনা তোলা বন্ধ করে দেওয়া সহ ইজারাদারদের মারধর করা হয়। আমরা এঘটনার প্রতিবাদ করায় আমাদের উপর হামলা করে তারা।
এঘটনায় সাত্তার গ্রুপের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হলে মানিক গ্রুপের দুইজন কে গ্রেফতার করেছে আমিনপুর থানা পুলিশ। তবে মানিক গ্রুপের পক্ষ থেকে বারবার মামলা করতে থানায় গেলেও মামলা নেয়নি আমিনপুর থানা পুলিশ।
তবে এবিষয়ে মন্তব্য করেননি আমিনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব রহমান।









