ঢাকা ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাংবাদিক আরবিএস পাভেল চাঁদাবাজ নাকি ষড়যন্ত্রের শিকার? পূর্ণাঙ্গ ঘটনায় উঠছে নানা প্রশ্ন বাংলাদেশ ইতালির সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয়- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদক ও তামাকজাত দ্রব্যের বিস্তার রোধে সচেতনতা সৃষ্টির তাগিদ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর পাতি নেতায় অতিষ্ট জাতীয়তাবাদী কর্মী মাসুদ ও আমন সংরক্ষিত নারী আসনে দ্বিতীয়বার এমপি মনোনীত নেওয়াজ হালিমা আরলীকে অভিনন্দন প্রবাসীর নিকট থেকে চাঁদা না পেয়ে প্রাণনাশের হুমকি  ঢাকায় জেসিআই কার্নিভাল অনুষ্ঠিত পাবনায় সাংবাদিককে মেরে পুলিশে দেওয়ার হুমকি পাবনায় হাঁটের ইজারা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষ

ক্রাইমিয়ার আকাশে ইউক্রেইনের ২০ ড্রোন ধ্বংসের দাবি রাশিয়ার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৬:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৩ ৩৪৬ বার পড়া হয়েছে

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের বাহিনীগুলো ক্রাইমিয়া উপদ্বীপে ইউক্রেইনের পাঠানো ২০টি ড্রোন ধ্বংস করেছে। শনিবার দুপুররাতের এ হামলা চেষ্টার ঘটনায় কেউ হতাহত বা কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে টেলিগ্রাম অ্যাপে দেওয়া এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয়টি জানিয়েছে। রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা সিস্টেম ১৪টি ড্রোন ধ্বংস করেছে এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধকৌশল ব্যবহার করে অন্য ছয়টি ধ্বংস করা হয়েছে, বলেছে তারা। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এসব খবর জানালেও মন্ত্রণালয়টির প্রতিবেদনের তথ্য তারা স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করতে পারেনি বলে জানিয়েছে। ক্রাইমিয়ায় ইউক্রেইনের ড্রোনগুলোর লক্ষ্যস্থল কী ছিল তা তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার হয়নি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির আগে রাশিয়ার নিয়োগকৃত ক্রাইমিয়ার গভর্নর সের্গেই ক্রিউচকোভ জানিয়েছিলেন, বিমান প্রতিরক্ষা পদ্ধতি উপদ্বীপের বিভিন্ন অংশে আকাশপথে চালানো হামলা প্রতিরোধ করে চলেছে। ক্রাইমিয়ার পরিবহন কর্তৃপক্ষ তাদের টেলিগ্রাম অ্যাপের চ্যানেলে বলেছে, রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে ক্রাইময়া উপদ্বীপকে সংযোগকারী ক্রাইমিয়া সেতু স্থানীয় সময় রাত ১টা ৩০ মিনিট থেকে পরবর্তী প্রায় দুই ঘণ্টা বন্ধ ছিল। মে মাসের প্রথমদিকে ক্রেমলিনের আকাশে একটি ড্রোন ধ্বংসের পর থেকে ইউক্রেইনে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোতে ও রাশিয়ার অনেক ভেতরে ড্রোন হামলার পরিমাণ বেড়ে গেছে। ইউক্রেইন প্রায় কখনো এসব হামলার দায় প্রকাশ্যে স্বীকার করে না। কিন্তু তারা বলেছে, রাশিয়ার সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস কিইভের পাল্টা-আক্রমণের অন্যতম লক্ষ্য। ২০২২ এর ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে প্রতিবেশী ইউক্রেইনে পূর্ণমাত্রায় আক্রমণ শুরু করে রাশিয়া। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এ আক্রমণ শুরু করার নির্দেশ দেন। এর আট বছর আগে ২০১৪ সালে ক্রাইমিয়া উপদ্বীপকে মস্কো নিজেদের ভূখণ্ডের অংশভুক্ত করে নেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ক্রাইমিয়ার আকাশে ইউক্রেইনের ২০ ড্রোন ধ্বংসের দাবি রাশিয়ার

আপডেট সময় : ০২:২৬:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৩

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের বাহিনীগুলো ক্রাইমিয়া উপদ্বীপে ইউক্রেইনের পাঠানো ২০টি ড্রোন ধ্বংস করেছে। শনিবার দুপুররাতের এ হামলা চেষ্টার ঘটনায় কেউ হতাহত বা কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে টেলিগ্রাম অ্যাপে দেওয়া এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয়টি জানিয়েছে। রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা সিস্টেম ১৪টি ড্রোন ধ্বংস করেছে এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধকৌশল ব্যবহার করে অন্য ছয়টি ধ্বংস করা হয়েছে, বলেছে তারা। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এসব খবর জানালেও মন্ত্রণালয়টির প্রতিবেদনের তথ্য তারা স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করতে পারেনি বলে জানিয়েছে। ক্রাইমিয়ায় ইউক্রেইনের ড্রোনগুলোর লক্ষ্যস্থল কী ছিল তা তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার হয়নি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির আগে রাশিয়ার নিয়োগকৃত ক্রাইমিয়ার গভর্নর সের্গেই ক্রিউচকোভ জানিয়েছিলেন, বিমান প্রতিরক্ষা পদ্ধতি উপদ্বীপের বিভিন্ন অংশে আকাশপথে চালানো হামলা প্রতিরোধ করে চলেছে। ক্রাইমিয়ার পরিবহন কর্তৃপক্ষ তাদের টেলিগ্রাম অ্যাপের চ্যানেলে বলেছে, রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে ক্রাইময়া উপদ্বীপকে সংযোগকারী ক্রাইমিয়া সেতু স্থানীয় সময় রাত ১টা ৩০ মিনিট থেকে পরবর্তী প্রায় দুই ঘণ্টা বন্ধ ছিল। মে মাসের প্রথমদিকে ক্রেমলিনের আকাশে একটি ড্রোন ধ্বংসের পর থেকে ইউক্রেইনে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোতে ও রাশিয়ার অনেক ভেতরে ড্রোন হামলার পরিমাণ বেড়ে গেছে। ইউক্রেইন প্রায় কখনো এসব হামলার দায় প্রকাশ্যে স্বীকার করে না। কিন্তু তারা বলেছে, রাশিয়ার সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস কিইভের পাল্টা-আক্রমণের অন্যতম লক্ষ্য। ২০২২ এর ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে প্রতিবেশী ইউক্রেইনে পূর্ণমাত্রায় আক্রমণ শুরু করে রাশিয়া। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এ আক্রমণ শুরু করার নির্দেশ দেন। এর আট বছর আগে ২০১৪ সালে ক্রাইমিয়া উপদ্বীপকে মস্কো নিজেদের ভূখণ্ডের অংশভুক্ত করে নেয়।